|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * করোনায় মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্ত ৩৫   * সাক্কুকে আজীবনের জন্য বিএনপি থেকে বহিষ্কার   * বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে: বিএসসিএল   * ফিলিস্তিনে সাংবাদিক শিরিন হত্যাকান্ডের নিন্দায় বাংলাদেশ   * টানা ২৬ দিন করোনায় মৃত্যু শূন্য দেশ   * করোনায় টানা ২৫ দিন মৃত্যুশূন্য, শনাক্ত ৩৩   * দেশে করোনা শনাক্ত ১৮, ঢাকায় ৯   * শিশুদের খেলাধূলায় উৎসাহিত করুন : প্রধানমন্ত্রী   * সম্রাটের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলায় জামিন   * করোনায় মৃত্যু নেই, শনাক্ত ৩৩  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রমজানে বেড়েছে সব ধরনের ফলের দাম

কয়েক মাস ধরেই নিত্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির এই ধারা দিন দিন বেড়েই চলছে। রমজানেও দাম বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের। এর প্রভাব পড়েছে ফলের বাজারেও। রমজানে ফলের চাহিদা থাকলেও দামের কারণে ক্রেতার নাভিশ্বাস। পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে কোনো কোনো ফলের দাম। ফলে বেশি দামের কারণে ফল কেনা থেকে বিরত থাকছেন ক্রেতারা।

 রোজায় ফলের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম বলে দাবি করছেন পাইকারি ফল বিক্রেতারা। আবার খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তদারদের কারণেই বাড়ছে ফলের দাম। তাদের দাবি, সিন্ডিকেটের জন্যই পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের বেশি দামে ফল কিনতে হচ্ছে। এ কারণে দাম বেড়েছে বাজারে।

আইনে বলা আছে, ফল কেজি বা পিস যেভাবেই কিনবে, সেভাবেই বিক্রি করতে হবে। কিন্তু ফলের বাজারে এ আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে।

তবে উভয় ধরনের বিক্রেতারাই বলছেন, রোজার শুরুতে ফলমূল বেশি কেনার তাড়া থাকলেও মাঝামাঝি সময়ে চাহিদা কমতে পারে। সেসময় অধিকাংশ ফলের দামও কিছুটা কমতে পারে।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আপেল, আঙুর, মালটা, খেজুর, পেয়ারা, আনারস, তরমুজ, কলা পেঁপেসহ রোজায় যেসব ফল বেশি বিক্রি হয় তার প্রায় সবগুলোরই দাম বেড়েছে। এর মধ্যে খেজুরের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আজওয়া খেজুর আগে যে দামে বিক্রি হতো এখন তা দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে । মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে। হাব্বার খেজুর প্রতি কেজি এক হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার কালভী খেজুরের দাম বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা। রোজায় ইফতারের প্রধান ফল খেজুরের সব ধরনেরই দাম বেড়েছে ।

খেজুরের মতো বেড়েছে আপেলের দাম। প্রতি কেজি ফুজিয়া আপেলের দাম ১৯০ টাকা, যা কিছুদিন আগেও ছিল ১৬০-১৭০ টাকা। হানি আপেলের দাম ৩০-৪০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৫০-১৬০ টাকা। প্রতি কেজি আঙুর বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৪০ টাকায়। কমলার দাম যেখানে প্রতি কেজি আগে ছিল ১৭০-১৮০ টাকা, সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০-২৩০ টাকা। মালটার দামও বেড়েছ কেজিতে ৪০-৫০ টাকা। আনারের দামও বেড়েছে। ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের আনার কেজিপ্রতি ১৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চায়না নাশপাতি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি।

পাইকারি বা আড়ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা পিস হিসেবে কিনলেও তারা বিক্রি করছেন কেজি দরে। ফলে আড়তে যে তরমুজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়, সেটি কেজি দরে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায়।

এদিকে গত বছরের মতো এবছরও কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গরম মৌসুমের সবচেয়ে পরিচিত ফল তরমুজ। বাজারের প্রচুর মজুত ও ভোক্তাদের চাহিদা থাকলেও পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। পাইকারি বা আড়ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা পিস হিসেবে কিনলেও তারা বিক্রি করছেন কেজি দরে। ফলে আড়তে যে তরমুজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকায়, সেটি কেজি দরে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়।

‘কৃষি বিপণন আইন-২০১৮’তে বলা হয়েছে, ফলের ক্ষেত্রে কেজিতে ১০ টাকা লাভ করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা আছে। কেজিপ্রতি ৩ থেকে ৫ টাকার বেশি লাভ করা যাবে না । কেজি বা পিস যেভাবেই কিনবে, সেভাবেই বিক্রি করতে হবে। কিন্তু ফলের বাজারে এ আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে।

ফলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে রাজধানীর নিউমার্কেটের ফল বিক্রেতা ইউসুফ আলী বলেন, গত এক সপ্তাহে আগের তুলনায় প্রায় সব ফলেরই দাম বেড়েছে। আগে এক কেজি কমলা বিক্রি করতাম ১৭০-১৮০ টাকা, এখন সেটা বিক্রি করতে হয় ২২০-২৩০ টাকায়। এরকম প্রায় সব ফলেরই দাম বেড়েছে। তরমুজের দাম প্রতিটিতেই ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে।

একই কথা বলেন খুচরা ফল বিক্রেতা আব্দুল লতিফ। তিনি বলেন, বর্তমানে এক কেজি আনারের দাম ২৫০ টাকা, যা আগে ছিল ১৪০ টাকা। এখন বেচাকেনাও তেমন নেই। দাম বাড়ছে সব ফলেরই।

ফলের দাম বাড়ার পেছনে একশ্রেণির সিন্ডেকেটকে দায়ী করছেন খুচরা ফল ব্যবসায়ীরা। আড়তদার ও পাইকারি বিক্রেতারা প্রতিদিনই ক্যারেটপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে সুবিধামতো দাম বাড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের। এতে বিপাকে পড়ছেন তারা।

নিউমার্কেটের খুচরা ফল ব্যবসায়ী বরকত কাজী বলেন, আড়তদার ও পাইকাররা সিন্ডিকেট করে রেখেছে। দিন দিন ফলের দাম বাড়ছে। কাল কী হবে সেটা আজই বলতে পারবো না। তাদের মর্জির ওপর নির্ভর করবে দাম কমবে নাকি বাড়বে। আগে ১৫ কেজির এক ক্যারেট মালটার দাম ছিল ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা। এখন সেটা কিনতে হয় ২ হাজার ২০০ টাকায়। দিন যত যাচ্ছে ততই বাড়ছে দাম।

এছাড়াও দাম বেড়েছে কলা, আনারস, পেঁপে, বেলসহ সব ফলেরই। রোজায় টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারসের চাহিদা বেশ। এই ফলটির দামও আগের তুলনায় বেড়েছে। আগে যেখানে ৪০ টাকা করে একটি আনারস বিক্রি করা হতো, সেটি এখন বিক্রি করছে ৬০ টাকায়।

পুরান ঢাকার চকবাজারে কলা বিক্রেতা মো. মোবারক হোসেন বলেন, রোজা শুরুর আগেই কলার দাম বাড়তে শুরু করে। চাম্পাকলার হালি ছিল ১২ থেকে ১৫ টাকা, সেটি এখন হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। সাগরকলা আগে ৪০ টাকা হালি বিক্রি হলেও এখন সেটা ৫০ টাকা হয়েছে। ৩৫ থেকে ৪০ টাকা হালি সবরি কলা বেড়ে হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। বেলের দামও আকার অনুযায়ী ভিন্ন। ৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দামের বেল রয়েছে। কেনা দামও বেড়েছে আগের তুলনায়।

আবার কেজি বা পিসপ্রতি দাম বাড়ার কারণে বিক্রি কম হওয়ায় অনেকে পেঁপে, বেল, তরমুজসহ কিছু ফল ইফতারের আগে জুস বানিয়ে বিক্রি করছেন। তরমুজ, আনারস, পেঁপে বিক্রেতা হেলাল হোসেন বলেন, পেঁপে ৮০ টাকা কেজি ছিল আগে, সেটি এখন হয়েছে ১০০ টাকা। সবকিছুরই দাম বাড়তি। এজন্য বিক্রিও তুলনামূলক কম। তাই জুস করে বিক্রি করি।

বাজারে ফলের চড়া মূল্য হওয়ায় বিক্রি তেমন হচ্ছে না বলে জানান খুচরা বিক্রেতারা। রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে ভ্যানে ফল বিক্রি করেন শুকুর মুন্সি। তিনি বলেন, সব ফলের দাম বাড়তি। তাই একদম প্রয়োজন ছাড়া ফল বেশি করে কেউ কিনছেন না। ২০ কেজির এক ক্যারেট আঙুর আগে কিনতাম দুই হাজার ৮০০ টাকায়, সেটা এখন কিনতে হয় ৪ হাজার টাকায়। অনেকটা বাধ্য হয়ে অল্প করে কিনতে হয়। কাস্টমাররা চাইলে যেন অন্তত দিতে পারি। কেউ হয়তো রোগী দেখতে যাচ্ছেন বা বাসার জন্য যেটুকু না হলেই নয় সেটুকু কিনছেন। মানুষের কাছে আসলে টাকা নেই। করোনায় মানুষের ব্যবসা, চাকরি সবকিছুরই ক্ষতি হয়েছে।এদিকে পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, ফল কিনতে গিয়ে অনেকটা প্রতিযোগিতা করতে হয়। পুরান ঢাকার বাদামতলীর পাইকারি ব্যবসায়ী মো. কামাল জাগো নিউজকে বলেন, আড়তদারদের কাছ থেকে মাল কেনার সময় প্রতিযোগিতা লেগে যায়। প্রতিযোগিতার কারণে দামও বেশি নেওয়া হচ্ছে। ফলে খুচরা বিক্রেতাদের ওপর এর প্রভাব পড়ছে।

চকবাজারে হাফিজ উদ্দিন নামের আরেক খুচরা ফল বিক্রেতা বলেন, বাজারে ক্রেতা কম। আগের মতো আর ফল বিক্রি হচ্ছে না। একদিকে যেমন গত সপ্তাহজুড়ে দাম বেড়েছে, আবার মানুষের হাতেও তেমন টাকা-পয়সা নেই।

তবে ক্রেতারা বলছেন, রোজা এলেই দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। ফলে ইচ্ছে থাকলেও প্রয়োজনীয় সব ফল কেনা সম্ভব হয় না।

এ বিষয়ে ইসমাইল নামের এক ক্রেতা বলেন, দিন দিন দাম বাড়ছেই। কিছু করার নেই। ফলতো কিছু কেনা লাগবেই। মো. জাকির হোসেন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, মালটার দাম দুদিন আগেও কম ছিল। এখন দাম বেড়েছে। কাল-পরশু আবার হয়তো এর চেয়ে বেশি দামে কিনতে হবে।

নিউমার্কেটে মাহফুজুর রহমান নামের এক ক্রেতা বলেন, সব ধরনের ফলের দামই বাড়তি এখন। রোজা এলে প্রায় সব পণ্যেরই দাম বাড়ে। ফলের অবস্থাও তাই হয়েছে। এর মধ্যে খেজুরের দাম বেশি বেড়েছে।ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করে যে পণ্য বেশি বিক্রি হয় সেগুলোর তদারকিতে কাজ করছে তারা। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস বলেন, বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে কিছু পণ্যের চাহিদা থাকে। এ সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার জন্য বেশি মূল্যে বিক্রি করেন। বাজার তদারকির জন্য আমরা ঢাকা শহরে বিভিন্ন আড়ত ও খুচরা বাজারে প্রতিদিন আটটি টিম পাঠাচ্ছি। ফলের বাজার তদারকিতেও আমাদের টিম কাজ করছে। বাজারগুলো সবসময় তদারকিতে রাখার চেষ্টা করছি।

রমজানে বেড়েছে সব ধরনের ফলের দাম
                                  

কয়েক মাস ধরেই নিত্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির এই ধারা দিন দিন বেড়েই চলছে। রমজানেও দাম বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের। এর প্রভাব পড়েছে ফলের বাজারেও। রমজানে ফলের চাহিদা থাকলেও দামের কারণে ক্রেতার নাভিশ্বাস। পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে কোনো কোনো ফলের দাম। ফলে বেশি দামের কারণে ফল কেনা থেকে বিরত থাকছেন ক্রেতারা।

 রোজায় ফলের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম বলে দাবি করছেন পাইকারি ফল বিক্রেতারা। আবার খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তদারদের কারণেই বাড়ছে ফলের দাম। তাদের দাবি, সিন্ডিকেটের জন্যই পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের বেশি দামে ফল কিনতে হচ্ছে। এ কারণে দাম বেড়েছে বাজারে।

আইনে বলা আছে, ফল কেজি বা পিস যেভাবেই কিনবে, সেভাবেই বিক্রি করতে হবে। কিন্তু ফলের বাজারে এ আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে।

তবে উভয় ধরনের বিক্রেতারাই বলছেন, রোজার শুরুতে ফলমূল বেশি কেনার তাড়া থাকলেও মাঝামাঝি সময়ে চাহিদা কমতে পারে। সেসময় অধিকাংশ ফলের দামও কিছুটা কমতে পারে।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আপেল, আঙুর, মালটা, খেজুর, পেয়ারা, আনারস, তরমুজ, কলা পেঁপেসহ রোজায় যেসব ফল বেশি বিক্রি হয় তার প্রায় সবগুলোরই দাম বেড়েছে। এর মধ্যে খেজুরের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আজওয়া খেজুর আগে যে দামে বিক্রি হতো এখন তা দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে । মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে। হাব্বার খেজুর প্রতি কেজি এক হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার কালভী খেজুরের দাম বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা। রোজায় ইফতারের প্রধান ফল খেজুরের সব ধরনেরই দাম বেড়েছে ।

খেজুরের মতো বেড়েছে আপেলের দাম। প্রতি কেজি ফুজিয়া আপেলের দাম ১৯০ টাকা, যা কিছুদিন আগেও ছিল ১৬০-১৭০ টাকা। হানি আপেলের দাম ৩০-৪০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৫০-১৬০ টাকা। প্রতি কেজি আঙুর বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৪০ টাকায়। কমলার দাম যেখানে প্রতি কেজি আগে ছিল ১৭০-১৮০ টাকা, সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০-২৩০ টাকা। মালটার দামও বেড়েছ কেজিতে ৪০-৫০ টাকা। আনারের দামও বেড়েছে। ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের আনার কেজিপ্রতি ১৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চায়না নাশপাতি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি।

পাইকারি বা আড়ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা পিস হিসেবে কিনলেও তারা বিক্রি করছেন কেজি দরে। ফলে আড়তে যে তরমুজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়, সেটি কেজি দরে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায়।

এদিকে গত বছরের মতো এবছরও কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গরম মৌসুমের সবচেয়ে পরিচিত ফল তরমুজ। বাজারের প্রচুর মজুত ও ভোক্তাদের চাহিদা থাকলেও পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। পাইকারি বা আড়ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা পিস হিসেবে কিনলেও তারা বিক্রি করছেন কেজি দরে। ফলে আড়তে যে তরমুজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকায়, সেটি কেজি দরে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়।

‘কৃষি বিপণন আইন-২০১৮’তে বলা হয়েছে, ফলের ক্ষেত্রে কেজিতে ১০ টাকা লাভ করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা আছে। কেজিপ্রতি ৩ থেকে ৫ টাকার বেশি লাভ করা যাবে না । কেজি বা পিস যেভাবেই কিনবে, সেভাবেই বিক্রি করতে হবে। কিন্তু ফলের বাজারে এ আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে।

ফলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে রাজধানীর নিউমার্কেটের ফল বিক্রেতা ইউসুফ আলী বলেন, গত এক সপ্তাহে আগের তুলনায় প্রায় সব ফলেরই দাম বেড়েছে। আগে এক কেজি কমলা বিক্রি করতাম ১৭০-১৮০ টাকা, এখন সেটা বিক্রি করতে হয় ২২০-২৩০ টাকায়। এরকম প্রায় সব ফলেরই দাম বেড়েছে। তরমুজের দাম প্রতিটিতেই ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে।

একই কথা বলেন খুচরা ফল বিক্রেতা আব্দুল লতিফ। তিনি বলেন, বর্তমানে এক কেজি আনারের দাম ২৫০ টাকা, যা আগে ছিল ১৪০ টাকা। এখন বেচাকেনাও তেমন নেই। দাম বাড়ছে সব ফলেরই।

ফলের দাম বাড়ার পেছনে একশ্রেণির সিন্ডেকেটকে দায়ী করছেন খুচরা ফল ব্যবসায়ীরা। আড়তদার ও পাইকারি বিক্রেতারা প্রতিদিনই ক্যারেটপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে সুবিধামতো দাম বাড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের। এতে বিপাকে পড়ছেন তারা।

নিউমার্কেটের খুচরা ফল ব্যবসায়ী বরকত কাজী বলেন, আড়তদার ও পাইকাররা সিন্ডিকেট করে রেখেছে। দিন দিন ফলের দাম বাড়ছে। কাল কী হবে সেটা আজই বলতে পারবো না। তাদের মর্জির ওপর নির্ভর করবে দাম কমবে নাকি বাড়বে। আগে ১৫ কেজির এক ক্যারেট মালটার দাম ছিল ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা। এখন সেটা কিনতে হয় ২ হাজার ২০০ টাকায়। দিন যত যাচ্ছে ততই বাড়ছে দাম।

এছাড়াও দাম বেড়েছে কলা, আনারস, পেঁপে, বেলসহ সব ফলেরই। রোজায় টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারসের চাহিদা বেশ। এই ফলটির দামও আগের তুলনায় বেড়েছে। আগে যেখানে ৪০ টাকা করে একটি আনারস বিক্রি করা হতো, সেটি এখন বিক্রি করছে ৬০ টাকায়।

পুরান ঢাকার চকবাজারে কলা বিক্রেতা মো. মোবারক হোসেন বলেন, রোজা শুরুর আগেই কলার দাম বাড়তে শুরু করে। চাম্পাকলার হালি ছিল ১২ থেকে ১৫ টাকা, সেটি এখন হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। সাগরকলা আগে ৪০ টাকা হালি বিক্রি হলেও এখন সেটা ৫০ টাকা হয়েছে। ৩৫ থেকে ৪০ টাকা হালি সবরি কলা বেড়ে হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। বেলের দামও আকার অনুযায়ী ভিন্ন। ৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দামের বেল রয়েছে। কেনা দামও বেড়েছে আগের তুলনায়।

আবার কেজি বা পিসপ্রতি দাম বাড়ার কারণে বিক্রি কম হওয়ায় অনেকে পেঁপে, বেল, তরমুজসহ কিছু ফল ইফতারের আগে জুস বানিয়ে বিক্রি করছেন। তরমুজ, আনারস, পেঁপে বিক্রেতা হেলাল হোসেন বলেন, পেঁপে ৮০ টাকা কেজি ছিল আগে, সেটি এখন হয়েছে ১০০ টাকা। সবকিছুরই দাম বাড়তি। এজন্য বিক্রিও তুলনামূলক কম। তাই জুস করে বিক্রি করি।

বাজারে ফলের চড়া মূল্য হওয়ায় বিক্রি তেমন হচ্ছে না বলে জানান খুচরা বিক্রেতারা। রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে ভ্যানে ফল বিক্রি করেন শুকুর মুন্সি। তিনি বলেন, সব ফলের দাম বাড়তি। তাই একদম প্রয়োজন ছাড়া ফল বেশি করে কেউ কিনছেন না। ২০ কেজির এক ক্যারেট আঙুর আগে কিনতাম দুই হাজার ৮০০ টাকায়, সেটা এখন কিনতে হয় ৪ হাজার টাকায়। অনেকটা বাধ্য হয়ে অল্প করে কিনতে হয়। কাস্টমাররা চাইলে যেন অন্তত দিতে পারি। কেউ হয়তো রোগী দেখতে যাচ্ছেন বা বাসার জন্য যেটুকু না হলেই নয় সেটুকু কিনছেন। মানুষের কাছে আসলে টাকা নেই। করোনায় মানুষের ব্যবসা, চাকরি সবকিছুরই ক্ষতি হয়েছে।এদিকে পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, ফল কিনতে গিয়ে অনেকটা প্রতিযোগিতা করতে হয়। পুরান ঢাকার বাদামতলীর পাইকারি ব্যবসায়ী মো. কামাল জাগো নিউজকে বলেন, আড়তদারদের কাছ থেকে মাল কেনার সময় প্রতিযোগিতা লেগে যায়। প্রতিযোগিতার কারণে দামও বেশি নেওয়া হচ্ছে। ফলে খুচরা বিক্রেতাদের ওপর এর প্রভাব পড়ছে।

চকবাজারে হাফিজ উদ্দিন নামের আরেক খুচরা ফল বিক্রেতা বলেন, বাজারে ক্রেতা কম। আগের মতো আর ফল বিক্রি হচ্ছে না। একদিকে যেমন গত সপ্তাহজুড়ে দাম বেড়েছে, আবার মানুষের হাতেও তেমন টাকা-পয়সা নেই।

তবে ক্রেতারা বলছেন, রোজা এলেই দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। ফলে ইচ্ছে থাকলেও প্রয়োজনীয় সব ফল কেনা সম্ভব হয় না।

এ বিষয়ে ইসমাইল নামের এক ক্রেতা বলেন, দিন দিন দাম বাড়ছেই। কিছু করার নেই। ফলতো কিছু কেনা লাগবেই। মো. জাকির হোসেন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, মালটার দাম দুদিন আগেও কম ছিল। এখন দাম বেড়েছে। কাল-পরশু আবার হয়তো এর চেয়ে বেশি দামে কিনতে হবে।

নিউমার্কেটে মাহফুজুর রহমান নামের এক ক্রেতা বলেন, সব ধরনের ফলের দামই বাড়তি এখন। রোজা এলে প্রায় সব পণ্যেরই দাম বাড়ে। ফলের অবস্থাও তাই হয়েছে। এর মধ্যে খেজুরের দাম বেশি বেড়েছে।ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করে যে পণ্য বেশি বিক্রি হয় সেগুলোর তদারকিতে কাজ করছে তারা। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস বলেন, বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে কিছু পণ্যের চাহিদা থাকে। এ সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার জন্য বেশি মূল্যে বিক্রি করেন। বাজার তদারকির জন্য আমরা ঢাকা শহরে বিভিন্ন আড়ত ও খুচরা বাজারে প্রতিদিন আটটি টিম পাঠাচ্ছি। ফলের বাজার তদারকিতেও আমাদের টিম কাজ করছে। বাজারগুলো সবসময় তদারকিতে রাখার চেষ্টা করছি।

প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা থাকতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

 ব্যবসায়ীদের ন্যায্য মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, খুচরা পর্যায়ে প্রত্যেকটা দোকানে মুল্য তালিকা থাকতে হবে। যে দোকানে মূল্য তালিকা থাকবে না, তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসাথে তিনি প্রত্যেক দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শনী নিশ্চিত করার স্বার্থে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে তদারকি জোরদার করার নির্দেশ দেন।
আজ রোববার রাজধানীর কারওয়ানবাজার কিচেন মার্কেট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে কাওরানবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। 
ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কারওয়ানবাজারে অধিকাংশ দোকানে দামের লিস্ট দেখেছি কিন্তু কিছু কিছু দোকানে দেখলাম না। আমার নির্দেশ রইলো, দোকানে যদি দামের লিস্ট না থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল এফবিসিসিআইতে ব্যবসায়ী সব নেতারা কথা দিয়ে গেছেন জিনিসপত্রের দাম বাড়বে না। তারা ৪৬ জনের কমিটি করেছেন, ৪৬টি পণ্য তারা নিয়ন্ত্রণ করবেন।’
বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কোন ঘাটতি নেই উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে প্রতিটি পণ্যের মজুদ চাহিদার তুলনায় বেশি। ভোজ্য তেল, ডাল, চিনি মসলাসহ সকল পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি বলেন, ভ্যাট হার কমিয়ে দেওয়ার পরে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টন সয়াবিন তেল এসেছে। চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত মজুত আছে, কোনো সংকট নেই। ভোক্তা অধিকারকে নির্দেশ, এই সময় যদি কেউ মানুষকে ঠকায়, বেশি দামে বিক্রি করে, তাহলে কোনো ছাড় দেবেন না ।
তিনি আরও বলেন, সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উপর থেকে যে ট্যাক্স-ভ্যাট কমিয়েছে, তার সুফল ভোক্তারা পাচ্ছেন। মন্ত্রী জানান, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। তারা গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। 
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে টিপু মুনশি বলেন, ‘পাইকারি বাজার নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে বিভিন্ন খুচরা বাজারে যখন যায়, তখন দূরত্ব বিবেচনায় যারা কারওয়ানবাজার থেকে নিয়ে উত্তরা বা গাজীপুরে বিক্রি করছে, পরিবহন খরচের পার্থক্য আছে; লাখ লাখ খুচরা বিক্রেতা সেখানে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। পাইকারি বাজারে যেন দামটা ঠিক করা যায়। সেটা হলে আমার ধারণা, হয়তো প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১-২ টাকা বাড়তে পারে। সে রকমই লক্ষ করছি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা টিসিবির ট্র্যাকে শুধু ঢাকা ও বরিশাল শহরে খাবার দিচ্ছি। ১ কোটি লোকের মধ্যে প্রায় ৮৫ লাখ মানুষকে দিচ্ছি গ্রাম-গঞ্জে। আমি নিজে ঠাকুরগাঁও-রংপুরে শুরু করে দিয়ে এসেছি।’ 
তিনি বলেন, ‘আমাদের হিসাব প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ আছে দরিদ্রসীমার নিচে। যদি সর্বোচ্চ জনসংখ্যা ধরি ১৭ কোটি, তাহলে ৩ কোটি ২০ লাখ লোক আছে দরিদ্র্রসীমার নিচে। আমরা ১ কোটি মানুষকে দিচ্ছি, একেকটি পরিবারে ৫ জন করে যদি ধরি, তাহলে কিন্তু ৫ কোটি মানুষ পাচ্ছে। সম্পূর্ণভাবে এই কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর। আমাদের ক্ষমতা অনুযায়ী বলেছিলাম ৫০ হাজার মানুষকে দেবো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ১ কোটি মানুষকেই দিতে হবে। অর্থাৎ আমরা দরিদ্রসীমার নিচের উপরেও প্রায় ২ কোটি লোককে কাভার করছি। আমাদের এই প্রথম দেওয়া হলো, ১৫ তারিখের দিকে আবার দেওয়া হবে। তারপরও আমরা দেবো। প্রধানমন্ত্রী এই কার্ডগুলো রক্ষা করতে বলেছেন।’
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে সরকারের জ্যেষ্ঠ এই মন্ত্রী বলেন, পণ্য পরিবহন বা সরবরাহ কাঠামোতে চাঁদাবাজির কোন অভিযোগ পেলে আমাকে জানাবেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, চাঁদাবাজির ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা যে অভিযোগ করেছেন, সে বিষয় নিয়ে শীঘ্রই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা হবে। 
এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রোজায় সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে ৬ ঘণ্টা
                                  

দেশের সব সিএনজি স্টেশনে রমজান মাসের প্রথম দিন থেকে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। রোজার মাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুধবার পেট্রোবাংলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।  

এতদিন সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হতো। গত ১ মার্চ থেকে এ নিয়ম চলছিল। এখন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের সময়সীমা আরও এক ঘণ্টা বাড়ল।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গ্যাস বিতরণ কোম্পানির ভিজিল্যান্স টিমগুলো নিয়মিত মনিটরিং করবে। সিদ্ধান্ত অমান্যকারী সংশ্লিষ্ট সিএনজি স্টেশনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বর্ণের দাম আরও কমলো, ভরি ৭৭ হাজার টাকা
                                  

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৫০ টাকা কমেছে। ২২ মার্চ (মঙ্গলবার) থেকে এ মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ৭৭ হাজার ৯৯ দশমিক চার টাকা।

 সোমবার (২১ মার্চ) পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম রয়েছে ৭৮ হাজার ১৪৮ দশমিক ৮০ টাকা।  

 সোমবার (২১ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণের খবর গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়ে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম পড়বে ৭৩ হাজার ৫৯৯ দশমিক ৮৪ টাকা। বর্তমানে দাম রয়েছে ৭৪ হাজার ৬৪৯ দশমিক ৬০ টাকা। ভরিতে দাম কমেছে ১০৪৯ দশমিক ৭৬ টাকা।

১৮ ক্যারেটের ভরির দাম ধরা হয়েছে ৬৩ হাজার ১০২ দশমিক ২৪ টাকা। সোমবার পর্যন্ত এ মানের স্বর্ণের দাম রয়েছে ৬৪ হাজার ৩৫ দশমিক ৩৬ টাকা। ভরিতে দাম কমেছে ৯৩৩ দশমিক ১২ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরির দাম পড়বে ৫২ হাজার ৬০৪ দশমিক ৬৪ টাকা। বর্তমানে দাম রয়েছে ৫৩ হাজার ৩৬২ দশমিক ৮০ টাকা। ভরিতে দাম কমেছে ৭৫৮ দশমিক ১৬ টাকা।

রুপার দাম অপরিবর্তিত

২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৫১৬ টাকায়, ২১ ক্যারেট এক হাজার ৪৩৫ টাকায়, ১৮ ক্যারেট এক হাজার ২১৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৯৩৩ টাকায়।

এম এ হান্নান বলেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে বাজুস নির্ধারিত মূল্য তালিকায় স্বর্ণ ও রুপা বিক্রির অনুরোধ করা হলো।

ভোজ্যতেল আমদানিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি
                                  

আমদানি পর্যায়ে সয়াবিন ও পাম তেলে ভ্যাট কমানোর ঘোষণা গতকাল মঙ্গলবারই দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পাম তেল আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ সুযোগ অব্যাহত থাকবে।

এর আগে গত সোমবার পরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পরিশোধিত পাম তেলের স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায় পর্যায়ে সব মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ সুযোগও আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এত দিন সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা ছিল।

কিছুদিন ধরেই স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম চড়া। ইউক্রেনে রুশ হামলার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারেও তেলের দাম বেড়ে যায়। এমন প্রেক্ষাপটে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমদানি ও স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহারের সুপারিশ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চিঠি দেয়। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও একই দাবি জানানো হয়। বিভিন্ন মহলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় পর্যায়ে ভোজ্যতেলের ভ্যাট প্রত্যাহার করা হলো। আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হলো।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের চাহিদা তিন লাখ টনের কাছাকাছি। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় ২ লাখ টন, বাকি ১৮ লাখ টনই আমদানি করতে হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত যখন এল, তখন রোজার পণ্যের সিংহভাগই বাজারজাত হয়ে গেছে। ১৮ মার্চ শবে বরাতের পর রোজার পণ্যের বেচাকেনা শুরু হবে। সেই হিসেবে ভ্যাট কমানোর সুফল কতটুকু ভোক্তারা রোজার বাজারে পাবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ইতিমধ্যে খালাস হওয়া অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের আমদানিমূল্য পড়েছে প্রতি কেজি ১১৮ থেকে ১২২ টাকা। নতুন যেসব চালান আসছে, সেগুলোর আমদানিমূল্য কমবেশি ১২৭ টাকা পড়বে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। সেই হিসাবে কেজিপ্রতি ভ্যাট বাবদ ১২ টাকা দিতে হবে না ব্যবসায়ীদের। একইভাবে পাম তেল আমদানিতেও খরচ কমতে পারে ১২ টাকার কাছাকাছি। তবে এখন যে তেল বাজারজাত করা হচ্ছে, তা ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিয়েই খালাস করা হয়েছে। নতুন চালান খালাস করে বাজারজাত করতে করতে রোজা চলে আসবে।

সয়াবিন-পামঅয়েল খোলা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা
                                  

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আগামী ৩১ মে থেকে সয়াবিন তেল ও ৩১ ডিসেম্বর থেকে পামওয়েল খোলা বিক্রি করা যাবে না। বোতলজাত করে বিক্রি করতে হবে৷

বুধবার (০২ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং মাঠ প্রশাসন বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে। যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উৎপাদনকারী এবং ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় সবকিছু করা হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ এবং মূল্য স্বাভাবিক রাখতে সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

তেল অতিরিক্ত দামে বিক্রি করতে বোতল খুলে খোলাভাবে বিক্রি হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, এ কথাগুলো আমরা শুনেছি, বোতলে যে দাম লেখা থাকে, বোতল থেকে খুলে বিক্রি করলে দামের কোনো বালাই থাকে না। এসব কথা শোনার পরিপ্রেক্ষিতে আজকে ডিজিএফআই, পুলিশ, এনএসআই, ভোক্তা অধিকার, প্রতিযোগিতা কমিশন সবাইকে বলেছি, এসব কথা শুনছি, ইউ টেক ইউর অ্যাকশন। এটি হলো পরিষ্কার কথা।

সভায় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আলোচনায় এটিই সিদ্ধান্ত হয়েছে, যে দাম আমরা ঠিক করে দেই বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে যা প্রভাব পড়ে, সে দামটা কিন্তু আমাদের ট্রেন্ড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন একটা সূচকের ভিত্তিতে বসে ঠিক করে, যে বাজারে কী দাম হওয়া উচিত। তারা সবকিছু মিলিয়েই দাম নির্ধারণ করে। আমরা সম্প্রতি দেখেছি, কিছু গড়মিল দেখা যাচ্ছে। আমাদের সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি, আমাদের ভোক্তা অধিকার, ক্যাব, প্রতিযোগিতা কমিশন এবং গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট সবাইকে ডেকেছি। এ কথাটাই আলোচনা করেছি। এ নির্দেশ তাদের দেওয়া হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে যে নির্দেশনাটা আমাকে জানানো হয়েছে, সে কথাই বলা হয়েছে, যৌক্তিকভাবে এটা কন্ট্রোল করতে হবে। যেটা আছে সেটা মেনে করতে হবে।

পণ্যের দামের বিষয়ে কেউ আইন মানেন না এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা আরও অ্যাকটিভ হবো। ভোক্তা অধিকারকে বলবো শিল্প মন্ত্রণালয়ের যে দায়িত্ব সেটা যেন তাদের জানানো হয়। আমরাও আমাদের ব্যবস্থা নেবো।

খুচরা বাজারে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, এজন্য আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে, ভোক্তা অধিকার রয়েছে তাদের এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। আমরা এবার ডিসি এবং প্রশাসনের সাহায্য নিয়েছি। এ ধরনের কাজ যারা করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

যৌথ অভিযান পরিচালনা করবেন কিনা জানতে চাইলে টিপু মুনশি বলেন, যেখানে যেরকম প্রয়োজন, যদি কোথাও যৌথ দরকার পড়ে যৌথ করবো। খালি পুলিশ যদি পারে পুলিশ করবে, ডিসি করবে, ভোক্তা অধিকার করবে। সবারই ম্যাজিট্রেসি ক্ষমতা আছে। যার-যার মতো করে করবে। যদি কোথাও মনে করে সবাই এক সঙ্গে যাওয়া দরকার, এক সঙ্গে যাবে।

এ সময় প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম জানান, প্রতিযোগিতা কমিশন থেকে ইতোমধ্যে তেল ব্যবসায়ীদের বিষয়টি বলে দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মিটিং করে ভোজ্য তেল ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে এটা আপনারা গণমাধ্যমকে বলেন। তাহলে মানুষ জানবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, প্রতিযোগিতা কমিশন, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা। 

৪০০০ কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়াল রিজার্ভ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন উচ্চতা স্পর্শ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৪০ বিলিয়ন বা ৪ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থের ওপর ভর করে আজ দিন শেষে রিজার্ভ নতুন এ উচ্চতায় পৌঁছায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী সাইদুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৈদেশিক মুদ্রার বর্তমান মজুত দিয়ে দেশের ১০ মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা।

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাবে চলতি বছরের প্রথম থেকেই দেশের আমদানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খায়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের আমদানি ব্যয় কমেছে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরেও এখন পর্যন্ত আমদানি প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরেনি।

আমদানি খাতের বড় বিপর্যয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনে। রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফনের পাশাপাশি রফতানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোয় তরতর করে বাড়তে থাকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। গত চার মাসে আট বার রেকর্ড করেছে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ সূচকটি।

গত ৩ জুন দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ২৪ জুন সেই রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ৩০ জুন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর ২৮ জুলাই রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরও অতিক্রম করে। তিন সপ্তাহ পর গত ১৭ আগস্ট রিজার্ভ ৩৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। এরপর রিজার্ভের পরিমান ৩৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। গত এক মাস রিজার্ভের পরিমান এ বৃত্তে ঘুরা ফেরা করলেও বৃহস্পতিবার তা ৪০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে।

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩৫০০ টাকা
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

কয়েক দফা বাড়ার পর এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে সব ধরনের স্বর্ণের দাম সাড়ে তিন হাজার টাকা কমেছে। দাম কমার পর এখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু।

বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম কমানোর খবর গণমাধ্যমে জানানো হয়। সবশেষ স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল গত ৬ আগস্ট।

বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা যায়, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। বুধবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণের বাজার দর রয়েছে ৭৭ হাজার ২১৬ টাকা। ভরিতে দাম কমেছে ৩ হাজার ৫শ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৫৬৭ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭৪ হাজার ৬৭ টাকা। দাম কমানো হয়েছে ৩ হাজার ৫শ টাকা।

একইভাবে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম পড়বে ৬১ হাজার ৮১৯ টাকা। বর্তমান দাম রয়েছে ৬৫ হাজার ৩১৯ টাকা। ভরিতে কমেছে ৩ হাজার ৫শ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ৪শ ৯৬ টাকা। বুধবার পর্যন্ত সনাতন হিসাবে প্রতি ভরির দাম রয়েছে ৫৪ হাজার ৯শ ৯৬ টাকা। দাম কমেছে ৩ হাজার ৫শ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে ২১ ক্যারেট ক্যাডমিয়াম রুপার দাম। প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৯৩৩ টাকায়।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সভাপতি এনামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, আর্ন্তজাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে বাজুস র্নিধারিত মূল্য তালিকায় বিক্রির অনুরোধ করা হলো।

ঈদে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রতিবছরই নতুন নোটের চাহিদা বাড়ে। তাই এবারের ঈদ উপলক্ষে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হবে। তবে করোনার কারণে রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদেও সর্বসাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঈদের আগের মাসের বেতন ও বোনাসের টাকা নতুন নোটে পাওয়ার আশা করেন চাকরিজীবীরা। এ ছাড়া ঈদের আগে সালামি ও বকশিশের জন্য নতুন টাকা সংগ্রহ করে সাধারণ মানুষ। এটা মাথায় রেখেই প্রতিবছর দুই ঈদে নতুন টাকা বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত রোজার ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আর গত কোরবানির ঈদে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এবার ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাড়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই একেবারে নতুন নোট। স্বাভাবিক সময়ে সাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়। কিন্তু করোনার কারণে এই সুযোগ রাখা হচ্ছে না। ফলে গতবারের চেয়ে এবার চাহিদা কিছু কম হবে বলেই মনে হচ্ছে। ব্যাংকের যারা গ্রাহক, তারা লেনদেনের সময় নতুন টাকা নেয়ার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া এটিএম বুথেও গ্রাহকরা নতুন টাকা পাবেন।

মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তোলার চাপ বেড়েছে অনেক আগে থেকেই। গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে সংকটে পড়া ব্যাংকগুলো প্রতিদিনই নগদ টাকার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছে। রেপো ও বিশেষ তারল্য সহায়তার আওতায় প্রতিদিনই ব্যাংকগুলোকে হাজার হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। করোনা সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ায় সামনেও নগদ টাকার চাহিদা থাকবে।

জানা গেছে, সারা বছর ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বিভিন্ন মূল্যমানের নোট প্রয়োজন হয়। এর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ প্রয়োজন হয় দুই ঈদে। তবে এবার করোনার সংকটের কারণে নগদ টাকার চাহিদা বেশি হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এক লাখ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন শুরু হওয়ায় বাজারে মুদ্রা সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। এই মুদ্রা সরবরাহের একটি অংশ নগদ টাকা হিসেবে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

ফের গভর্নর হলেন ফজলে কবির
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে আরও দুই বছরের জন্য পুনঃনিয়োগ পেয়েছেন ফজলে কবির। ২০২২ সালের ৩ জুলাই পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপ-সচিব মো. জেহাদ উদ্দীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং. ১২৭) যা বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধিত) আইন, ২০২০ দ্বারা সংশোধিত এর অনুচ্ছেদ ১০(৩) এবং ১০(৫) এর বিধান অনুযায়ী ফজলে কবিরকে তার ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ৩ জুলাই ২০২২ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসাবে নিয়োগ করা হলো।

এতে আরও বলা হয়েছে, ফজলে কবির গভর্নর পদে নিয়োজিত থাকা সময়ে সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে গ্রহণ করবেন। এ নিয়োগের অন্যান্য বিষয় উল্লিখিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। 

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ শেষ হয় গত ৩ জুলাই। ফজলে কবিরকে স্বপদে রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের বর্তমান বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করার জন্য চলতি বছরের ৮ জুন মন্ত্রিপরিষদে আইন সংশোধন প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। পরে সংশোধনীটি সংসদের বাজেট অধিবেশনে পাঠানো হয়। এটি গত ২৯ জুন সংসদের নোটিশে আনা হলেও শেষ পর্যন্ত সংসদে উত্থাপিত হয়নি। কারণ ৮ জুলাই পর্যন্ত সংসদ মূলতবি ঘোষণা করা হয়।

পরে ৯ জুলাই জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত বিলটি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের অনুপস্থিতিতে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে গত ২ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির নতুন মেয়াদে দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাধারণ কাজ চালিয়ে নিতে ডেপুটি গভর্নর-১ এসএম মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি গভর্নর-২ আহমেদ জামালকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী দুই ডেপুটি গভর্নর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাধারণ কর্মকাণ্ড দেখভাল করছিলেন।

বাড়ল স্বর্ণের দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বাড়ার কারণে দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রতি ভরি স্বর্ণে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ ক্রয়মূল্য হবে ৬৯ হাজার ৮৬৭ টাকা।

চীনে ৫১৬১ পণ্যে শুল্ক মুক্ত সুবিধা পেল বাংলাদেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৫ হাজার ১৬১টি পণ্যের শুল্ক মুক্ত রপ্তানির সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশই শুল্ক মুক্ত প্রবেশের সুবিধা পেল।

আগামী ১ জুলাই থেকে এ ঘোষণা কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশকে জানিয়েছে চীন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন চীনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিক কূটনীতি চালু করেছে, এটা সেদিক থেকে খুব বড় একটা অর্জন। চীন সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির বাজারে বাংলাদেশ যত পণ্য পাঠাবে তার ৯৭ শতাংশই শুল্ক মুক্ত সুবিধা পাবে। এটাকে এক অর্থে শত ভাগ শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধাও বলা যায়। কারণ বাংলাদেশ থেকে যত ধরনের পণ্য চীনে রপ্তানি হয় তার মধ্যে মাত্র তিনটি বাদে সবই বিনা শুল্কে চীনের বাজারে ঢুকতে পারবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, অর্থনৈতিক কূটনীতি এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে আরও বড় বড় বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের জন্য এ ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সোনার দাম কমছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সোনার আমদানির ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে করে কমবে সোনার দাম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা থেকে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করতে গিয়ে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

চলতি অর্থবছর বিদেশ থেকে সোনা আনতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হতো আমদানিকারকদের। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ ভ্যাট না নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথপরিক্রমা শিরোনামে ২০২০-২১ অর্থবছরের ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল। এটি চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ৪৪ হাজার ৮১০ কোটি টাকা বেশি। শতাংশ হিসাবে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০২০) বাজেটের আকার ছিল পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর আগে দুপুরে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবিত বাজেটে অনুমোদন দেয়া হয় এবং পরে ওই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

দেশের বাজারে ছোট-বড় ১৫ হাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী রয়েছেন। দেশে বছরে সোনার চাহিদা প্রায় ২০ টন। যার পুরোটাই আসত চোরাচালানের মাধ্যমে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হতো। সার্বিক দিক বিবেচনা করে গত বছর স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা জারি করে সরকার। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে একটি ব্যাংকসহ ১৮ প্রতিষ্ঠানকে দুই বছরের জন্য স্বর্ণ আমদানির ডিলার লাইসেন্স দেয়া হয়।

যেসব প্রতিষ্ঠান সোনা আমদানির লাইসেন্স পেয়েছে, মধুমতি ব্যাংক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, জুয়েলারি হাউস, রতনা গোল্ড, অরোসা গোল্ড কর্পোরেশন, আমিন জুয়েলার্স, স্রেজা গোল্ড প্যালেস, জরোয়া হাউস লিমিটেড, মিলন বাজার, এসকিউ ট্রেডিং, এমকে ইন্টারন্যাশনাল, বুরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ, গোল্ডেন ওয়ার্ল্ড জুয়েলার্স, রিয়া জুয়েলার্স, লক্ষ্মী জুয়েলার্স, বিডেক্স গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড, ডি ডামাস ও দি আর্ট অব গ্যালারি।

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যে জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন তিনি। এটি পাস হবে ৩০ জুন। ১ জুলাই থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবছর।

এবারের বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে :

মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাবস, ওষুধ, স্বর্ণ, চিনি, হস্তচালিত কৃষি যন্ত্রপাতি, পোল্ট্রি, ডেইরি, মৎসশিল্পে ব্যবহৃত উপকরণ, ডিটারজেন্ট, ইলেক্ট্রিকাল সিগনাল যন্ত্রপাতি, আইসিইউ যন্ত্রপাতি।

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের দ্বিতীয় বাজেট এটি। ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’ শিরোনামে এবারের বাজেট বর্তমান অর্থমন্ত্রীরও দ্বিতীয় বাজেট।

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১৯৭২ সালে তাজউদ্দীন আহমদ ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। কালের পরিক্রমায় এবার বাজেটের আকার ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। এই ৪৯ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। সেইসাথে নিজস্ব অর্থের ব্যবহারে সক্ষমতাও বেড়েছে। কিন্তু সারা বিশ্বকে থামিয়ে দেওয়া করোনা ভাইরাসের এক ব্যতিক্রমী প্রেক্ষাপটে এবার বাজেট উপস্থাপন হচ্ছে।

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যেই ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হচ্ছে। বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবারের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তব্য শুরু করেন। এ বাজেট বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট পেশ সম্পন্ন হবে।

এবারের বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে:

রঙ, অনলাইন খাবার, অনলাইন কেনাকাটা, বিদেশি টিভি, সিগারেট, সোডিয়াম সালফেট, আয়রন, স্টিল, স্ক্রু, আলোকসজ্জা সামগ্রী, কম্প্রেসার শিল্পে ব্যবহৃত উপকরণ, বার্নিশ, বাইসাইকেল, আমদানি করা অ্যালকোহল, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন খরচ, গাড়ি, শ্যাম্পু, জুস, ইন্টারনেট খরচ, আমদানি করা দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, মোবাইল খরচ, চকলেট, বিদেশি মোটরসাইকেল, বডি স্প্রে।

বছরে ৩ লাখ টাকার কম আয় হলে কর দিতে হবে না
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

প্রতিবারের মতো এবারো করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ছে। বর্তমানে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকা রয়েছে। এটি বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করা হবে। করোনাকালীন সময়ে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের কষ্ট লাঘবে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

গত আট অর্থবছরের বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বশেষ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা ছিল দুই লাখ ২০ হাজার টাকা। এটিকে বাড়িয়ে তখন আড়াই লাখ টাকা করা হয়। এর আগে ২০১২-১৩ অর্থবছরে ২ লাখ টাকা ও ২০১৩-১৪ তে ছিল ২ লাখ ২০ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হয়েছে। অর্থ্যাৎ কোন ব্যাক্তির বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা হলে কর দিতে হবে না। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ টাকা। এর পরবর্তী ১ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর ধরা হয়েছে ৫ শতাংশ। এর পরের ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর দিতে হবে ১০ শতাংশ। পরবর্তী ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর ১৫ শতাংশ। পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর ২০ শতাংশ।

এর বেশি আয়ের ক্ষেত্রে মোট আয়ের ওপর কর প্রস্তাব করা হয়েছে ২৫ শতাংশ।


   Page 1 of 13
     অর্থ-বাণিজ্য
রমজানে বেড়েছে সব ধরনের ফলের দাম
.............................................................................................
প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা থাকতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
রোজায় সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে ৬ ঘণ্টা
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম আরও কমলো, ভরি ৭৭ হাজার টাকা
.............................................................................................
ভোজ্যতেল আমদানিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার, প্রজ্ঞাপন জারি
.............................................................................................
সয়াবিন-পামঅয়েল খোলা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
৪০০০ কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়াল রিজার্ভ
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩৫০০ টাকা
.............................................................................................
ঈদে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে
.............................................................................................
ফের গভর্নর হলেন ফজলে কবির
.............................................................................................
বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
চীনে ৫১৬১ পণ্যে শুল্ক মুক্ত সুবিধা পেল বাংলাদেশ
.............................................................................................
সোনার দাম কমছে
.............................................................................................
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে
.............................................................................................
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে
.............................................................................................
বছরে ৩ লাখ টাকার কম আয় হলে কর দিতে হবে না
.............................................................................................
কর বাড়লো মোবাইলে কথা বলার ওপর
.............................................................................................
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পর্যাপ্ত নগদ টাকা রাখার নির্দেশ
.............................................................................................
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ব্যয় কমাতে ৯ নির্দেশনা
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেনের সময় ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত
.............................................................................................
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঋণ, জামানত লাগবে না
.............................................................................................
এপ্রিলে রেমিট্যান্স নিয়ে হোঁচট খেলো বাংলাদেশ
.............................................................................................
সব ধরনের ব্যাংক ঋণের সুদ দুই মাস স্থগিত
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে লেনদেন চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
স্বাস্থ্য খাতে ৮৫০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন এডিবির
.............................................................................................
আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
সাত মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১১ বিলিয়ন ডলার
.............................................................................................
বেড়েছে স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
২০৪৮ সালে ২০তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
মানব সম্পদ উন্নয়নে ৫৪০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি
.............................................................................................
ভ্যাট আদায়ে কঠোর হবে এনবিআর
.............................................................................................
রিজার্ভ ‍চুরি: জরিমানার ২০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
নগদ প্রণোদনায় অক্টোবরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩২ ভাগ
.............................................................................................
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে সংসদে তীব্র ক্ষোভ
.............................................................................................
দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা
.............................................................................................
ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
পেঁয়াজের উচ্চমূল্যের সঙ্গে এবার যোগ হলো ডিম
.............................................................................................
পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলো ভারত
.............................................................................................
সোনার ভরি ৫৮ হাজার টাকা ছাড়াল
.............................................................................................
শুক্র শনিবার ব্যাংক খোলা
.............................................................................................
আবারও বাড়ছে সোনার দাম
.............................................................................................
নগদ অর্থের সঙ্কটে কমে গেছে অধিকাংশ ব্যাংকের ঋণ বিতরণ
.............................................................................................
রাষ্ট্রীয় ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা
.............................................................................................
৫০ হাজার কোটি টাকা কাজে লাগাতে পারছে না ব্যাংক
.............................................................................................
ছুটির পর পুঁজিবাজারে চাঙাভাবে লেনদেন শুরু
.............................................................................................
বেসিক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৯ বছরেও শেষ হয়নি
.............................................................................................
ছুটির দিনেও ব্যাংক খোলা থাকবে
.............................................................................................
দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল: গর্ভনর
.............................................................................................
শিল্প এলাকায় ১ ও ২ জুন ব্যাংক খোলা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আবদুল মালেক, সুগ্ম সম্পাদক: মো: জাহাঙ্গীর আলম শাহ। সম্পাদক কর্তৃক ২৪৪ (২য় তলা), ৪নং জাতীয় স্টেডিয়াম, কমলাপুর, ঢাকা-১২১৪
থেকে প্রকাশিত এবং স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
মোবাইল: ০১৮৪১৭৪৯৮২৪, ০১৮৪১৭৪৯৮২৫ ই-মেইল: ই-মেইল: noboalo24@gmail.com,
bmengineering77@gmail.com, ওয়েবসাইট www.dailynoboalo.com


   All Right Reserved By www.dailynoboalo.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale