বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   বুধবার, ৪ অগাস্ট 2021 | ,২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   নগর - মহানগর -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দনিয়া ইউনিয়নে ১২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাথে নব-সংযুক্ত দনিয়া ইউনিয়নে ১২৪ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
শনির আখড়ার আর এস শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এক অনুষ্ঠানে আজ বিকেলে মেয়র এই উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।
রাজধানীর আধুনিকতম সুযোগ-সুবিধা নব-সংযুক্ত ইউনিয়নগুলোতেও নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে মেয়র জানান, এই প্রকল্পের আওতায় সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, এলইডি বাতি স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হবে বলে অনুষ্ঠানে মেয়র জানান।
তিনি বলেন, আজ যে প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে এর আওতায় দনিয়া এলাকার ১২ থেকে ৩০ ফুট প্রস্থের ২৬ দশমিক ৯১ কিলোমিটার আয়তনের আরসিসি/সিসি ঢালাইয়ের ১১০টি রাস্তা নির্মাণ, সড়কের ৩০ দশমিক ৬০ কিলোমিটার নর্দমা ও ফুটপাথ নির্মাণ, ২৬ দশমিক ৯১ কিলোমিটার সড়কে ১ হাজার ৫৭৬টি এলইডি সড়কবাতি স্থাপন করা হবে।
ইতোপূর্বে ডেমরা, সারুলিয়া এবং মাতুয়াইল ইউনিয়নেও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন কাজের এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান প্রকৌশলী ফরাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক বোরহান আহমেদসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং কর্পোরেশনের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দনিয়া প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত মেরাজ নগর, আব্দুল্লাহপুর, গোবিন্দপুর, কুতুবখালী, কাজলা, রায়েরবাগ,পলাশপুর, স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকা, পাটেরবাগ, শনির আখড়া, নূরপুর ব্যাংক কলোনী, নূরবাগ মসজিদ এলাকা, নাসির উদ্দিন রোড, দনিয়া প্রধান সড়ক, তিতাস গ্যাস রোড, মেডিহোপ হসপিটাল রোড, জুরাইন সুইট স্টোর রোড, হাবিবুর রহমান মোল্লা রোড এবং রায়েরবাগ প্রধান সড়ক এলাকায় উন্নয়ন কাজ করা হবে।
মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, কর্পোরেশনের সাথে নব-সংযুক্ত ৮টি ইউনিয়নের অধিবাসীদের সব ধরনের নাগরিক সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে কর্পোরেশন বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

দনিয়া ইউনিয়নে ১২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন
                                  

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাথে নব-সংযুক্ত দনিয়া ইউনিয়নে ১২৪ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
শনির আখড়ার আর এস শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এক অনুষ্ঠানে আজ বিকেলে মেয়র এই উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।
রাজধানীর আধুনিকতম সুযোগ-সুবিধা নব-সংযুক্ত ইউনিয়নগুলোতেও নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে মেয়র জানান, এই প্রকল্পের আওতায় সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, এলইডি বাতি স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হবে বলে অনুষ্ঠানে মেয়র জানান।
তিনি বলেন, আজ যে প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে এর আওতায় দনিয়া এলাকার ১২ থেকে ৩০ ফুট প্রস্থের ২৬ দশমিক ৯১ কিলোমিটার আয়তনের আরসিসি/সিসি ঢালাইয়ের ১১০টি রাস্তা নির্মাণ, সড়কের ৩০ দশমিক ৬০ কিলোমিটার নর্দমা ও ফুটপাথ নির্মাণ, ২৬ দশমিক ৯১ কিলোমিটার সড়কে ১ হাজার ৫৭৬টি এলইডি সড়কবাতি স্থাপন করা হবে।
ইতোপূর্বে ডেমরা, সারুলিয়া এবং মাতুয়াইল ইউনিয়নেও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন কাজের এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান প্রকৌশলী ফরাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক বোরহান আহমেদসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং কর্পোরেশনের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দনিয়া প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত মেরাজ নগর, আব্দুল্লাহপুর, গোবিন্দপুর, কুতুবখালী, কাজলা, রায়েরবাগ,পলাশপুর, স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকা, পাটেরবাগ, শনির আখড়া, নূরপুর ব্যাংক কলোনী, নূরবাগ মসজিদ এলাকা, নাসির উদ্দিন রোড, দনিয়া প্রধান সড়ক, তিতাস গ্যাস রোড, মেডিহোপ হসপিটাল রোড, জুরাইন সুইট স্টোর রোড, হাবিবুর রহমান মোল্লা রোড এবং রায়েরবাগ প্রধান সড়ক এলাকায় উন্নয়ন কাজ করা হবে।
মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, কর্পোরেশনের সাথে নব-সংযুক্ত ৮টি ইউনিয়নের অধিবাসীদের সব ধরনের নাগরিক সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে কর্পোরেশন বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

মেয়রের সামনে দুটি নতুন চ্যালেঞ্জ
                                  

সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম মহানগরের দুটি বড় সমস্যা বা আলোচিত বিষয় হচ্ছে অসহনীয় ও ভয়াবহ যানজট এবং ফুটপাতসহ রাস’া দখলকারী হকারদের বিশৃঙ্খলা। একদিকে রাস্তাঘাট দখল করে হকারদের ব্যবসা, অন্যদিকে নগরীর মোড়ে মোড়ে গাড়ির অবৈধ পার্কিং নগরবাসীর জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এতে করে নষ্ট হচ্ছে কর্মজীবী মানুষের কর্মঘণ্টা।
গত মাসে নগরীর যানজট ও হকারদের বিশৃঙ্খলা নিয়ে চট্টগ্রামের সংবাদপত্রগুলো একযোগে প্রকাশ করেছে অভিন্ন প্রতিবেদন। যা সুধীমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনেক সুধীজন এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেছিলেন, অন্তত চট্টগ্রামের সংবাদপত্রগুলো এক হতে পেরেছে। প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হওয়ার পর কিছুটা হলেও টনক নড়ে প্রশাসনের। নগরীর কিছু কিছু মোড়ে ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত তৎপরতাও দেখা গিয়েছিল। এরপর প্রশাসনের আর কোন তৎপরতা চোখে পড়ছে না।
পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচল ও দুর্ঘটনা রোধে ফুটপাত নির্মাণ করা হয়। কিন’ সেই ফুটপাতের সবটুকুই চলে গেছে হকার বা দোকানদারদের দখলে। রাস্তায়ও অবস’ান করছেন হকাররা। ফলে বাধ্য হয়ে পথচারীরা নামছে রাস্তায়। এতে স্বাভাবিক যানচলাচল ব্যাহত হয়ে নিত্য যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নগরীর রাস্তাঘাট মেরামত, আলোকায়ন ও ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহ অগ্রাধিকার দিলেও পরিবহনে ভয়াবহ যানজটের ভার বরাবরই ট্রাফিক বিভাগের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে আসছেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তবে সাম্প্রতিককালে মন্ত্রীর কথায় জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে যানজট নিরসনের মূল দায়িত্বে আছেন মেয়র। কয়েকদিন আগে একটি সভায় যানজট নিরসনে মেয়রকে প্রধান করে মন্ত্রী কর্তৃক গঠন করে দেওয়া কমিটি অনেক সময় পার হলেও কোন বৈঠক না করায় দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন ওবাায়দুল কাদের। নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন সভা-সমাবেশে মেয়র হকারদের শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনতে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।
তিনি বলেছিলেন, ‘চট্টগ্রামের রাস্তায় কোন হকার থাকবে না। যত্রতত্র ব্যবসা করা এসব হকারকে নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। ঈদের পর তাদের একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনার কথা ছিল। রোজার সময় মেয়র বলেছিলেন, ঈদের পরই শুরু হচ্ছে হকারদের শৃঙ্খলা আনয়নের কাজ। কিন্তু রোজার ঈদের প্রায় আড়াই মাস পার হলেও এখনো হকারদের নীতিমালার আওতায় আনতে পারেনি চসিক।
ফলে নগর পরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে মন্ত্রীর দেওয়া দায়িত্ব ও হকারদের নীতিমালার আওতায় আনতে দুটি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। আশার কথা হলো, এ দুটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকসহ বিআরটিএ’র কর্মকর্তাদের পাশে পাচ্ছেন মেয়র। ইতিমধ্যে মেয়র সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরকে বিলবোর্ড মুক্ত করে প্রধানমন্ত্রীসহ দেশবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ডোর টু ডোর বর্জ্য অপসারণের জন্য পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগে বাধা দুর হয়েছে। স’ানীয় সরকার বিভাগের সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন হচ্ছে। দ্বিতীয় দফায় ৫৩০ কোটি টাকার প্রকল্পের অনুমোদন পেয়েছেন চসিক। তাই নগরবাসী এখন মেয়রের দিকে তাকিয়ে আছেন, নগর পরিবহনে ও হকারদের শৃঙ্খলায় আনয়নে মেয়র কিভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেন।
গতকাল বুধবার মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরীর যানজট নিরসনে গঠিত কমিটির প্রথম সভা করেন। এর আগে হকারদের একটি নীতিমালায় আনার জন্য বারবার হকার সমিতি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঈদের আগে ও পরে বৈঠকও করেছেন। তবে তাতে কোন ফলাফল আসেনি।
বৈঠকে মেয়র বলেছিলেন, হকারদের বিকেল ৫টা বা ৬টা থেকে রাত ১১ পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ দেয়া হবে। অর্থাৎ দিনে কোন হকার সড়ক কিংবা ফুটপাতে থাকবে না। এতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্কুল কলেজ এবং অফিসগামী মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবে। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভ্যানে করে হকাররা জিনিসপত্র বিক্রি করবে। এরপর মালামাল নিয়ে তারা চলে যাবে। নির্দিষ্ট সময়ের আগে কোন অবস’াতেই রাস্তায় বা ফুটপাতে বসতে পারবে না।’
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেহেতু রাস্তাঘাট ও ফুটপাত দেখাশোনার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের, সেহেতু যানজট নিরসন করতে সিটি করপোরেশন আইনের প্রয়োগ করতে পারে। ফুটপাত দখলমুক্ত করাও সিটি করপোরেশনের কাজ।
যানজট নিরসন ও হকারদের শৃঙ্খলায় আনার বিষয়ে মেয়রের ভূমিকা নিয়ে নগর পরিকল্পনাবিদ সুভাষ বড়-য়া বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরের যানজট নিরসনের জন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও মেয়রের সদিচ্ছা প্রয়োজন। শুনেছি মন্ত্রী দায়িত্ব দিয়েছেন মেয়রকে। এখন মেয়র কি সিদ্ধান্ত নেন জানি না। যানজট নিরসনের জন্য প্রয়োজন ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট। মোড়ে মোড়ে পার্কিং বন্ধ করতে হবে। আইনপ্রয়োগ বাধ্যমূলক করতে হবে। এখানে মেয়রের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। এক্ষেত্রে কারো সাথে আপোষ করার প্রয়োজন নেই। কারো সাথে বসার প্রয়োজন নেই। তবে হকারদের সমস্যার কথা শুনতে হবে। পুলিশ দিয়ে হকার তুলে দিলে কোন সুফল আসবে না।’
নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ উল হাসান বলেন, ‘গতকাল বুধবার দুটি সভা হয়েছে। যানজট নিরসনে আমরা সিটি করপোরেশনের সাথে এক সঙ্গে কাজ করব।’
এদিকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে যানজট নিরসন ও হকারদের শৃঙ্খলা আনার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস’ত আছেন বলে জানিয়েছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। গতকাল সুপ্রভাত বাংলাদেশকে মেয়র বলেন, ‘এ দুটি বিষয়ে চ্যালেঞ্জ নিতে আমি শতভাগ প্রস’ত আছি। আমি মনে করি মানুষের অসাধ্য কিছুই নেই। আমার যোগ্যতার প্রতিফল নির্ভর করবে আমার সদিচ্ছার উপর। প্রধানমন্ত্রী আমার উপর যে আস’া রেখেছেন, তার প্রতিদান আমি জীবন দিয়ে হলেও দেব। আমি কাজ করছি। আরো লম্বা সময় পাড়ি দিতে হবে। আল্লাহ আমাকে ক্ষমতা, যোগ্যতা ও মেধা দিয়েছেন। সেগুলো প্রয়োগ করে এ দুটি ক্ষেত্রে আমি সফল হবো। জীবনে আমার কোন ব্যর্থতা নেই।’
তবে এবারও তিনি যানজট নিরসন সিটি করপোরেশনের এখতিয়ার নয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যানজট নিরসন সরাসারি দায়িত্ব নয়। নগরের একজন হিসেবে পরোক্ষভাবে এ বিষয়ে আমি অবগত আছি। মেয়রের এখতিয়ার কি? কার্যপরিধি কি? ক্ষমতা কি? সব ম্যানুয়েলে নির্ধারিত আছে। তবুও মন্ত্রী মহোদয় যেহেতু আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন, সেহেতু গত বুধবার আমি একটি সভা করেছি। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সভাটি শেষ করেছি। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ-আলোচনা করেছি। কিছু সমস্যা চিহ্নিত করেছি। সমাধানের পথও শিগগিরই বের করব। মন্ত্রীকে আমি বলেছি, আমার পক্ষে যে পদক্ষেপ নেওয়ার তা আমি নেব।’
হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হকারদের শৃঙ্খলায় আনার ব্যাপারে আমি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছি। হকারদের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই হবে। এটা বাস্তবায়ন করা সময়ের ব্যাপার। অন্যান্য অনেক বিষয়ের সাথে এটা সম্পর্কিত। এখানে পুলিশ প্রশাসনের একটি বিষয় আছে। আগামী মাসে আবার হকারদের ডাকব। তাদেরকে একটি সময় নির্ধারণ করে দেব।’
কবে হকারদের নিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন জানতে চাইলে সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন দিনক্ষণের কথা মেয়র বলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘শুরু তো করব। পরিকল্পনা তো আছে। মানুষ তো আমি একজন। সব তো আর একসাথে করা যায় না।’
অন্যদিকে, হকার নেতা সাহিন আহমেদ সুপ্রভাত বাংলাদেশকে বলেন, ‘হকারদের নীতিমালা নিয়ে মেয়র খসড়া তৈরি করছেন। খসড়া তৈরির কাজ শেষ হলে তিনি আমাদেরকে নিয়ে আবার বসবেন। তখন একটা সমঝোতা হতে পারে।’
এছাড়া গত মার্চে হকারদের শৃঙ্খলায় আনতে একটি মতবিনিময় সভা করে চসিক। রেজিস্টার্ড হকার সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল প্রকৃত হকারদের একটি তালিকা প্রণয়ন, গুরুত্বপূর্ণ ফুটপাতগুলোতে জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচলের পথ রেখে হকারদের বসার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিমাপের ভিত্তিতে জায়গা চিহ্নিত করা, সিটি করপোরেশন এবং হকারদের অর্থে হকারদের দোকানের সংখ্যার ওপর আধুনিক পদ্ধতিতে ভেহিকেল তৈরি, হকারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও ভেহিকেল প্রাপ্তির পর পুলিশ প্রশাসন, ইপিজেড কর্তৃপক্ষ ও নৌবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে হকারদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনার পদক্ষেপ বাস্তবায়ন এবং হকারদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন করা।
নগরীর নিউমার্কেট, স্টেশন রোড, বহদ্দারহাট, ২নম্বর গেইট, মুরাদপুর, চকবাজার, কাজির দেউড়ি, দেওয়ান হাট মোড়, অগ্রাবাদ, আন্দরকিল্লা, নাসিরাবাদ, কর্ণফুলী নতুন ব্রিজ, লালদীঘির দু’পাড়, জুবিলী রোড, আমতলা, তিনপুলের মাথা, বন্দর ফকিরহাট, পতেঙ্গা, ইপিজেড়, বহদ্দারহাট, অক্সিজেন মোড়সহ অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ফুটপাতে হকারদের অবৈধ স’াপনা আছে ফুটপাত-রাস্তা দখল করে।

চট্টগ্রামে সার কারখানায় আগুন
                                  

চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গাস্থ টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেডের (সার কারখানা) একটি রাসায়নিক গুদামে অগ্নিকাণ্ড ও গ্যাস নির্গতের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার পর থেকে এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পতেঙ্গা, ইপিজেট ও আগ্রবাদ স্টেশনের ৩টি ইউনিটের ৬টি গাড়ি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বরত কর্মকর্তা প্রহ্লাদ সিংহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক চলাচল নিষিদ্ধ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : যানজট নিরসন ও যাত্রীদের নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য ঈদুল আজহার আগের ৩দিন এবং ঈদের পরের ৩দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (০৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা (কুরবানির ঈদ) পালিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য-দ্রব্য, পঁচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ঔষধ, কাঁচা চামড়া এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

এছাড়া ফিটনেসবিহীন যানবাহনে কোরবানির পশু পরিবহন উৎসমূখে নিয়ন্ত্রণে মাঠ প্রশাসনকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়াসহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চেয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। 

শিক্ষকতার পেশায় দক্ষতা পাঠদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে : মেয়র
                                  

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, প্রশিক্ষণ, উচ্চশিক্ষা এবং শিক্ষকতার পেশায় দক্ষতা পাঠদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি শিক্ষকদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সততার উপর দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের আহ্বান জানান। মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বছরে ৪২ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। যা বাংলাদেশে একটি বিরল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, চসিক পরিচালিত ২১ টি কলেজের পাঠদান এবং ফলাফল অন্য যে কোন বেসরকারি কলেজের তুলনায় উন্নতমানের। পাশের হার বৃদ্ধি, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, নীতি নৈতিকতা বিষয়ে বিশেষ শিক্ষা প্রদান এবং মূল্যবোধ সম্পন্ন সুনাগরিক গড়ার দায়িত্ব সিটি করপোরেশন পালন করছে। মেয়র বলেন, শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার পূরণসহ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে চলেছে। তিনি শিক্ষকদের পাঠদানের পাশাপাশি সহ শিক্ষা কার্যক্রমে বেশি মনোযোগী হওয়ার নির্দেশনা দেন।
৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে থিয়েটার ইনস্টিটিউটে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কলেজ শিক্ষক সমিতি আয়োজিত শিক্ষক সমাবেশ, সেমিনার ও উচ্চতর ডিগ্রী প্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক প্রকৌশলী আলী আশরাফ।
চসিক শিক্ষা ও স্বাস’্য বিষয়ক স’ায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, বিজয় স্মরণী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাাঙ্গীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড চট্টগ্রাম এর কলেজ পরিদর্শক সুমন বড়-য়া এতে উপসি’ত ছিলেন।
সভায় অত্র কলেজ শিক্ষক সমিতির সহ সভাপতি প্রাবন্ধিক মোহাম্মদ আবু তালেব বেলাল ‘শিক্ষা বিস্তারে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভূমিকা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস’াপন করেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাহেদুল কবির চৌধুরী। অনুষ্ঠান উপস’াপনায় ছিলেন সেমিনার ও সংবর্ধনা প্রস’তি কমিটির সদস্য সচিব সিদ্ধার্থ কর।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কলেজ সমূহে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত উচ্চতর ডিগ্রীপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকা ও সিলেটের ট্রেন চলাচল বন্ধ
                                  

আখাউড়ায় গঙ্গাসাগর ও কসবার ইমামবাড়ী রেলস্টেশনের মাঝামাঝি জায়গায় রেললাইন অতিরিক্ত গরমে বাঁকা হয়ে গেছে। এতে আজ শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকা ও সিলেটের সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ও ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি আখাউড়া ও কসবায় আটকা পড়েছে।

আখাউড়া রেলওয়ে জংশনের ট্রেন নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কেবিন মাস্টার জসীম উদ্দিন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আখাউড়া থেকে রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।


নগরের চেনা দৃশ্য বদলে দিচ্ছেন মেয়র আনিসুল
                                  

সংস্কার কাজে রাস্তা খোঁড়া হলেও রাস্তাজুড়ে মাটির স্তূপ নেই। যান চলাচলে ব্যাঘাত নেই। শুধু তাই নয়, দিনের আলোতে এসব কাজ করার অনুমতিও নেই। রাতেই কাজ শেষ করে, দিনে যান চলাচলের উপযোগী করে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের এটাই শর্ত।

আর এ শর্ত মানতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে রাজি করিয়ে চেনা দৃশ্য বদলে দিচ্ছেন ঢাকা উত্তরের (ডিএনসিসি) নগরপিতা আনিসুল হক। গত শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর ডিএনসিসির কয়েকটি রাস্তা ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা যায়। রাত ১২টার কিছু পরই বনানী ১৮ নম্বর রোডে গিয়ে দেখা গেল, নিয়ন আলোর নিচে চলছে ওয়াসার পাইপ বসানোর কাজ। একইসঙ্গে চলছে রাস্তা সংস্কারও।

শ্রমিকরা একদিকে মাটি খুঁড়ছেন, মাটি ভরছেন। আবার ঠিক তেমনি রাস্তায় পড়ে যাওয়া বাড়তি মাটি সঙ্গে নিয়ে ট্রাকে তুলছেন। কারণ জানতে চাইলে ঠিকাদার নাসিরউদ্দিন বলেন, খোঁড়াখুঁড়ির কাজ যতটা সম্ভব রাতে শেষ করতে হবে। সেটা সম্ভব না হলেও রাস্তা খুঁড়ে মাটির স্তূপ করা যাবে না। কাজ শেষে রাস্তা পরিচ্ছন্ন করতে হবে, যেন পরদিন সকাল থেকেই স্বাভাবিক যান চলাচল করতে পারে।

উত্তর সিটি করপোরেশনের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রেও সহজ এবং স্বাভাবিক নিয়ম মেনে টেন্ডার দেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন ঠিকাদাররা।একাধিক ঠিকাদার বলেন, আগে সর্বনিম্ন খরচ দেখাতে না পারলেও কিছুটা খরচ করে কাজ পাওয়া যেত। এখন উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব মেয়র আনিসুল হকের হাতে আসার পর থেকে খরচ করে কাজ নেওয়ার সুযোগ আর নেই।

স্বাভাবিক নিয়মে টেন্ডার কিনে সর্বনিম্ন রেটে কাজ দেখাতে পারলেই কাজ পাওয়া যায়। বনানী এলাকার আরেক ঠিকাদার আবুল কাশেম বলেন, গভীর রাত হলেও নিজ থেকেই কাজ তদারকি করছি। না করে উপায় নেই। হঠাৎ করে কোনো একটা ভুল হলে কাজের অর্ডার কিংবা লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে মেয়রের হুমকি আছে। স্বাভাবিক নিয়মে কাজ পাওয়ায় খুশি হয়েছি।

   Page 1 of 1
     নগর - মহানগর
দনিয়া ইউনিয়নে ১২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন
.............................................................................................
মেয়রের সামনে দুটি নতুন চ্যালেঞ্জ
.............................................................................................
চট্টগ্রামে সার কারখানায় আগুন
.............................................................................................
ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক চলাচল নিষিদ্ধ
.............................................................................................
শিক্ষকতার পেশায় দক্ষতা পাঠদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে : মেয়র
.............................................................................................
চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকা ও সিলেটের ট্রেন চলাচল বন্ধ
.............................................................................................
নগরের চেনা দৃশ্য বদলে দিচ্ছেন মেয়র আনিসুল
.............................................................................................