|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের সভা অনুষ্ঠিত   * আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়লো এক মাস   * গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু : ভর্তি ৪৩৬ জন   * ক্যাসিমিরোর দুর্দান্ত গোলে দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিল   * এসএসসির ফল প্রকাশ : পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ   * এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর   * চার বিশ্বকাপজয়ী জার্মানিকে হারিয়ে চমক জাপানের   * ইকুয়েডর-কাতার ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল   * ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভোগান্তি থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী   * খিলগাঁওয়ে ট্রাকের ধাক্কায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু  

   সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
~গোরস্থান~

আমার পাশেই কাঠগোলাপ গাছটি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে,
হাসনাহেনার মাদকীয় ঘ্রাণ আমাকে ছাড়িয়ে কোন অনুমতি ছাড়াই ঢুকে
পড়বে নবদম্পতির ঘরে,
মেহেদিপাতা ছিঁড়ে নিয়ে যাবে কোন উচ্ছল দুষ্টু কিশোরী।
জারুল গাছে পাতার থেকেও বেশি বেগুনি রঙের আভায় ছড়িয়ে থাকবে
আমার সীমানা থেকে যতদূর দেখা যাবে!
সোনালু ফুলের হলুদ রঙ আশেপাশের পরিবেশ আরো সুন্দর করে তুলবে।
জংলি বেলিফুল গুলো আমাকে দেখে পাপড়ি ছড়িয়ে হাসবে!
মোয়াজ্জিনের আজান আমার সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূর কাঠুরিয়ার কান অবধি
পৌছবে,
পিঁপড়া দলবল নিয়ে আমার সীমানায় আস্তানা গড়বে।
ভিমরুলের রানী পুকুর পাড়ের লিচু গাছে রাজত্ব করবে।
ছোট ছোট পায়ে শৈশবের আনন্দে আলোড়ন হবে সদ্য কাটা ধানের
জমিনে।
বৈদ্যুতিক খুঁটিতে শ`খানেক কাক হইচই করবে কা , কা , কা !
বাঁশঝাড়ে ডাহুক মধ্যরাতে করুন ডাকে আকুতি ছড়াবে!
কাঁঠালের হলুদ পাতা ঝরে পড়বে আমার গা - ঘেষে যাওয়া রাস্তার পাড়ে।
অসন্তুষ্টির ছাতিম গাছের ফুল আমার গায়ে অবাধ্য হয়ে পড়বে আমার
সীমানার খুটিতে!
রোজকার সূর্যি মামা কিংবা চাঁদের বাড়াবাড়ি আমার মুখ বুঝে সহ্য করতেহবে ,
কী অদ্ভুত!
গৌতম`দা তার বাবার সৎকার করে হাটি- হাটি পা`য়ে আসবে কাঁধে পৈতা
ঝুলিয়ে।
আমার সীমানার পাশেই সারি - সারি জ্যান্ত অনুভূতিগুলোর দাফন হবে ঝরে
পড়া শত - শত সন্ধ্যামালতীর মতন!
বৃষ্টি ঝরে পড়বে অভিমানে, মাটি ভিজিয়ে দিয়ে আবার পতিত হবে শ্যাওলা
জমাট পুকুরে।
সন্ধ্যা হতেই বাতাবিলেবু হাওয়ায় এলোমেলো হয়ে দুলতে থাকবে, সেই
হাওয়ায় অলুক্ষণে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে নারিকেলের ডাল কিংবা টপাটপ
গোটা কয়েক আম সীমানাপ্রাচীরেই পড়তে থাকবে।
নতুন কোন শীতের সকালে শিশিরে ভেজা থাকবে দূর্বাঘাস কিংবা উষ্ণ গরমে
ভাতঘুম দেবে গায়ের বধু।
লজ্জাবতী পাতা লজ্জায় তার শরীর গুটিয়ে নেবে শামুকের চলাচলে।
তারপর সকাল গড়িয়ে দুপুর বা বিষন্ন বিকেলের পর ধূপের ঘ্রাণ যুক্ত সন্ধ্যা,
কোজাগরী আকাশে চাঁদের সাথে মেঘের অশালীন প্রেম...!
সীমানার দেয়ালে লেখা থাকবে- "কবরস্থানের পবিত্রতা বজায় রাখুন।"
তুমি আসবে আমার গোরস্থানে, ডাকনামে ডাকবে তো আমায়?
 কবি ফয়জিয়া নুর
~গোরস্থান~
                                  
আমার পাশেই কাঠগোলাপ গাছটি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে,
হাসনাহেনার মাদকীয় ঘ্রাণ আমাকে ছাড়িয়ে কোন অনুমতি ছাড়াই ঢুকে
পড়বে নবদম্পতির ঘরে,
মেহেদিপাতা ছিঁড়ে নিয়ে যাবে কোন উচ্ছল দুষ্টু কিশোরী।
জারুল গাছে পাতার থেকেও বেশি বেগুনি রঙের আভায় ছড়িয়ে থাকবে
আমার সীমানা থেকে যতদূর দেখা যাবে!
সোনালু ফুলের হলুদ রঙ আশেপাশের পরিবেশ আরো সুন্দর করে তুলবে।
জংলি বেলিফুল গুলো আমাকে দেখে পাপড়ি ছড়িয়ে হাসবে!
মোয়াজ্জিনের আজান আমার সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূর কাঠুরিয়ার কান অবধি
পৌছবে,
পিঁপড়া দলবল নিয়ে আমার সীমানায় আস্তানা গড়বে।
ভিমরুলের রানী পুকুর পাড়ের লিচু গাছে রাজত্ব করবে।
ছোট ছোট পায়ে শৈশবের আনন্দে আলোড়ন হবে সদ্য কাটা ধানের
জমিনে।
বৈদ্যুতিক খুঁটিতে শ`খানেক কাক হইচই করবে কা , কা , কা !
বাঁশঝাড়ে ডাহুক মধ্যরাতে করুন ডাকে আকুতি ছড়াবে!
কাঁঠালের হলুদ পাতা ঝরে পড়বে আমার গা - ঘেষে যাওয়া রাস্তার পাড়ে।
অসন্তুষ্টির ছাতিম গাছের ফুল আমার গায়ে অবাধ্য হয়ে পড়বে আমার
সীমানার খুটিতে!
রোজকার সূর্যি মামা কিংবা চাঁদের বাড়াবাড়ি আমার মুখ বুঝে সহ্য করতেহবে ,
কী অদ্ভুত!
গৌতম`দা তার বাবার সৎকার করে হাটি- হাটি পা`য়ে আসবে কাঁধে পৈতা
ঝুলিয়ে।
আমার সীমানার পাশেই সারি - সারি জ্যান্ত অনুভূতিগুলোর দাফন হবে ঝরে
পড়া শত - শত সন্ধ্যামালতীর মতন!
বৃষ্টি ঝরে পড়বে অভিমানে, মাটি ভিজিয়ে দিয়ে আবার পতিত হবে শ্যাওলা
জমাট পুকুরে।
সন্ধ্যা হতেই বাতাবিলেবু হাওয়ায় এলোমেলো হয়ে দুলতে থাকবে, সেই
হাওয়ায় অলুক্ষণে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে নারিকেলের ডাল কিংবা টপাটপ
গোটা কয়েক আম সীমানাপ্রাচীরেই পড়তে থাকবে।
নতুন কোন শীতের সকালে শিশিরে ভেজা থাকবে দূর্বাঘাস কিংবা উষ্ণ গরমে
ভাতঘুম দেবে গায়ের বধু।
লজ্জাবতী পাতা লজ্জায় তার শরীর গুটিয়ে নেবে শামুকের চলাচলে।
তারপর সকাল গড়িয়ে দুপুর বা বিষন্ন বিকেলের পর ধূপের ঘ্রাণ যুক্ত সন্ধ্যা,
কোজাগরী আকাশে চাঁদের সাথে মেঘের অশালীন প্রেম...!
সীমানার দেয়ালে লেখা থাকবে- "কবরস্থানের পবিত্রতা বজায় রাখুন।"
তুমি আসবে আমার গোরস্থানে, ডাকনামে ডাকবে তো আমায়?
 কবি ফয়জিয়া নুর
--নারী--
                                  
 
 
তুমি নারী!
তোমাকে ছাড়া চিন্তা করা যায় না জগৎ।
 
তুমি সুন্দর!
তোমার সৌন্দর্যতায় মুগ্ধ হয় সকল নর।
 
সৎ তুমি সাহসে!
ইতিহাসে তা সাক্ষী হয়ে আছে লিপিতে লিপিতে।
 
তুমি মমতাময়ী!
সন্তান পালন কিংবা স্বামীর যত্নে।
 
নারী তুমি ক্ষমতাধর!
বিপদ কিংবা সাইমুমে আগলে রাখো আপন ও পর।
 
তুমি ধৈর্যশীলা!
শত আঘাতেও আঁকড়ে রাখো তোমার জগৎ সংসার।
 
নারী তুমি ছাড়া শূন্য বসুন্ধরা!
তুমি বিনা হতো না বংশ পরম্পরা।
 
তুমি নেই কোথায়,
ছড়িয়ে দিয়েছ ধ্রুবতা সর্বত্রময়!
 
ভেবেছ তুমি মূল্যহীন?
না, তুমি ছাড়া হয়তোবা হতোই না ধরনী।
 
আমরা নারী, বিশ্বসংসার আমরা সাজিয়েছি।
আমরা ছিলাম, আছি, আমরা থাকবোই,
প্রত্যেক প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি আর প্রত্যেক জীবনের উপাখ্যানে।
উৎসর্গ প্রত্যেক নারীর তরে
 
 
---ফয়জিয়া নুর।
"জাতির পিতা"
                                  

শোনো তোমাদের গল্প বলি

অসীম তেজ আর সাহসীকতার।

কল্পনা নয়, সত্য ঘটনা;

গল্পটা এক জাতির পিতার।

 

অত্যাচার আর শোষক-তাড়না:

দেশটা যখন ডুবতে যাবে হয়েছিলো এক সূর্য উদয়,

আলোয় লিখা, `লড়াই হবে`!

 

ললাটে পড়েনি ভয়ের রেখা,

হৃদয়ে সাহস সুসংহত;

বজ্রকণ্ঠে ধ্বনিত হলো

`মুক্তির ডাক`, বৃষ্টির মতো।

 

৭ই মার্চে `সূর্যের তেজ`!

জনতা হলো দৃঢ় প্রতিজ্ঞ

"যায় যাবে প্রাণ, দেখবো না হয়,

গড়বো না হয় `রক্ত যজ্ঞ`।

 

প্রতি ঘরে হলো প্রতিধ্বনিত

বজ্রকণ্ঠী মুক্তি কিরণ,

ঝলসে দিলো সে জনতার রূপ-

" মুক্তির ডাক দিচ্ছে পীড়ন"।

 

 

এলো কৃষক, ছাত্র, শ্রমিক,

নারীদের পায়ে ক্ষিপ্রগতি।

বজ্রের ধ্বনি, ধ্বনিত কর্ণে;

ভীরু প্রস্তাবে অসম্মতি।

 

দিলো প্রতিজ্ঞা মানুষের মনে,

"আমরা নই তো মৃত্যুভীত-

বাঙালির জাতি মরতে জানে,

মৃত্যু যজ্ঞে সঞ্চারিত"।

 

নয় মাস ধরে যুদ্ধ হলো,

মুক্তি এলো প্রতিটি ঘরে

`মুক্তি পতাকা` থেকে গেলো শুধু

চার দেয়ালের অন্ধকারে।

 

নব সূর্য আজ উদিত হলো:

মুক্ত সে মাঠ, মুক্ত আকাশ,

মুক্ত হৃদয় মেললো চক্ষু,

মুক্ত জল আর মুক্ত বাতাস।

 

গল্প আমার শেষ হলো তবে।

সূর্যটা হলো বিশ্বনেতা,

আমাদের কাছে `বঙ্গবন্ধু`

কিংবা তোমার `জাতির পিতা`।

 

---ফয়জিয়া নুর।

অনুতপ্ত রাখালের গল্প
                                  


অনেকদিন আগের কথা। এক গ্রামে বাস করতো এক রাখাল। ছোট বেলায় গ্রামের স্কুলে লেখাপড়া করতো সে। পাড়ার ছেলেমেয়েদের মধ্যে বুদ্ধি আর দুষ্টুমিতে সেরা হলেও মন বসতো না কেবল পড়াশোনায়। সারাদিন দুষ্টুমি আর হৈ-হুল্লোর করে বেড়াতে ভালো লাগতো তার।
স্কুলের পন্ডিত মশাই পড়া দিলেও সেদিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ ছিল না রাখালের। পড়া না হলে পন্ডিত মশাইয়ের বেতের মাইর থেকে রেহাই মিলতো না কারো। করে রাখতেন বেঞ্চ বা পাকা মেঝের উপর নীল ডাউন। অন্যান্য পন্ডিত মশাইরাও মারতেন, কিন্তু ওই পন্ডিত মশাই মারতেন একটু বেশিই। রাখালকে পড়াশোনায় এগিয়ে নেয়ার জন্য চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না পন্ডিত মশাইয়ের। কিন্তু কিছুতেই পড়াশোনায় মনোযোগ ছিল না তার। একদিন ক্লাসেই পড়া পড়তে দিয়ে অফিস কক্ষে যান পন্ডিত মশাই। রাখাল দুষ্টুমি করে জোরে জোরে পড়তে থাকে- কলসি আন, কান্দা আন। কলসি আন, কান্দা আন।
পড়া হয়েছে কি না যাচাই করতে আবার ক্লাসে আসেন পন্ডিত মশাই। পন্ডিত মশাই যা দিয়েছেন তা না পড়ে রাখাল করছে দুষ্টুমি আর পড়ছে কলসি আন, কান্দা আন। এ আবার কেমন পড়া! এমনটি দেখে, দিলেন বেতের মাইর, মাইর খেয়ে রাখাল পন্ডিত মশাইকে গালি দিয়েই ভাঙা জানালা দিয়ে এক লাফেই পাড় হয়ে দেয় ভোঁদৌড়। পণ করেছে আর স্কুলে যাবে না সে। রাখালের বাবা জানতেন লেখাপড়া, করতেন কৃষিকাজ। ছিল বেশ কয়েকটি গরুও। ছেলেকে বুঝালেন শিক্ষক বাবা-মার চেয়ে অনেক বড়। বললেন, `বাপ-মা বানায় ভুত আর শিক্ষক বানায় পুত।` শিক্ষকের মাইর হলো আশির্বাদ। যাও বাবা, স্কুলে যাও। স্কুলের পথের ধারে ছিল বড় বড় দুটো জঙ্গল। বাবার কথা মতো স্কুলে যাওযা শুরু করলো রাখাল। কিন্তু সেখানে না গিয়ে ওই জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতো সে, খেলতো মার্বেল। স্কুল ছুটি হলে ফিরতো বাড়িতে। এভাবে চলছিল বেশ কিছুদিন। ছেলের স্কুল ফাঁকি দেওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে বাবা লাগিয়ে দেন তাকে গরু চরাতে।
যথেষ্ট জ্ঞান-বুদ্ধি ছিল রাখালের। বিশেষ করে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে আইন-কানুন বেশ ভালো জানতো সে। স্মরণশক্তি এতোটাই প্রখর ছিল যে, পড়তে কিংবা লেখতে না জানলেও কোনো কিছু পড়ে শোনালে কিংবা বললেই তা মনে রাখতো সে। চার দশকের বেশি সময় ধরে চরাঞ্চলে গরু চরানোয় সখ্যতা গড়ে ওঠে সেখানকার মানুষের সাথে। জমিজমা নিয়ে বিবাদ সৃষ্টি হলে জমির দলিল ও বিভিন্ন কাগজ পড়ে শোনালেই বলে দিতে পারতো কে বা কারা পাবেন সেই জমি। উকিলের কাছে বুুঝতে গেলেও মিলে যেত রাখালের দেওয়া রায়। সেই থেকেই রাখাল পরিচিতি পেয়ে যায় কানা উকিল হিসেবে। ডাকে জমিজমা নিয়ে শালিসে। শালিসে তার জ্ঞানগর্ভ কথা শুনে তাজ্জব বনে যান শিক্ষিতরাও। সবাই বলে, সেদিন পন্ডিতের মাইর হজম করে রাখাল যদি পড়াশোনাটা চালিয়ে যেতে পারতো তবে কানা উকিল নয়, হতে পারতো হয়তো সত্যিকারের একজন উকিল। পন্ডিত মশাইয়ের সাথে দুর্ব্যবহার ও স্কুল ছেড়ে দেওয়া নিয়ে অনুতপ্ত হয় রাখাল, আর ভাবে ইশ! কী ভুলটাই না করেছিলাম সেদিন। সংগ্রহ

এম এ মাসুদ
উপজেলা প্রতিনিধি
সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।

কবিগুরুর ৭৯তম প্রয়াণ দিবস আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাইশে শ্রাবণ। বাঙালির সংস্কৃতি সত্তার বাতিঘর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম প্রয়াণ দিবস। আজ থেকে ৭৯ বছর আগে ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে তার জীবনাবসান ঘটে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বর্ষা ঋতুকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। এই ঋতু নিয়ে তার অসংখ্য কবিতা, গান, ছোট গল্প, প্রবন্ধ রয়েছে। সেই বর্ষাতেই তিনি চির বিদায় নেন এই ধরাধাম থেকে।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পৌঁছে দিয়েছেন অনন্য উচ্চতায়। বিশ্ব দরবারে চিনিয়েছেন বাংলা ভাষাকে। ছিনিয়ে এনেছেন সাহিত্যের নোবেল। বাংলা ভাষার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়।

বাঙালির প্রাত্যহিক জীবনের সবকিছুর সঙ্গেই একটু একটু করে মিশে আছে রবীন্দ্রনাথ! গত দেড় শতাব্দী ধরে বাঙালির মানসপটে তার দাপুটে অবস্থান। তাকে বাদ দিয়ে বাঙালির চিন্তার ভূগোল, ভাবের প্রকাশ, রস আস্বাদন— কিছুই সম্ভব না। বাঙালি সত্তায় রবীন্দ্রনাথ সদা জাগ্রত। বাঙালি জীবনে যত ভাব-বৈচিত্র্যের সমারোহ, তার পুরোটাই তিনি ধারণ করেছেন তার গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, গান, স্মৃতিকথা আর দর্শনে।

কবিগুরুর ৭৯তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে করোনা সংকটের কারণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে কোনো অনুষ্ঠান থাকছে না। টেলিভিশন, রেডিও, দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজপোর্টালগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও কর্মের ওপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানসহ লেখা প্রকাশ করছে।

কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইন মারা গেছেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইন মারা গেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) মঙ্গলবার ভোরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও বিশিষ্ট লেখক মফিদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি রক্তের জটিলতায় ভুগছিলেন। দুই সপ্তাহ ধরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। অবস্থার অবনতি হলে সোমবার তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়।

রবিউল হুসাইন ১৯৪৩ সালে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় জন্মগ্রহণ করেন। কুষ্টিয়া শহরে স্কুল ও কলেজ জীবন শেষে বুয়েট থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

স্থপতি হওয়ার পাশাপাশি ষাটের দশক থেকেই তিনি লেখালেখির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখা ছাড়াও ষাটের দশকের পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রবণ ছোট কাগজে লেখালেখি করতেন। কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও শিশুতোষসহ গোটা পঁচিশেক বইয়ের লেখক তিনি। ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৮ সালে একুশে পদক পাওয়া এই কবি কাজ করেছেন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের জন্যও।

তার উল্লেখযোগ্য বই হলো- কী আছে এই অন্ধকারের গভীরে, আরও ঊনত্রিশটি চাঁদ, স্থিরবিন্দুর মোহন সংকট, কর্পূরের ডানাঅলা পাখি, আমগ্ন কাটাকুটি খেলা, বিষুবরেখা, দুর্দান্ত, অমনিবাস, কবিতাপুঞ্জ, স্বপ্নের সাহসী মানুষেরা, যে নদী রাত্রির, এইসব নীল অপমান, অপ্রয়োজনীয় প্রবন্ধ, দুরন্ত কিশোর, বাংলাদেশের স্থাপত্য সংস্কৃতি, নির্বাচিত কবিতা, গল্পগাথা, ছড়িয়ে দিলাম ছড়াগুলি ইত্যাদি।

বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট, জাতীয় কবিতা পরিষদ, কেন্দ্রীয় কচি কাঁচার মেলা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট, বঙ্গবন্ধু জাদুঘর, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সমালোচক ইত্যাদি সংস্থায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন রবিউল হুসাইন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য।

বাংলা একাডেমিতে কবি হায়াৎ সাইফকে শেষ শ্রদ্ধা
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

লেখক, কবি, প্রকাশক ও সংস্কৃতিজনরা শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালেন কবি হায়াৎ সাইফকে। ইউনাইটেড হাসপাতালের হিমাগার থেকে কবির লাশ গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নিয়ে আসা হয় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে। প্রথমে সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজীর নেতৃত্বে বাংলা একাডেমি শ্রদ্ধা জানায়। এরপর কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে কবি নজরুল ইন্সটিটিউট, জাতীয় কবিতা পরিষদ। শ্রদ্ধা নিবেদন পর্বে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শিরীন আখতার, অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ছিলেন রামেন্দু মজুমদার, কথাশিল্পী রশীদ হায়দার, কথাশিল্পী আবু সাঈদ জুবেরী। কবিদের মধ্যে ছিলেন জাহিদুল হক, কামাল চৌধুরী, আসাদ মান্নান, জাহাঙ্গীর ফিরোজ, সালেম সুলেরী, হালিম আজাদ, গৌরাঙ্গ মোহান্ত, তারিক সুজাত, আমিনুর রহমান। আরও ছিলেন লেখক আমিনুল ইসলাম বেদু। সাবেক ক‚টনীতিক মহিউদ্দিন আহমেদ, ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক আতাউর রহমান, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ, প্রকাশক নিশাত জাহান রানাও প্রয়াত কবির কফিনে ফুল দেন। কবির ছেলে জিসান সাইফ বাংলা একাডেমিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার বাবার লাশ নিয়ে যাওয়া হবে গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদে, সেখানে জানাজা শেষে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানান। আগামি ২০ মে সকাল ১১টায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে কবি হায়াৎ সাইফ স্মরণসভার আয়োজন করেছে বাংলা একাডেমি। কবি হায়াৎ সাইফের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী বলেন, কবি হায়াৎ সাইফ অত্যন্ত নিভৃতচারী একজন মানুষ ছিলেন। পাঠক হিসেবে এবং লেখক হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান একজন মানুষ। আমরা সেই মানুষকে হারালাম। শ্রদ্ধা জানানো শেষে কবি হায়াৎ সাইফ সম্পর্কে বলতে গিয়ে রামেন্দু মজুমদার বলেন, হায়াৎ সাইফ অত্যন্ত রুচিবান একজন ব্যক্তি ছিলেন। আমার সাহিত্য রুচি তৈরিতে ওর একটা অবদান ছিল। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে একই সঙ্গে ইংরেজি বিভাগে পড়লেও বাংলা সাহিত্যে আলাদা একটা ভালোবাসা ছিল। কবি তারিক সুজাত বলেন, হায়াৎ সাইফের হাত ধরে শুধু মৌলিক কবিতা নয় বরং অসাধারণ সব অনুবাদ কবিতাও আমরা পেয়েছি। আর এই কবি সংখ্যায় কম লিখলেও মানের দিক থেকে সবগুলো অনন্য। রোববার রাত ১২টা পাঁচ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান কবি একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি হায়াৎ সাইফ। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। কিডনি জটিলতাসহ দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছিলেন তিনি। ১৯৪২ সালে ঢাকায় জন্ম হায়াৎ সাইফের। সাইফুল ইসলাম খান সাহিত্যাঙ্গনে হায়াৎ সাইফ নামেই পরিচিত ছিলেন। গত শতকের ষাটের দশক থেকে লেখালেখির মাধ্যমে সাহিত্যাঙ্গনে হায়াৎ সাইফের প্রবেশ। ১৯৬২ সালে তার প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় তৎকালীন সমকালে। আর ১৯৮৩ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সন্ত্রাসে সহবাস’ প্রকাশিত হয়। তার ১৫টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে যার মধ্যে কবিতার সংকলন আটটি আর প্রবন্ধ সংকলন দুইটি। এ ছাড়া বিভিন্ন সাময়িকীতে তার অসংখ্য লেখাসহ ইংরেজি ও স্প্যানিশ ভাষায়ও তার কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। ১৯৯২ সালে তার লেখা সাহিত্য বিষয়ক সংকলন গ্রন্থ ‘উক্তি ও উপলব্ধি’ প্রকাশিত হয়। ২০০৪ সালে মাহবুব তালুকদারের সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশের সমসাময়িক গদ্য নিয়ে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয় তার ৭৫টি কবিতার সংকলন ‘প্রধানত স্মৃতি এবং মানুষের পথচলা’। ১৯৯৮ সালে দিব্য প্রকাশ থেকে ফয়জুল লতিফ চৌধুরীর সম্পাদনায় ‘ভয়েস অব হায়াৎ সাইফ’ নামে একটি ইংরেজিতে অনুদিত কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়, এতে সংকলিত হয়েছে ৪৫টি কবিতা। ২০০১ সালে পাঠক সমাবেশ থেকে ‘হায়াৎ সাইফ: সিলেক্টেড পয়েমস’ প্রকাশিত হয়। সাহিত্যে অবদানের জন্য কবি হায়াৎ সাইফ ২০১৮ সালে একুশে পদকে ভ‚ষিত হন। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ স্কাউটসের সাবেক জাতীয় কমিশনার (জনসংযোগ ও প্রকাশনা) এবং আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কাউটসের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া স্কাউটিংয়ে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি বিশ্ব স্কাউট সংস্থার সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড ‘ব্রোঞ্জ উলফ’ এবং বাংলাদেশে স্কাউটসের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড ‘রৌপ্য ব্যাঘ্র’ অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা হায়াৎ সাইফ কর্মজীবনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) সদস্য ও পরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। পারিবারিক জীবনে কবি হায়াৎ সাইফ তিন ছেলের জনক ছিলেন।

 

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলা কাব্য সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৩ মে। এই কিশোর কবি তাঁর অসাধারণ কাব্যশক্তি ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়/পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’ এবং ‘সাবাশ বাংলাদেশ/ এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়/ জ¦লেপুড়ে ছাড়খাড়/ তবু মাথা নোয়াবার নয়’-এই অমর পংক্তি রচনার মাধ্যমে বাংলা কবিতায় চির অমর হয়ে আছেন। স্কুল জীবন থেকেই কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য লেখালেখি শুরু করেন। তার কবিতা ও অন্যান্য লেখার মূলভাবনা হচ্ছে সাম্যবাদ ও প্রগতিশীল চিন্তাধারা। সমাজতন্ত্রের জন্যে কবি লড়াই করেন তার স্বল্পায়ু জীবনের সব লেখাতে।

কবি সুকান্তের প্রথম লেখা একটি গল্প ‘ সঞ্চয় ’ প্রকাশিত হয় স্কুল ম্যাগাজিনে। সেই থেকেই কবি লিখেছেন একাধারে কবিতা, গল্প এবং অন্যান্য মাধ্যমে। কলেজ জীবনে ‘ আকাল’ নামে একটি সংকলন সম্পাদনা করেন। এই সংকলনে তার বন্ধু সুভাষ মুখোপাধ্যায়, সলিল চৌধুরীসহ সে সময়ের অনেক লেখকরা লিখেছেন। লেখালেখির পাশপাশি কবি প্রগতিশীল রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৪৪ সালে কমিউনিষ্ট পার্টিতে যোগদান করেন। মৃত্যুর পর কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ ছাড়পত্র ’ প্রকাশিত হয়। এ ছাড়াও প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে সুকান্ত সমগ্র, গীতিগুচ্ছ ও অভিযান।
যক্ষারোগে আক্রান্ত হয়ে এই কবি কলকাতার একটি হাসপাতালে ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২১ বছর। কবি সুকান্তের পরিবারের আদি নিবাস বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। কবি ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলাকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

জাতীয় ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রতিপাদ্য ‘মানবিক বিশ্ব বিনির্মাণে রবীন্দ্রনাথ’। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দেন। এ বছর জন্মবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠান হয় রাজধানী ঢাকায়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে গতকাল বুধবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম সিমিন হোসেন রিমি এমপি। বিশেষ বক্তা হিসেবে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক ও শিক্ষক অধ্যাপক সনজীদা খাতুন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। স্বাগত ভাষণ দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল। রবীন্দ্র স্মারক বক্তা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক উপস্থিত ছিলেন। ‘মানবিক বিশ্ব বিনির্মাণে রবীন্দ্রনাথ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গতকাল বুধবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, প্রবন্ধ পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রভৃতি।এ উপলক্ষে টিএসসি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বেগম আকতার কামাল। বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ভীষ্মদেব চৌধুরী ও সংগীত বিভাগের চেয়ারপার্সন টুম্পা সমদ্দার আলোচনায় অংশ নেন। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নওগাঁর পতিসর এবং খুলনার দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় তাঁর ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে রবীন্দ্রমেলা, রবীন্দ্রবিষয়ক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে স্থানীয় প্রশাসন। বিশ^কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুষ্টিয়ার স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে তিনদিন ব্যপী অনুষ্ঠানমালার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া ১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য আকম সরওয়ার জাহান বাদশা। এর আগে উদ্বোধনী সংগীতের মাধ্যেমে সুভ সূচনা করা হয়। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও সংস্কৃতিক মন্ত্রনালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এছাড়াও ঢাকাসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোও যথাযথ কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করে। রবীন্দ্রনাথ ১২৬৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে তিনি পশ্চিমবঙ্গের জোড়াসাঁেকার ঠাকুর পরিবারে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘর আলো করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। রবীন্দ্র বিশেষঞ্জদের মতে এতবছর পরেও তিনি বাঙ্গালীর জীবনে প্রবাদের মত আছেন, আরো কয়েকদশক পরেও থাকবেন। তিনি চির নতুনের কবি, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের কবি। মৃত্যুহীন অনন্ত জীবনের সাক্ষর বয়ে যাবেন যুগ থেকে যুগান্তরে। রবীন্দ্রনাথ বাংলার কবি, বাঙ্গালীর কবি তবে তিনি নিজেকে বিশ্বচরাচরের অংশ হিসাবে বিশ্বাস করতেন। বাঙ্গালীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, তুমি নিছক বাঙ্গালী নও, তুমি বিশ্বচরাচরের অংশ। সকলের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রেমের মধ্যে বাঁচতে বলেছেন রবীন্দ্রনাথ। সঙ্গে যুক্ত করতে বলেছেন প্রণীজগৎ, নিসর্গ, প্রকৃতিকে। শুধু তাই নয়, শিল্পের জগৎ, কল্পনার জগতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজের বিস্তার ঘটাতে বলেছেন।

 

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮ তম জন্মবার্ষিকী আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী আজ পঁিচশে বৈশাখ। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে তিনি পশ্চিমবঙ্গের জোড়াসাঁেকার ঠাকুর পরিবারে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘর আলো করে জন্মগ্রহণ করেন।

রবীন্দ্র বিশেষঞ্জদের মতে, এতকাল পরেও তিনি বাঙ্গালীর জীবনে প্রবাদের মত আছেন, আরো কয়েক দশক পরেও থাকবেন। তিনি চির নতুনের কবি, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের কবি। মৃত্যুহীন অনন্ত জীবনের সাক্ষর বয়ে যাবেন যুগ থেকে যুগান্তরে।
রবীন্দ্রনাথ বাংলার কবি ,বাঙ্গালীর কবি তবে তিনি নিজেকে বিশ্বচরাচরের অংশ হিসাবে বিশ্বাস করতেন। বাঙ্গালীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, তুমি নিছক বাঙ্গালী নও, তুমি বিশ্বচরাচরের অংশ। ‘সকলের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রেমের মধ্যে বাঁচতে বলেছেন রবীন্দ্রনাথ। সঙ্গে যুক্ত করতে বলেছেন প্রণীজগৎ, নিসর্গ, প্রকৃতিকে। শুধু তাই নয়, শিল্পের জগৎ, কল্পনার জগতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজের বিস্তার ঘটাতে বলেছেন। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় ‘ যুক্ত করো হে সবার সঙ্গে, মুক্ত করো হে বন্ধ। সঞ্চার করো সকল কর্মে শান্ত তোমার ছন্দ। চরণপদ্মে মম চিত নিস্পন্দি করো হে। নন্দিত করো, নন্দিত করো, নন্দিত করো হে।’ প্রতিবছরের মত এবারও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নোবেল বিজয়ী এই বাঙ্গালি কবিকে স্মরণ করবে তার অগুনিত ভক্ত। শুধু দুই বাংলার বাঙালীই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলা ভাষাভাষীরা কবির জন্মবার্ষিকীর দিবসটি উদযান করবে হৃদয় উৎসারিত আবেগ ও শ্রদ্ধায়।
জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো:আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মানবিক বিশ্ব বিনির্মাণে রবীন্দ্রনাথ’।
এ বছর জন্মবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠান হবে রাজধানী ঢাকায়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আজ বুধবার বিকাল ৩ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম সিমিন হোসেন রিমি এমপি।
বিশেষ বক্তা থাকবেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক ও শিক্ষক অধ্যাপক সনজীদা খাতুন। স্বাগত বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল। রবীন্দ্র স্মারক বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থলের পাশে এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তিনদিনব্যাপী কবির চিত্রশিল্প প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়াও ঢাকাসহ কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নওগাঁর পতিসর এবং খুলনার দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় তাঁর ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে রবীন্দ্রমেলা, রবীন্দ্রবিষয়ক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এক’শ বছরেরও বেশী আগে বাঙ্গালী পাঠকদের প্রতি রবীন্দ্রনাথের জিঞ্জাসা ছিল আজি হতে শতর্বষ পরে /কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি / শত কৌতূহল ভরে / অথবা, আজি হতে শতর্বষ পরে/এখন করিছো গান সে কোন্ নুতন কবি /তোমাদের ঘরে !
কবির আশংকার জবাবে বলা যায় শত বছর পরে এখন অনেক নতুন কবি এসেছেন, নব নব সৃষ্টিতে প্রতিনিয়ত স্ফীত হচ্ছে আমাদের সাহিত্য এবং সংগীতের ভ‚বন। তারপরেও আমাদের রবীন্দ্রনাথ মাত্র একজন। এখনকার নবীনদের সৃষ্টির উৎসও তিনি। এখনো জীবনের সবকিছুতে হাত বাড়াতে হয় রবীন্দ্রনাথে। তাই কবির বসন্ত গান শতবছর পরেও ধ্বনিত হয় নবীন কবি আর পাঠকের বসন্ত দিনে।
কবির এই আশঙ্কা যে আসলে অমূলক তার প্রমান এখনো ঘটা করে কবির জন্মদিন পালন। শুধু তাই নয় পালিত হয়েছে তার সার্ধশত জন্মবার্ষিকী। লাখো কন্ঠে গাওয়া হয়েছে তাঁর লেখা ‘ আমার সেনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি ’। আমাদের নানা সংকট-আনন্দ-বেদনায়, আশা-নিরাশার সন্ধিক্ষণে রবীন্দ্র সৃষ্টি আমাদের চেতনায় বরাবর স্পর্শ করছে এবং করবে আরো বহু কাল।
রবীন্দ্রনাথ এখনও কেন প্রাসঙ্গিক-এ ব্যাপারে রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এমিরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, বাঙালীর এই কবি এমন একসময় জন্মগ্রহণ করেছিলেন যখন রাষ্ট্র ছিল পরাধীন, চিন্তা ছিল প্রথাগত ও অনগ্রসর, বাংলাভাষা ছিল অপরিণত।
তিনি বলেন,রবীন্দ্রনাথ একাধারে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বমানে উন্নীত করার পাশাপাশি জাতির চিন্তা জগতে আধুনিকতার উন্মেষ ঘটিয়েছেন। বাঙালীর মানস গঠনে পালন করেছেন অগ্রদূতের ভ‚মিকা। সত্য, সুন্দর, ন্যায় ও কল্যাণের পথে অভিসারী হয়ে ওঠার প্রেরণা যোগানোর মধ্যদিয়ে বাঙালী মননকে বিশ্বমানে উন্নীত করে জাতিকে আবদ্ধ করে গেছেন চিরকৃতজ্ঞতায়। একশত ৫৮ বছর পেরিয়েও কবি আমাদের মাঝে তাই চিরজাগরূক হয়ে আছেন।
রবীন্দ্র নাথ প্রথম নোবেল বিজয়ী বাঙ্গালী কবি। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলী কাব্য গ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভ‚ষিত হন। কবির গান-কবিতা, বাণী এই অঞ্চলের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তির ক্ষেত্রে প্রভ‚ত সাহস যোগায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে শুধু নয়, চিরকালই কবির রচনাসমূহ প্রাণের সঞ্চার করে। আমাদের প্রতিটি সংগ্রামেই কবির চিরায়ত রচনাসমগ্র আজীবন স্বরণেরর্ র্শীষতায় আবিষ্ট হয়ে আছে।
তাঁর লেখা ‘আমার সোনার বাংলা/আমি তোমায় ভালোবাসি’ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও প্রেরণা যুগিয়েছিল তাঁর অনেক গান।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় কর্মসূচি
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

আগামী ২৫ বৈশাখ (৮ মে, বুধবার) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে জাতীয়ভাবে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মানবিক বিশ্ব বিনির্মাণে রবীন্দ্রনাথ’। এ বছর জন্মবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠান হবে রাজধানী ঢাকায়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে এদিন বিকাল ৩ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম সিমিন হোসেন রিমি এমপি। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক ও শিক্ষক অধ্যাপক সনজীদা খাতুন। স্বাগত ভাষণ দেবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। রবীন্দ্র স্মারক বক্তা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থলের পাশে এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তিনদিনব্যাপী কবির চিত্রশিল্প প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকাসহ কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নওগাঁর পতিসর এবং খুলনার দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় তাঁর ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে রবীন্দ্রমেলা, রবীন্দ্রবিষয়ক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে স্থানীয় প্রশাসন। ঢাকাসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহ যথাযথ কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করবে। জাতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও অন্যান্য অনুষ্ঠানমালা বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি চ্যানেলসমূহ স¤প্রচার করবে।

হে জাতির পিতা তুমি বিদ্রোহি সেনা আজ তোমার জন্মদিন
                                  

নুসরাত হাসান মেঘা :

তুমি এসেছিলে ভবে সাম্যের বার্তা নিয়ে 
তোমার হুংকারে কেঁপেছিলো এই ভূবন,
তোমার প্রতিবাদী বজ্র ভাষায় 
সর্বদা সত্যের তেজ ছিলো প্রবণ। 

তোমার প্রেরণাই আজ বিশ্বমৈত্রীর তর্জমা
তুমি পূর্ণিমা চাঁদের পূর্ণ জ্যোৎস্না,
তোমার তুলনা আর পাবো কোথাও
তোমাতেই তোমার আপন গরিমা!

ধীরে ধীরে হয়ে যাচ্ছি পরাধীন
বড্ড মনে পড়ে তোমার ঋণ
হে জাতির পিতা তুমি বিদ্রোহি সেনা আজ তোমার জন্মদিনে হচ্ছে স্মরণ
শত শিশুর হাসির মাঝে করছি তোমায় বরণ।

কথা তোমার কথা নয় 
যেনো ছিলো সাম্যবাদের জঠর, 
তোমার ভাষনে-ই প্রাণ ফিরে পায় মানবতা
প্রয়াণে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা, তুমি চির অমর হে জাতির পিতা।
তোমায় জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা ।

মা-বাবার পাশেই শায়িত কবি আল মাহমুদ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ গ্রাম মৌড়াইলে মা-বাবার কবরের পাশেই শায়িত হলেন কবি আল মাহমুদ। গতকাল বাদ জোহর শহরের নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে জানাজার পরই মৌড়াইলে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয় কবি আল মাহমুদকে। জানাজা পরিচালনা করেন মাওলানা আশেক উল্লাহ ভ‚ইয়া। জানাজায় অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক হাজার মানুষ। এতে অংশ নিতে আজ সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসে কবির ভক্ত ও শুভাকাক্সক্ষীরা। এর আগে কবির পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছ থেকে দোয়া প্রার্থনা করা হয়। জানাজার পর কবি আল মাহমুদের মরদেহের কফিনে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন ব্যক্তিরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে মৌড়াইলে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে কবিকে দাফন করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দক্ষিণ মৌড়াইল মোল্লা বাড়িতে এসে পৌঁছায় কবির মরদেহ। গত ১৫ ফেব্রæয়ারি শুক্রবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কবি আল মাহমুদ। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন বড়। নিজ এলাকায় পিয়ারু মিয়া নামে পরিচিত ছিলেন এই কবি।

ফরিদপুরে পল্লী কবির জন্মবার্ষিকী পালন
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

ফরিদপুরে নানা আয়োজনে পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের ১১৬তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে ‘জসীম ফাউন্ডেশন’। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টায় সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে কবির মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে কবির বাড়ির প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা, কবির কবিতা থেকে পাঠের আয়োজন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ১৯০৩ সালে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে মামাবাড়িতে জন্ম জসীম উদ্দীনের। কবর, নিমন্ত্রণসহ অনেক স্মরণীয় কবিতা, সোজন বাদিয়ার ঘাট, নক্সি কাঁথাসহ অনেক কালজয়ী কাব্যগ্রন্থের জন্ম দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি। ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ৭৩ বছর বয়সে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।ওইদিনই ফরিদপুর সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের তার পৈত্রিক ভিটার ‘ডালিম গাছের’ তলায় কবিকে দাফন করা হয়। কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান- জেলা প্রশাসক ও জসীম ফাউন্ডেশনের সভাপতি বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলার পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খানসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়া দিনটি উপলক্ষে কবির প্রতিষ্ঠিত স্কুল আনসারউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একটি শোভাযাত্রা বের করে।এরপর তারা কবির কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। পরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে স্থানীয় সরকার বিভাগের ফরিদপুরের উপ-পরিচালক এরাদুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক রোকসানা রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি মুবাশ্বের হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফয়েজ শাহ নেওয়াজসহ অন্যানরা অংশ নেন।

কবি সৈয়দ শামসুল হকের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

সব্যসাচী লেখক, কথাশিল্পী, কবি সৈয়দ শামসুল হকের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার। কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার তার গুলশানের বাসভবনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের এই মেধাবী কবি ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেন। এর আগে তিনি প্রায় ৪ মাস লন্ডনের রয়্যাল মার্সডেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ফুসফুসের সমস্যা দেখা দিলে ২০১৬ সালের ১৫ এপ্রিল তাকে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার তার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, চলচ্চিত্র, গান, অনুবাদসহ সাহিত্যে-সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর সাবলীল লেখালখির জন্য তাঁকে ‘সব্যসাচী’ লেখক বলা হয়ে থাকে। তার লেখকজীবন প্রায় ৬২ বছরব্যাপী বিস্তৃত। সৈয়দ হক ১৯৩৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কবির সম্পর্কে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, বাঙালী মধ্যবিত্ত সমাজের আবেগ-অনুভ‚তি-বিকার সবকিছুই খুব সহজ কথা ও ছন্দে সৈয়দ হক তার লেখনীতে তুলে এনেছেন। তিনিই প্রথম নতুন উদ্দীপনায় মধ্যবিত্তের কথা ভালো করে বললেন এবং মধ্যবিত্ত জীবনের বিকারকেও ধরলেন। তাঁর আগের বড় লেখকেরা সকলেই গ্রামকেন্দ্রিক উপন্যাস বা গল্প লিখেছেন। কিন্তু তিনি তাঁর রচনায় সমসাময়িক বাংলাদেশকে তুলে এনেছেন। নাট্যব্যক্তিত্ব নাসিরউদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, নাট্যকার হিসেবেও সৈয়দ হক ছিলেন দারুণ সফল। বিশেষ করে তাঁর রচিত দুটি কাব্যনাট্য ‘নুরলদিনের সারাজীবন’ এবং ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ বাংলা নাটকে একটি বিশেষ স্থান দখল করে রয়েছে। কবি অধ্যাপক মোহাম্মদ সামাদ বলেন, সৈয়দ হক তাঁর কবিতা দিয়ে বারবার সাড়া ফেলেছেন। ১৯৭০ সালে প্রকাশিত তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘বৈশাখে রচিত পঙক্তিমালা’, আধুনিক সময়ের কোন কবির এত দীর্ঘ কবিতা বেশ বিরল। তার এই কাব্যগ্রন্থের কারণে তিনি তখন আদমজী পুরস্কার লাভ করেন। তার আরেক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘পরানের গহীন ভিতর’ দিয়ে তিনি তাঁর কবিতায় আঞ্চলিক ভাষাকে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর প্রথম লেখা একটি গল্প, যা ১৯৫১ সালে ফজলে লোহানী সম্পাদিত ‘অগত্যা’ নামে একটি ম্যাগাজিনে ছাপা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দেয়ালের দেশ’ প্রকাশিত হয় ১৯৫৬ সালে। ১৯৬৬ সালে তিনি মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদক এবং ২০০০ সালে স্বাধীনতা পদকে ভ‚ষিত করেন। তিনি ১৯৫৯ সালে ‘মাটির পাহাড়’ চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লিখেন। এরপর তোমার আমার, শীত বিকেল, কাঁচ কাঁটা হীরে, পুরস্কার, ক খ গ ঘ ঙ, বড় ভাল লোক ছিল’সহ আরও বেশ কিছু চলচ্চিত্রের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেন।‘ বড় ভাল লোক ছিল’ ও ‘পুরস্কার’ এ দুটি চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লেখার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রের জন্য গানও রচনা করেছেন। এখানেও তিনি সফল হয়েছেন এবং পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তিনি ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ ত্যাগ করে লন্ডন চলে যান এবং সেখানে বিবিসির বাংলা খবর পাঠক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ১৬ ডিসেম্বর পরাজিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসর্মপণের খবরটি পাঠ করেছিলেন তিনি। পরে ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বিবিসি বাংলার প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় সৈয়দ শামসুল হক স্বরণে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে এবং পরে সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ মঞ্চস্থ করবে। ২৯ তারিখে একাডেমির উদ্যোগে মঞ্চস্থ করবে নাটক ‘হেমলেট’। কবির সহ-ধর্মিনী কথা শিল্পী আনোয়ারা সৈয়দ হক গতকাল বুধবার জানান, সৈয়দ হকের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর গুলশান-১’এর বাসভবন ‘মঞ্জুবাড়ি’তে বিকেল তিনটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পরিবার, কবির বন্ধু-স্বজন ও প্রকাশকদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সৈয়দ হকের নতুন তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হবে। থাকবে স্মৃতিচারণ, আলোচনা, কবির কবিতা থেকে আবৃত্তি, সৈয়দ হকের লেখা গান পরিবেশন।

কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্যদিয়ে কাল তার মুত্যুবার্ষিকী পালন করবে। কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা। তার জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে। সে সময় বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা করেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে মহীয়সী এ নারীর জীবনাদর্শ ও সাহিত্যকর্ম একটি বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে কবি বেগম সুফিয়া কামালের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পচাঁত্তরের পনেরই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন এদেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল। সুফিয়া কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে কবি যোগ দেন। বেগম সুফিয়া কামাল শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর সুফিয়া কামাল মৃত্যুবরন করেন। তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যদায় সমাহিত করা হয়। বাংলাদেশের নারীদের মধ্যে তিনিই প্রথম এ সন্মান লাভ করেন। সুফিয়া কামালের লেখা কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন, দিওয়ান, অভিযাত্রিক ইত্যাদি। ‘কেয়ার কাঁটা নামে একটি গল্পগ্রন্থ ছাড়াও তিনি ভ্রমন কাহিনী, স্মৃতি কথা শিশুতোষ এবং আত্মজীবনীমূলক রচনাও লিখেছেন।


   Page 1 of 2
     সাহিত্য
~গোরস্থান~
.............................................................................................
--নারী--
.............................................................................................
"জাতির পিতা"
.............................................................................................
অনুতপ্ত রাখালের গল্প
.............................................................................................
কবিগুরুর ৭৯তম প্রয়াণ দিবস আজ
.............................................................................................
কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইন মারা গেছেন
.............................................................................................
বাংলা একাডেমিতে কবি হায়াৎ সাইফকে শেষ শ্রদ্ধা
.............................................................................................
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত
.............................................................................................
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮ তম জন্মবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় কর্মসূচি
.............................................................................................
হে জাতির পিতা তুমি বিদ্রোহি সেনা আজ তোমার জন্মদিন
.............................................................................................
মা-বাবার পাশেই শায়িত কবি আল মাহমুদ
.............................................................................................
ফরিদপুরে পল্লী কবির জন্মবার্ষিকী পালন
.............................................................................................
কবি সৈয়দ শামসুল হকের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
কথাশিল্পী হুমায়ুন আহমেদের জন্মদিন পালিত
.............................................................................................
আজ কথাশিল্পী হুমায়ুন আহমেদ’র ৭১তম জন্মদিন
.............................................................................................
মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতীয় কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা
.............................................................................................
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৭তম মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার
.............................................................................................
তবুও বৃষ্টি আসুক : শফিকুল ইসলাম
.............................................................................................
জাতীয় কবির সমাধিতে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা
.............................................................................................
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী শুক্রবার
.............................................................................................
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী আজ
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে ৩দিন ব্যাপী বই মেলার উদ্বোধন
.............................................................................................
এখনও শীর্ষে হুমায়ূন
.............................................................................................
কথাসাহিত্যিক শওকত আলী আর নেই
.............................................................................................
আজ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪তম জন্মদিন
.............................................................................................
কবি শফিকুল ইসলামের জীবনী
.............................................................................................
শহর ছাড়ার নোটিশ
.............................................................................................
কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আবদুল মালেক, সুগ্ম সম্পাদক: মো: জাহাঙ্গীর আলম শাহ। সম্পাদক কর্তৃক ২৪৪ (২য় তলা), ৪নং জাতীয় স্টেডিয়াম, কমলাপুর, ঢাকা-১২১৪
থেকে প্রকাশিত এবং স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
মোবাইল: ০১৮৪১৭৪৯৮২৪, ০১৮৪১৭৪৯৮২৫ ই-মেইল: ই-মেইল: noboalo24@gmail.com,
bmengineering77@gmail.com, ওয়েবসাইট www.dailynoboalo.com


   All Right Reserved By www.dailynoboalo.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop    
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale