|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের সভা অনুষ্ঠিত   * আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়লো এক মাস   * গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু : ভর্তি ৪৩৬ জন   * ক্যাসিমিরোর দুর্দান্ত গোলে দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিল   * এসএসসির ফল প্রকাশ : পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ   * এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর   * চার বিশ্বকাপজয়ী জার্মানিকে হারিয়ে চমক জাপানের   * ইকুয়েডর-কাতার ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল   * ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভোগান্তি থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী   * খিলগাঁওয়ে ট্রাকের ধাক্কায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু  

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের সভা অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের নিয়মিত সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, বোর্ড অব ট্রাষ্টির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।
মুন আরো জানান, শেখ হাসিনা ট্রাষ্টের বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে নিতে বেশকিছু নির্দেশনা দেন।
ট্রাষ্টের সদস্য নুর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, নজরুল ইসলাম খান এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের সভা অনুষ্ঠিত
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের নিয়মিত সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, বোর্ড অব ট্রাষ্টির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।
মুন আরো জানান, শেখ হাসিনা ট্রাষ্টের বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে নিতে বেশকিছু নির্দেশনা দেন।
ট্রাষ্টের সদস্য নুর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, নজরুল ইসলাম খান এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়লো এক মাস
                                  

আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতারা। ব্যবসায়ী ও করদাতাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সময় বাড়ানোর এ ঘোষণা দিয়েছেন।

আগের ঘোষণা অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন ছিল আজ ৩০ নভেম্বর।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি ও করদাতাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। আশা করছি করদাতারা সহজেই রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

‘যথাযথ কর প্রদানের মাধ্যমে করদাতাদের রাষ্ট্রের উন্নয়নে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহম্মদ মুসলিম চৌধুরী।

করোনা মহামারি বিবেচনায় এ বছর আয়কর মেলা না হলেও এনবিআরের আওতাধীন সারা দেশে ৩১টি কর অঞ্চলে মেলার মতো সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি কর অঞ্চলে জোনভিত্তিক বুথ, ই-টিআইএন ও তথ্যসেবা বুথ রাখা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে ৮২ লাখের বেশি কর শনাক্তকারী নম্বরধারী (টিআইএন) করদাতা রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত ২২ লাখের মতো রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

২০১৬ সালে আয়কর অধ্যাদেশে পরিবর্তন এনে ৩০ নভেম্বর জাতীয় কর দিবসের পর রিটার্ন জমা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তাই সময় বাড়ানোর পথটি বন্ধ হয়ে যায়। যদিও গত দুই বছর করোনা মহামারির কারণে একমাস সময় বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এবারও সেই পথে হেঁটেছে এনবিআর।

এসএসসির ফল প্রকাশ : পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ
                                  

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। 
আজ দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের কপি হস্তান্তর করা হয়।
এরপর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি।
চলতি বছরে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার হার ৮৮ দশমিক ১০ শতাংশ। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ সকল বোর্ডের এসএসসি, এসএসসি (কারিগরি) ও দাখিল পরীক্ষার পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ পরীক্ষার্থী।
দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে গত বছর এসএসসিতে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ ছিল। এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ
প্রকাশিত ফলাফলে ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ১০ শতাংশ। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ২২ শতাংশ, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮৪. ৭ শতাংশ।
এবার ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ০৩ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৬ দশমিক ৭ শতাংশ, রাজশাহীতে ৮৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ, কুমিল্লায় ৯১ দশমিক ২৮ শতাংশ, বরিশালে ৮৯ দশমিক ৬১ শতাংশ, সিলেটে ৭৮ দশমিক ৮২ শতাংশ চট্টগ্রামে  ৮৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ, যশোরে ৯৫ দশমিক ০৩ শতাংশ দিনাজপুরে ৮১ দশমিক ১৪ শতাংশ। 
এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৩৭ জন।  মোট ৩ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে শুধু সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৭ জন।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত মহওয়ার পর ৫৮তম দিনে ফল প্রকাশ করা হলো। 
তিনি বলেন, প্রতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে থাকলেও গত দুই বছর ধরে কোভিড-১৯ জনিত বৈশ্বিক মহামারির প্রার্দুভাবের কারণে যথাসময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ১৯ জুন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলেট বিভাগসহ ময়মনসিংহ অঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলাতে আকষ্মিক বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হলে- পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করে দেওয়া হয়।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর
                                  

এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপুমনি আজ প্রধামন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর কাছে পরীক্ষার ফলাফলের সারসংক্ষেপ ও পরিসংখ্যান হস্তান্তর করেন।
১৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী মাদ্রাসা (দাখিল) ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডসহ ১১টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমামানের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে।

এদের মধ্যে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার পরীক্ষার্থী নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডের, ২ লাখ ৬৮ হাজার পরীক্ষার্থী মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের এবং ১ লাখ ৫৩ হাজার পরীক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। সুত্রঃবাসস

ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভোগান্তি থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী মাস থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির জন্য জনগণকে আর বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ইনশাল্লাহ হয়তো আগামী মাস থেকে এত কষ্ট আর থাকবে না।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় প্রারম্ভিক ভাষণে একথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হয়েছি। এখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তেল কিনতে ও গ্যাস আনতে অসুবিধা হচ্ছে। শুধু আমাদের দেশ নয়, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, জার্মানীসহ ইউরোপের বিভিন্ন  দেশও জ¦ালানি সাশ্রয়ের দিকে বিশেষভাবে নজর দিচ্ছে। তারাও হিমসিম খাচ্ছে। সেখানে আমাদেরও কিছু দিনের জন্য কষ্ট পোহাতে হয়েছে। ইনশাল্লাহ হয়তো আগামী মাস থেকে এত কষ্ট আর থাকবে না।
 শেখ হাসিনা বলেন, তারপরও তেল, পানি এবং জ¦ালানি ব্যবহারে সকলকে সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী হতে হবে। কারণ, সারাবিশে^ অর্থনৈতিক মন্দার যে প্রভার তার থেকে আমরা মুক্ত নই। কারো এক ইঞ্চি জমিও যেন খালি না থাকে। যে যা পারেন উৎপাদন করেন। নিজের জমিতে ফসল ফলান। কেননা, সারাবিশে^র অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই খারাপ। আমাদের নিজেদের খাদ্যের সংস্থান নিজেরা করতে পারলে বিশ^ব্যাপী চলমান দুর্ভোগের আঁচ বাংলাদেশে লাগবে না।
সরকার প্রধান বলেন, আমরা খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়েছি। আমাদের যা প্রয়োজন তার থেকে বেশি উৎপাদন করছি। তারপরও আমরা আপৎকালীন খাদ্য সব সময় মজুত রাখি, যেন আমার দেশের মানুষের কোনো কষ্ট না হয়।
মানুষকে বিনামূল্যে এবং কমমূল্যে খাদ্য সরবরাহ করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বেশি দাম দিয়ে সব জিনিস কিনে নিয়ে এসে কম দামে দিচ্ছি যাতে কোনো মানুষ খাদ্যে কষ্ট না পায়। টিসিবির কার্ডের মাধ্যমে চাল, ডাল, তেল, চিনি ভর্তুকিতে দিচ্ছি। মোট ১ কোটি মানুষ এটা পাচ্ছে। প্রায় ৫০ লাখ মানুষকে আমরা ১৫ টাকায় দিচ্ছি আর ৫০ লাখ পরিবার পাচ্ছে বিনা পয়সায়। যারা বয়োবৃদ্ধ তাদেরকে দিচ্ছি।
শেখ হাসিনা বলেন, যারা গৃহহীন-ভূমিহীন তাদের ঘর করে দিচ্ছি। যাদের ঠিকানা ছিল না, এ ধরনের যত মানুষ পাচ্ছি আমরা খুঁজে খুঁজে বের করে বিনা পয়সায় ঘর দিচ্ছি। কিছু দিন আগে বন্যা হয়ে গেল। নদী ভাঙনে যারা ভূমিহীন আমরা তাদেরও ঘর করে দেব।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যাণে কাজ করে। আমরা নিজেদের ভাগ্য গড়তে  আসিনি। গড়ছি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য। বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। বৃত্তি-উপবৃত্তি, মানুষকে খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা দিচ্ছি। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ৩০ প্রকার ওষুধ বিনা পয়সায় দেয় হচ্ছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, কবে কে করেছে বাংলাদেশের মানুষের জন্য এত কাজ? এতবার তো ক্ষমতায় ছিল সবাই। জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া ছিল। মানুষের কল্যাণে তারা তো কখনো করেনি! করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগই করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশ সারা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। চোখে দেখে না আমাদের দেশের কিছু মানুষ। তাদের কিছুই ভালো লাগে না। এই গণতান্ত্রিক সরকার তাদের ভালো লাগবে না। অগণতান্ত্রিক কিছু হলে তাদের মূল্যটা বাড়ে। এটাই তারা ভাবে। বাংলাদেশে সেই খেলাই খেলতে চায় তারা। বারবার তো সেই খেলা চলেছে দীর্ঘ দিন।
তিনি বলেন, ২০০৮ এর নির্বাচনের পর একটানা গণতান্ত্রিক ধারা আছে বলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বে আবার সেই মর্যাদা পেয়েছে। এর আগে বাংলাদেশের নাম শুনলে মনে করতে দুর্ভিক্ষ-ঝড়-দরিদ্র। এভাবেই দেখতো। এখন তো আর সেই ছোট চোখে আর বাংলাদেশকে দেখতে পারে না! কারণ, আমরা বিজয়ী জাতি। জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছি। বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করেই চলবো আমরা। সেটাই করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন ধরে রিজার্ভ নিয়ে অনেক কথা শোনা যাচ্ছে। করোনাকালে আমাদের আমদানি হয়নি, কেউ বিদেশে যেতে পারেনি, কোনো রকম খরচ ও হুন্ডি ব্যবসা ছিল না। একেবারে সরকারিভাবে সব অর্থ এসেছে, যার ফলে আমাদের ভালো ফান্ড আসে। ’৯১ থেকে ’৯৬ পর্যন্ত বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন রিজার্ভ রেখে গিয়েছিল মাত্র ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার। যেটা ৩ মাসের খাবার আমদানি করারও পয়সা হতো না।

প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের কল্যাণেই তাঁর সরকার রিজার্ভের অর্থ খরচ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অতীতের ঋণের সুদও গুণতে হয় বড় অংকের। তাঁর সরকার কখনো ঋণ খেলাপি হয়নি বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের এখনও যে রিজার্ভ রয়েছে তা দিয়ে ৫ মাসের আমাদানী ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব। এটি ৩ মাসের থাকলেই যথেষ্ট বলেই তিনি উল্লেখ করেন।’
 শেখ হাসিনা বলেন, ৮ বিলিয়ন ডলার আমরা আলাদাভাবে বিনিয়োগ করেছি। আধুনিক বিমান ক্রয় করেছি। এটা আমাদের রিজার্ভের টাকা দিয়েই করেছি। অন্যের কাছ থেকে টাকা ধার নেইনি। কারণ, ধার নিলেও সেটাকা সুদসহ শোধ করতে হতো। সেই টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিমান নিয়েছে এবং ২ শতাংশ সুদে আবার ফেরত দিচ্ছে। ফলে, দেশের টাকা দেশের থাকছে। রপ্তানী ক্ষেত্রে প্রণোদনা দেয়ায় টাকা খরচ হচ্ছে। এতে আমাদের দেশের লোকই লাভবান হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির অনেক নেতা মানিলন্ডারিংয়ের কথা বলেন। তারেক জিয়ার শাস্তি হয়েছে মানিলন্ডারিং মামলায়। তার বিরুদ্ধে আমেরিকা থেকে এফবিআই-এর লোক এসে বাংলাদেশের সাক্ষী দিয়ে গেছে। মানি লন্ডারিং কেসে সাত বছর সাজা, ২০ কোটি টাকা জরিমানা আর গ্রেনেড হামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত, দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাকারবারির জন্যও সে সাজাপ্রাপ্ত। এতিমের টাকা আত্মসাতের মামলায় খালেদা জিয়া সাজা পেয়েছেন।
করোনায় বিনামূল্যে টিকা প্রদান, টেস্ট করানো এবং আনুসাঙ্গিক খাতে যে বিপুল অংকের টাকা খরচের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে সরকারের যে ব্যয় সেদিকে পত্র-পত্রিকা ও মিডিয়ার নজর নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা দুর্নীতির কথা বলার চেষ্টা করে। কিন্তু, কোন দিন খুঁজে দেখেনি যে টাকা সব মানুষের জন্য খরচ হয়েছে। আওয়ামী লীগ কোন দুর্নীতি করেনি বরং দুর্নীতি তারেক জিয়া, খালেদা জিয় এবং কোকো করে গেছে। আর এটা তাঁর সরকারের কথা নয় আমেরিকা থেকে এফবিআই এসে দুনীর্তির সাক্ষ্য দিয়েছে এবং তাদের পাচার করা কিছু টাকাও উদ্ধার করে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় তারেক জিয়ার সম্পৃক্ততা ও সাজা প্রাপ্তি এবং তাঁর ওপর একের পর এক প্রাণঘাতি হামলা ও সে সময় খালেদা জিয়ার বক্তব্য ‘শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীতো দূরের কথা বিরোধী দলের নেতাও হতে পারবে না’, ‘আওয়ামী লীগ ১শ’ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পাবে না’ - সবিস্তারে তিনি তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা খুন, হত্যা এবং গুমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। বিএনপি আমলে বাংলা ভাই এবং সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি এবং একযোগে সারাদেশের  ৫শ’ জায়গায় বোমা হামলার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে প্রকৃত গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক অধিকার এ দেশের মানুষের ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করি।’
তিনি বলেন, নির্বাচনে যতটুকু স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে সেটা কিন্তু আমাদের (আওয়ামী লীগ) আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল।
বিএনপি আমলের নির্বাচনের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জামায়াতকে নিয়ে সরকার গঠন করার পর থেকে দেশে হত্যা, খুন, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং- এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তারা করেনি।
প্রধানমন্ত্রী সে সময়কার নির্বাচন বিষয়ে বলেন, ‘কথাই ছিল ১০টা হুন্ডা (মটর সাইকেল), ২০টা গুন্ডা, নির্বাচন ঠান্ডা। অবশ্য তাদের মুখে এখন খুব গণতন্ত্রের কথা শোনা যায়। তারা নাকি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করছে।সুত্রঃবাসস

 

সামান্যতম দুর্ভিক্ষের চিহ্ন বাংলাদেশে নেই : কৃষি মন্ত্রী
                                  

 কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশের মানুষকে আতংকিত করার জন্য কিছু মিডিয়া, সুশীলেরা দুর্ভিক্ষের কথা মানুষকে শুনাচ্ছে। দেশ বিদেশের অনেকের সাথেই সাক্ষাত করে সুনিশ্চিত হয়েই বলতে পারি সামান্যতম দুর্ভিক্ষের চিহ্ন বাংলাদেশে নেই।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন,বাংলাদেশ (আইইবি)-এর কৃষি কৌশল বিভাগের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী পেপার উপস্থাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। 
আইইবির কৃষি কৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান  মো. মোয়াজ্জেম হুসেন ভূইয়ার সভাপতিত্বে সম্পাদক   মিছবাহুজ্জামান চন্দনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাৎ হােসেন (শীবলু)। 
এতে আইইবির সহকারী সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম হাজারী, প্রতীক কুমার ঘোষ, কৃষি কৌশল বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শেখ, ড. মো. কামরুজ্জামান মিলন, ঢাকা সেন্টারের সম্পাদক খায়রুল বাসার, তড়িৎ কৌশল বিভাগের  চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, করোনার ফোবিয়ার মতো দুর্ভিক্ষ ফোবিয়ায় মানুষকে আটকে রাখতে চায়। মানুষের আয় বেড়েছে। তাই এখন আর কৃষি খামারে কাজ করছে না।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সময়ে আলুর উৎপাদন ছিল মাত্র ৫০ লক্ষ টন তা এখন ১ কোটিরও বেশি হয়েছে। আম, ভুট্টা, শাকসবজির উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার নিরাপদ, পুষ্টিকর,স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের নিশ্চয়তার অঙ্গীকার রেখেছে। কৃষি বাণিজ্য আয়ের অন্যতম উৎস হবে এটাই আওয়ামী লীগ সরকারের চেষ্টা। কৃষিকে আধুনিকায়ন করার জন্য সরকার সব সময়ই সংগ্রাম করছে। দেশ এতোই উন্নত হয়েছে যে ধান কাটার জন্য এখন আর শ্রমিক পাওয়া যায় না। 
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইইবির সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর। 

হজযাত্রীদের হয়রানি করলে কঠোর শাস্তি: প্রধানমন্ত্রী
                                  
হজযাত্রীদের সঙ্গে কোনো প্রতারণা বা হয়রানি করলে এজেন্সিগুলোকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা সম্মেলন-২০২২ এবং হজ ও ওমরাহ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
 
গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগদান করে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, আসুন আমরা সবাই ইসলামের বাণীকে হৃদয়ে ধারণ করি এবং সমাজ থেকে অন্ধকার, অশিক্ষা, বিভেদ, সহিংসতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করি। যে অপশক্তি ইসলামের অপব্যাখ্যা করছে তাদের প্রতিহত করুন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ইসলামের জন্য অনেক কাজ করেছেন এবং তার উত্তরসূরি হিসেবে সরকার ইসলাম ও জনগণের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
 
শেখ হাসিনা বলেন, ইসলাম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধর্ম। কিন্তু কিছু সন্ত্রাসির কারণে এই পবিত্র ধর্ম সমালোচনার সম্মুখীন।
 
তিনি বলেন, দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত রেখে পবিত্র ইসলামের শান্তিপূর্ণ গৌরব সমুন্নত রাখতে আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং আলেম ওলামাদেরকে সম্পৃক্ত করেছি। মানবসম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করে মসজিদের ইমামগণকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমরা মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় লক্ষ লক্ষ শিশুকে কুরআন শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের সাথে সাথেই আমরা ৬৪৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা দিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প পুনরায় চালু করি। বর্তমানে এ প্রকল্পের বরাদ্দ ২ হাজার ২৭২ কোটি ৪ লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৯ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা ব্যয় একটি করে মোট ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।
হজযাত্রীদের হজ-সম্পর্কিত যথাযথ তথ্য সরবরাহ, তাদের বর্তমান প্রযুক্তি-ভিত্তিক হজ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন, হজ এজেন্সির সাথে সরাসরি যোগাযোগ এবং মধ্যস্বত্বভোগী ও প্রতারকদের প্রভাব হ্রাস করতে জাতীয় পর্যায়ের হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা সম্মেলন-২০২২ এবং হজ ও ওমরাহ মেলার এই আয়োজন।
 
সম্মেলনে ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা: অর্জন ও কর্মকান্ড’ এবং ‘ই-হজ ব্যবস্থাপনা এবং মক্কা উদ্যোগের রুট’ বিষয়ে দুটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন হজ ও আর্থিক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তিন দিনব্যাপী হজ ও ওমরাহ মেলায় প্রায় ১৫০টি স্টল এবং প্যাভিলিয়ন স্থাপন করেছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত হজযাত্রীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। বাংলাদেশ বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম হজযাত্রী প্রেরণকারী দেশ। বাংলাদেশের ৯০ শতাংশের বেশি হজযাত্রী এবং শতভাগ ওমরাহ যাত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবে যান। 
ইসলামের অপব্যাখ্যা প্রতিরোধ করে এর মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণ করুন : প্রধানমন্ত্রী
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তির ধর্ম ইসলামের মর্মবাণীতে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজ থেকে অন্ধকার, অশিক্ষা, বিভেদ, সহিংসতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের পাশাপাশি ইসলামের অপব্যাখ্যাকারী অপশক্তিকে প্রতিহত করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ।
তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা সবাই ইসলামের বাণীকে হৃদয়ে ধারণ করি এবং সমাজ থেকে অন্ধকার, অশিক্ষা, বিভেদ, সহিংসতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করি। যে অপশক্তি ইসলামের অপব্যাখ্যা করছে তাদের প্রতিহত করুন’ ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা সম্মেলন-২০২২ এবং হজ ও ওমরাহ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ আহ্বান জানান।
গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগদান করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ইসলামের জন্য অনেক কাজ করেছেন এবং তার উত্তরসূরি হিসেবে সরকার ইসলাম ও জনগণের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ইসলাম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধর্ম। কিন্তু কিছু সন্ত্রাসির কারণে এই পবিত্র ধর্ম সমালোচনার সম্মুখীন।
তিনি বলেন, দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত রেখে পবিত্র ইসলামের শান্তিপূর্ণ গৌরব সমুন্নত রাখতে আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং আলেম ওলামাদেরকে সম্পৃক্ত করেছি। মানবসম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করে মসজিদের ইমামগণকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমরা মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় লক্ষ লক্ষ শিশুকে কুরআন শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের সাথে সাথেই আমরা ৬৪৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা দিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প পুনরায় চালু করি। বর্তমানে এ প্রকল্পের বরাদ্দ ২ হাজার ২৭২ কোটি ৪ লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৯ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা ব্যয় একটি করে মোট ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।
হজযাত্রীদের সঙ্গে কোন প্রতারণা বা হয়রানি করলে এজেন্সিগুলোকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
হজযাত্রীদের হজ-সম্পর্কিত যথাযথ তথ্য সরবরাহ, তাদের বর্তমান প্রযুক্তি-ভিত্তিক হজ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন, হজ এজেন্সির সাথে সরাসরি যোগাযোগ এবং মধ্যস্বত্বভোগী ও প্রতারকদের প্রভাব হ্রাস করতে জাতীয় পর্যায়ের হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা সম্মেলন-২০২২ এবং হজ ও ওমরাহ মেলার এই আয়োজন।
সম্মেলনে ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা: অর্জন ও কর্মকান্ড’ এবং ‘ই-হজ ব্যবস্থাপনা এবং মক্কা উদ্যোগের রুট’ বিষয়ে দুটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।
বিভিন্ন হজ ও আর্থিক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তিন দিনব্যাপী হজ ও ওমরাহ মেলায় প্রায় ১৫০টি স্টল এবং প্যাভিলিয়ন স্থাপন করেছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত হজযাত্রীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
বাংলাদেশ বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম হজযাত্রী প্রেরণকারী দেশ।
বাংলাদেশের ৯০ শতাংশের বেশি হজযাত্রী এবং শতভাগ ওমরাহ যাত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবে যান।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসান, বাংলাদেশে সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ আল-দাহিলান এবং হাব সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন তসলিমও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হজযাত্রীদের সঙ্গে কোন এজেন্সি প্রতারণা বা হয়রানি করলে সে এজেন্সির বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতেও আল্লাহর ঘরের মেহমানদের যারা হয়রানি করবে তাদেরকে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। এটা মনে রাখতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১ এবং হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২২ প্রণয়ন করেছি। এর ফলে হজ কার্যক্রমে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগের প্রতিকার হয়েছে।
আগামিতে যারা হজে যাবেন তাদের হজের পাশাপাশি সৌদি আরবের সমস্ত নিয়ম কানুন এবং আইন সম্পর্কে জানা এবং মেনে চলার আহ্বান জানান সরকার প্রধান।
সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম। এই শান্তির ধর্ম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম। অথচ এই ধর্মকে কিছু জঙ্গীবাদের কারণে অপমানজনক কথা শুনতে হচ্ছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা ইসলামের খেদমতের জন্য অনেক কাজ করে গিয়েছেন। আমরা তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে ইসলাম ও জনগণের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনের আগে দেয়া বেতার ভাষণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্ধৃত করেন।
জাতির পিতা বলেছিলেন,‘আমরা ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাসী। আমাদের ইসলাম হযরত নবী করীম (সা:) এর ইসলাম, যে ইসলাম জগতবাসীকে শিক্ষা দিয়েছে ন্যায় ও সুবিচারের অমোঘ মন্ত্র।’
অতীতে হজযাত্রীদের নিয়ে কিছু স্বার্থন্বেসী মহল, দালাল-প্রতারকদের প্রতারণা, হজযাত্রী পরিবহনে চরম বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের ঘটনার স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ২০০৯ সালে আমাদের সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই হজ ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্বমানে উন্নতি করতে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন। এরমধ্যে রয়েছে- ই-হজ ব্যবস্থাপনা, হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন, নিবন্ধন, ই-হেলথ প্রোফাইল তৈরি, ই-টিকিট, হজযাত্রী পরিবহন, মক্কা-মদিনায় আবাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসা সেবা প্রদানসহ সকল ক্ষেত্রে ই-হজ ব্যবস্থাপনা। পাশাপাশি জেদ্দায় পৃথক হজ অফিস স্থাপন এবং সেখানে একজন কাউন্সিলর (হজ) ও একজন কনসাল জেনারেল (হজ) নিয়োগ দেয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।সুত্রঃবাসস

টিকিট কালোবাজারিদের প্রতিরোধে যাত্রীদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান রেলমন্ত্রীর
                                  
ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিদেরকে প্রতিহত করতে যাত্রীদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন মনে করেন, যাত্রীদের সহযোগিতা ছাড়া এই সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে রেল সেবা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, যারা ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করছে, তাদের ধরিয়ে দিন। কালোবাজারিদের কাছ থেকে ট্রেনের টিকিট কিনবেন না।…শুধু রেল কর্তৃপক্ষ প্রতিরোধ গড়ে তুললেই কালোবাজারি নির্মূল সম্ভব নয়। যাত্রীদের পক্ষ থেকেও প্রতিরোধ হতে হবে। নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, আগামী বছর জুনে ঢাকা থেকে কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন চালু করা সম্ভব হবে। খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত রেললাইনও জুনে চালু হয়ে যাবে। সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া পর্যন্ত নতুন রেল লাইন নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সারা দেশের মিটার গেজ রেললাইনকে পর্যায়ক্রমে ব্রডগেজে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৫ নভেম্বর রেলওয়ের জন্য ঐতিহাসিক একটি দিন। ১৮৬২ সালের এই দিনে ব্রিটিশ সরকার সর্বপ্রথম এ অঞ্চলে ট্রেন চালু করেছিল। একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা জরুরি। একসময় রেল অবহেলিত ছিল, রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আলাদা মন্ত্রণালয় করে দেওয়ার পর রেলওয়ের উন্নতি হচ্ছে। বর্তমানে রেলের অনেকগুলো প্রকল্প চলমান রয়েছে।  
রেলমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-টঙ্গীর মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ রেললাইন, টঙ্গী জয়দেবপুরের মধ্যে দ্বিতীয় রেল লাইন নির্মিত হচ্ছে। যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু ডাবল লাইন নির্মিত হচ্ছে‌। এটি নির্মিত হলে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে পূর্বাঞ্চলের রেল যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় আগামী জুনে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত রেলসেবা চালু হয়ে যাবে। 
অগ্নিনির্বাপকারিরা দুঃসময়ের বন্ধুঃ প্রধানমন্ত্রী
                                  

অগ্নিনির্বাপণকারীদের ‘দুঃসময়ের বন্ধু’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে পূর্ণ সক্ষমতার সর্বোচ্চ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সকে সম্পূর্ণ সক্ষমতার সাথে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ‘ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২২’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
তিনি গণভবন থেকে মিরপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ট্রেনিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত মুল আয়োজনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা, সেবার ক্ষেত্র এবং কর্তব্যরতদের মর্যাদাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। কারণ আগুন লাগলে বা কোন দুর্ঘটনা বা ভূমিকম্প বা কোন কিছু ঘটলে অথবা কোন ভবন ধসে গেলে ফায়ার সার্ভিসই সকলের আগে ছুটে যায়। এমনকি কোন জাহাজ বা লঞ্চ যখন দুর্ঘটনায় পড়ে তখনও এই ফায়ার সার্ভিসকেই আমরা পাই। তাই তাদেরকে আরো যুগোপযোগী করা একান্ত প্রয়োজন। আর সেই পদক্ষেপই আমরা নিয়েছি। এর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারণে বিভিন্ন পদক্ষেপও আমরা গ্রহণ করেছি।
তিনি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস সম্পূর্ণ সক্ষমতার উচ্চ ক্ষমতার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে যাতে রূপান্তরিত হয় সেই ব্যবস্থাই আমরা গ্রহণ করেছি। প্রতিটি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠার যে ঘোষণা আমরা দিয়েছিলাম তা এখন শেষ পর্যায়ে। যারা এই কাজে সম্পৃক্ত তারা যেন উন্নত মানের প্রশিক্ষণ ও যন্ত্রপাতি পান সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা বঙ্গবন্ধু ফায়ার একাডেমী প্রতিষ্ঠারও উদ্যোগ নিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী সীতাকুন্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে সাম্প্রতিক বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডে কর্তব্যপালনকালে নিহত ৩০ জন অগ্নিনির্বাপণ কর্মীকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। তিনি তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও নিরাপত্তা সেবা বিভাগের সচিব আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীতাকুন্ডে সাম্প্রতিক বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকান্ডে নিহত ১৩ জন অগ্নি বীরের পরিবার সহ ৪৫ জন দমকল কর্মীর হাতে ৪টি কাটাগরিতে
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স পদক-২০২২ তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী বাহিনীর কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন এবং রাষ্ট্রীয় সালাম গ্রহণ করেন। 
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ উন্নত, আধুনিক, প্রযুক্তি সুবিধা সম্বলিত বিশ্বমানের অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছি। সর্বশেষ আমরা বিশ্বের সর্বাধিক উচ্চতার ৬৮ মিটারের লেডার সম্বলিত টিটিএল গাড়ি ফায়ার সার্ভিসের বহরে যোগ করেছি। ৬৮ মিটারের ৫টি গাড়ি ক্রয় করা হয়েছে। এছাড়া এ অর্থবছরেই ১১টি টার্নটেবল লেডার (টিটিএল) ক্রয়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ২টি রিমোট কন্ট্রোল ফায়ার ফাইটিং ভেহিক্যাল দেয়া হয়েছে। নদী পথে সক্ষমতা বাড়াতে ২৪টি রেসকিউ বোট ও ১০টি ফায়ার ফ্লোট কেনা হয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, লিঙ্গ সমতা দূর করতে ‘ফায়ারম্যান’ পদের নাম ‘ফায়ার ফাইটার’ করা হয়েছে। পরিদর্শকের সংখ্যা ৫০ থেকে ২৬৮, ডুবুরির সংখ্যা ২৫ থেকে ৮৫, অ্যাম্বুলেন্স সংখ্যা ৫০ থেকে ১৯২, আগুন নেভানোর পানিবাহী গাড়ি ২২৭ থেকে ৬১৭ এবং ফায়ার পাম্প ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৫৪৬টিতে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগে ফায়ার সার্ভিসের কেমিক্যাল টেন্ডার, ব্রিদিং টেন্ডার, ফোম টেন্ডার, হ্যাজমেট টেন্ডারের মত বিশেষ ধরণের কোনো গাড়ি ছিল না। আমরা এ ধরণের ৩৫টি বিশেষায়িত গাড়ি প্রদান করেছি। যুগের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে একসময়ের অবহেলিত এই প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা একটি সম্মানজনক স্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা (ফায়ার ফাইটার) নিজেদের জীবনবাজি রেখে মানুষের কল্যাণ করে মানুষকে উদ্ধার করে। একটি মহৎ কাজে তারা নিয়োজিত রয়েছেন। কাজেই ফায়ার সার্ভিসের প্রতিটি সদস্যই দু:সময়ের বন্ধু হিসেবে মানুষের কাছে প্রতীয়মান। তাই ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আমরা বিদেশী সহায়তাও কাজে লাগিয়েছি। 

‘আরবান বিল্ডিং সেফটি’ প্রকল্পের আওতায় জাইকার অর্থায়নে ফায়ার সার্ভিসের জন্য বহুতলবিশিষ্ট সদর দপ্তর ভবন নির্মাণ, বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন পুনর্র্নিমাণ ও রেট্রোফিটিং এবং উঁচু মইয়ের গাড়ি ও বিশেষ পানিবাহী গাড়ি সংগ্রহ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া কোরিয়ান কো-অপারেশন এজেন্সির সহায়তায় সদর দপ্তরে একটি ইমাজেন্সি রেসপন্স কন্ট্রোল সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি তাঁর সরকার এ সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুবিধা বৃদ্ধির জন্যও কাজ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পূর্ণাঙ্গ রেশন ও ঝুঁঁকিভাতা দেয়া হয়েছে। অপারেশনাল কর্মীদের জন্য ৩ রঙের মর্যাদাপূর্ণ কমব্যাট পোশাক প্রবর্তন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পদকের সংখ্যা ও সম্মানী বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদ্ধার কাজের সুবিধার্থে জার্মানির তৈরি ৩টি জাম্বু কুশন হস্তান্তর করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টে আমরা ২০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছি। আরো ২০ কোটি টাকা এই ট্রাস্ট ফান্ডে অনুদান দেবেন বলেও অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, গত ১০ বছরে এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যগণ ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৭টি অগ্নি দুর্ঘটনায় অংশ নিয়ে ১৬ হাজার ৩০৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার সম্পদ রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। একই সময়ে এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীগণ ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৯টি অ্যাম্বুলেন্স কলের মাধ্যমে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৩৯ জন রোগী হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন। ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তারা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ লাখ ১৩ হাজার ৬১ জন শিক্ষার্থীকে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে মৌলিক প্রশিক্ষণ এবং পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের ৯ লাখ ২৫ হাজার ২৪০ জন কর্মীকে ২ দিনব্যাপী অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এছাড়া ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগ প্রতিরোধে হেলপিং ফোর্স হিসেবে তারা ৬২ হাজার ভলান্টিয়ার তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৪৪৯ জনকে ৩ দিনব্যাপী স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি, সারা জীবন আগুন ও ধোঁয়ায় কাজ করতে হয় বিধায় এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অনেকেই অবসর বয়সে নানা রকম রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এ কারণে আমরা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আজীবন রেশন দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। এছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের জনবল ৩০ হাজারে উন্নীত করার কাজও হাতে নেয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করেছি। আর এই সময়ই আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাই। এই মর্যাদাকে ধরে রেখেই আমরা ২০৪১ সালে সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। এটাই আমাদের প্রত্যয় এবং লক্ষ্য। 
তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় যেকোন ঝুঁকি হ্রাস করা, মানুষের নিরাপত্তা দেয়া সেই সাথে উন্নয়নের কাজগুলো দ্রুত এবং ত্বরান্বিত করা এবং মানসম্মত করাই আমাদের সকলের প্রচেষ্টা। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এদেশের প্রতিটি ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে বিনা পয়সায় ঘর তৈরী ও জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।
সরকারের লক্ষ্য একটি মানুষও ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবেনা,’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা সকল ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়টা হলো আমাদের উন্নয়নের গতি কিছুটা হলেও শ্লথ হয়ে গিয়েছে। করোনা ভাইরাসের অভিঘাত, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এবং স্যাংশন, কাউন্টার স্যাংশনের ফলে বিশ^ব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। এই মন্দা মোকাবেলায় এখন থেকেই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাঁর দেশের প্রতিটি মানুষ সুন্দর ভাবে বাঁচবে, উন্নত জীবন পাবে, শিক্ষা-দীক্ষায় উন্নত হবে- সেই লক্ষ্য ইনশাল্লাহ আমরা বাস্তবায়ন করবো।

 

গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৮ জনের মৃত্যু
                                  

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে ২১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৬৯২ জন।

 মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের দেওয়া প্রতিবেদনে ডেঙ্গুবিষয়ক এমন তথ্য উঠে আসে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৫১ জনে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৩৭২ জন ঢাকার বাসিন্দা। অপর দিকে ঢাকার বাইরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩২০ জন। এনিয়ে বর্তমানে ঢাকায় এক হাজার ৬৩৮ জন এবং ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি আছেন এক হাজার ২১৩ জন।

চলতি বছরের হিসেবে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৯২ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৬ হাজার ৯২৮ জন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২১ জুন ডেঙ্গুতে দেশে প্রথম মৃত্যু ঘটে। ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা যায়নি। তবে ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গুতে ২৮ হাজার ৪২৯ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের।

১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি অফিস ৯-৪টা
                                  

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর – সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি নতুনকরে নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে সকাল ৯টায় অফিস শুরু হয়ে শেষ হবে বিকাল ৪টায়। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৩ সালের অফিসের এ নতুন সময়সূচি অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। শীত চলে আসায় আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে। বর্তমানে অফিস সময়সূচি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।

তিনি বলেন, ৯টা থেকে ৪টার এই সূচি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসের জন্য। সুপ্রিম কোর্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক, স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী সময়-সূচি নির্ধারণ করবে।

১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি অফিস ৯-৪টা
                                  

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর – সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি নতুনকরে নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে সকাল ৯টায় অফিস শুরু হয়ে শেষ হবে বিকাল ৪টায়। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৩ সালের অফিসের এ নতুন সময়সূচি অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। শীত চলে আসায় আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে। বর্তমানে অফিস সময়সূচি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।

তিনি বলেন, ৯টা থেকে ৪টার এই সূচি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসের জন্য। সুপ্রিম কোর্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক, স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী সময়-সূচি নির্ধারণ করবে।

ঠিকই আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারে নাই: প্রধানমন্ত্রী
                                  

অনেক বাধা অতিক্রম করে এবং নিজস্ব অর্থায়নে পায়রা সমুদ্রবন্দরের কাজ শুরু হয় বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বলেছিলেন, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। ঠিকই আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারে নাই।’ আজ বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি পায়রা বন্দরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনের সময় এই কথা বলেন।

 প্রায় ১১ হাজার ৭২ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের মধ্যে রয়েছে বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং, আটটি জাহাজের উদ্বোধন, প্রথম টার্মিনাল এবং ছয় লেনের সংযোগ সড়ক ও একটি সেতু নির্মাণ। প্রধানমন্ত্রী এর মধ্যে কয়েকটি কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন এবং কয়েকটি কাজের উদ্বোধন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা থেকে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য একটি ফান্ড করা হয়। এই ফান্ডের নাম বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড। সেখান থেকে স্বল্প সুদে ঋণ হিসেবে টাকা দেওয়া হয়েছে পায়রা বন্দরের উন্নয়নে।

পায়রা বন্দরে ড্রেজিং কাজ শুরু ও আটটি জাহাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী

পায়রা বন্দরে ড্রেজিং কাজ শুরু ও আটটি জাহাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী

 প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু তৈরি করেছি। বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড এটা দিয়ে পায়রা বন্দরের কাজটা আমরা শুরু করলাম। ভবিষ্যতে আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে এই ফান্ড কাজে লাগাতে পারবো।

সরকারপ্রধান বলেন, রিজার্ভের টাকা গেছে পায়রা বন্দরে, খাদ্য আমদানিতে। অনেকেই জানতে চায়, রিজার্ভের টাকা গেলো কোথায়। তাদের বলতে চাই, এটা কেউ চিবিয়ে খায়নি। রিজার্ভের টাকা গেছে আমদানিতে, মানুষের কাজেই এটা লাগাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব এটা জাতির পিতা উপলব্ধি করেছিলেন।...২১ বছর পর আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠনের সুযোগ পায়। সুযোগ পাওয়ার পরই আমাদের লক্ষ্য ছিল সমুদ্রে আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। পায়রা বন্দরটা আসলে তৈরির চিন্তা যখন করি, অনেকেই বাধা দিয়েছে। এখানে সিলড, এখানে নৌ চলাচলের সুযোগ করা যাবে না, এসব বলেছে। তবে আমি নিজে এখানে প্রতিটা নদীতে ঘুরেছি। স্পিডবোটে করে করে প্রত্যেকটা চরে গিয়েছি। দেখেছি এখানকার অবস্থা। জাতির পিতার কাছে ছোটোবেলায় এই এলাকার কথা অনেক শুনেছি।

তিনি বলেন, এখানে বন্দর করা যায় কিনা বলার পর সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান নিজে এই এলাকা পরিদর্শনে আসেন।...নৌ পরিবহনের নিজেদের টাকায় কাজটা শুরু করে। অনেক বাধা ছিল, অতিক্রম করে কাজ শুরু করি। ২০১৬ সাল থেকে নিয়মিত জাহাজ আসতে থাকে।...পায়রা বন্দরের পাশেই পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র করে দিয়েছি। মূলত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা পরিবহন দিয়েই এই বন্দরের কাজটা শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কেউ বিশ্বাসই করতে পারে নাই এখানে একটা বন্দর হতে পারে। আমার নিজের ভেতরেই অনেক বাধা ছিল। বাবার কাছে ছোটোবেলায় গল্প শুনেছি, নদীতে ড্রেজিং হতো। গভীরতাটা খুব জরুরি। অনেকে বলেছে ড্রেজিং করে দিলে পরে আবার সিলড হয়ে যাবে। তবে প্রথমে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করতে হবে, পরে নিয়মিত ড্রেজিং অব্যাহত রাখতে হবে। পয়রা বন্দরে দেশের সর্ববৃহৎ ড্রেজিংয়ের কাজ হচ্ছে।

আজ যে আটটি জাহাজের উদ্বোধন করা হলো তার মধ্যে সাতটি আমাদের দেশে তৈরি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি নৌপথকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেই। এটা সবচেয়ে কম খরচে করা যায়। শুধু সড়কে না, সব দিক থেকেই একটা যোগাযোগ করতে পারছি এই অঞ্চলের সঙ্গে। এই অঞ্চলে শিল্পকারখানা হচ্ছে, পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ছে। এখানে একটা জায়গা আছে স্বর্ণদ্বীপ, যা স্থানীয়োবে সোনার চর নামে পরিচিত। সেখানে সূ্র্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায় একই সঙ্গে। এখানে পর্যটনের সুযোগ আছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশে নৌপথ সচল করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পর্যটন বাড়ানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সারাবিশ্বে হঠাৎ করে সব জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। করোনা আছে, এর মধ্যে মড়ার ওপর খাড়ার ঘা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। স্যাংকশান। এটার জন্য অস্ত্র ব্যবসায়ীরা হয়তো লাভবান হচ্ছে। কিন্তু কষ্ট হচ্ছে সবার। আমরা বলেছি, যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, স্যাংকশান তুলে নিতে হবে।

রাজশাহী-ঢাকা রুটে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়, চরম বিড়ম্বনায় যাত্রীরা
                                  
রাজশাহী-ঢাকা রুটে চলাচলকারি সোমবারের সিল্কসিটি ট্রেনের চাকা অকেজো হয়ে যাওয়া এবং  সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনার জের ধরে পশ্চিমাঞ্চল রেলে চলাচলকারি অধিকাংশ দূরপাল্লার ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় হয়েছে। প্রতিটি ট্রেন ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করছে। পরিস্থিতি এতটাই বেসামাল হয়ে পড়েছে যে ২৫ অক্টোবর  সকালের  চাঁপাইনবাবগঞ্জ ঢাকা রেলরুটের   আন্তঃনগর বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রা  বাতিল করতে হয়েছে। এতে শত শত যাত্রী চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। রেল কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে যাত্রীদের  টিকিটের দাম ফেরত দিয়েছে। এদিকে ট্রেনের স্বাভাবিক গতি ও চলাচল বিঘ্ন ঘটায় আজ সকালের রাজশাহী-ঢাকা রুটের সিল সিটি ট্রেন ৫ ঘণ্টা বিলম্বে রাজশাহী ছেড়েছে। এ ব্যাপারে পশ্চিম রেলের জেনারেল ম্যানেজার অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা চলছে।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
                                  

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় ও ত্রাণ মনিটরিং সেল’ নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে।

 এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম গণমাধ্যমকে জানান, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন শেখ হাসিনা।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২৪ ঘণ্টা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় ও ত্রাণ মনিটরিং সেল নামে একটি মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে।

ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাঠপর্যায় থেকেও তথ্য নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরকে সার্বক্ষণিক বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিচ্ছেন।

সবাইকে সেলের হটলাইন নম্বরের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এগুলো হলো: ০১৭৬৯-০১০৯৮৬, ০২-৫৫০২৯৫৫০ ও ০২-৫৮১৫৩০২২। ফ্যাক্স নম্বর ০২-৯১০২৪৬৯।


   Page 1 of 141
     জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়লো এক মাস
.............................................................................................
এসএসসির ফল প্রকাশ : পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ
.............................................................................................
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর
.............................................................................................
ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভোগান্তি থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সামান্যতম দুর্ভিক্ষের চিহ্ন বাংলাদেশে নেই : কৃষি মন্ত্রী
.............................................................................................
হজযাত্রীদের হয়রানি করলে কঠোর শাস্তি: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
ইসলামের অপব্যাখ্যা প্রতিরোধ করে এর মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণ করুন : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
টিকিট কালোবাজারিদের প্রতিরোধে যাত্রীদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান রেলমন্ত্রীর
.............................................................................................
অগ্নিনির্বাপকারিরা দুঃসময়ের বন্ধুঃ প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৮ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি অফিস ৯-৪টা
.............................................................................................
১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি অফিস ৯-৪টা
.............................................................................................
ঠিকই আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারে নাই: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
রাজশাহী-ঢাকা রুটে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়, চরম বিড়ম্বনায় যাত্রীরা
.............................................................................................
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
মোংলা ও পায়রায় ৭ এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সুমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত
.............................................................................................
সিপিসি’র সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত হওয়ায় চীনের প্রেসিডেন্ট শিকে প্রধানমন্ত্রী’র অভিনন্দন
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে ‘ইকো টুরিজম পার্ক’ উদ্বোধন
.............................................................................................
চার বন্দরে সতর্ক সংকেত
.............................................................................................
গাজীপুরে বগি লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ
.............................................................................................
হাসপাতালে ঠাঁই নেই, তবুও ডেঙ্গু রোগী আসছে: স্বাস্থ্য সচিব
.............................................................................................
যার যতটুকু জমি আছে সেখানে কিছু উৎপাদনের চেষ্টা করুন: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সাধারণ মানুষের প্রতি শেখ রাসেলের ছিল প্রগাঢ় ভালোবাসা
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী-ব্রুনাই সুলতান বৈঠক : দেবে জ্বালানি নেবে কর্মী
.............................................................................................
দেশ যাতে দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি না হয়, প্রস্তুত থাকুন : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বঙ্গভবনে দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে মার্কিন সরকারের প্রতি আহ্বান
.............................................................................................
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে দেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
.............................................................................................
ডিএমপি কমিশনার হিসেবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান
.............................................................................................
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কন্যা শিশুদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য`
.............................................................................................
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কন্যা শিশুদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য`
.............................................................................................
দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
শুরু হলো শারদোৎসব, আজ মহাষষ্ঠী
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ
.............................................................................................
ইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
স্রোতে ভেসে আসা ৭ জনের লাশ মিলল দিনাজপুরে
.............................................................................................
আপত্তির মুখে সাশ্রয় দুই কোটি টাকা
.............................................................................................
রানীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, শোক বইতে স্বাক্ষর
.............................................................................................
আইজিপি হচ্ছেন র‌্যাব ডিজি আবদুল্লাহ আল-মামুন
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষা: প্রশ্ন ফাঁসের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান
.............................................................................................
কমানো হলো ঢাকা-বরিশাল রুটে লঞ্চের সংখ্যা
.............................................................................................
সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম নামলেও দেশে চড়া
.............................................................................................
‘জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে নজির সৃষ্টি করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা’
.............................................................................................
দেশে টিকা আমদানি করা হয়েছে ৩২ কোটি ডোজ
.............................................................................................
ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্টোলের মূল্য প্রতি লিটারে ৫টাকা সমন্বয় করা হলো
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আবদুল মালেক, সুগ্ম সম্পাদক: মো: জাহাঙ্গীর আলম শাহ। সম্পাদক কর্তৃক ২৪৪ (২য় তলা), ৪নং জাতীয় স্টেডিয়াম, কমলাপুর, ঢাকা-১২১৪
থেকে প্রকাশিত এবং স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
মোবাইল: ০১৮৪১৭৪৯৮২৪, ০১৮৪১৭৪৯৮২৫ ই-মেইল: ই-মেইল: noboalo24@gmail.com,
bmengineering77@gmail.com, ওয়েবসাইট www.dailynoboalo.com


   All Right Reserved By www.dailynoboalo.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale