বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর 2020 | ,২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জেলা সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
লাকসামে ২০ হাজার পরিবারের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী

কুমিল্লার লাকসামে ২০ হাজার গরীব, অসহায় মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি’র নির্দেশক্রমে আজ বুধবার থেকে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে এসব খাদ্যসামগ্রী। 

জানা যায়, চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশের ন্যায় লাকসামের শ্রমজীবি মানুষরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও স্বল্প আয়ের মানুষ, ভিক্ষুক, ছিন্নমূল ও পথশিশুদের দুর্দিন যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি লাকসামের সমস্যাগ্রস্ত মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের তাদের পাশে সাহায্য নিয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। 

এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীসহ লাকসামের জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে ফান্ড গঠন করে ২০ হাজার গরীব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

আজ বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ কার্যক্রম শুরুর পর লাকসাম পৌরসভা ও উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে সমস্যাগ্রস্থ মানুষদের বাড়ি বাড়ি এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি পরিবারকে প্রদত্ত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- চাল ১০ কেজি, আটা ৪ কেজি, আলু ৪ কেজি, পেঁয়াজ দেড় কেজি, ডাল দেড় কেজি, সয়াবিন তেল ১ লিটার ও সাবান ১টি। প্যাকেট আকারে একসাথে কমপক্ষে ১০দিনের খাদ্যসামগ্রী পেয়ে খুশি শহর ও গ্রামীন জনপদের প্রতিটি সুবিধাবঞ্চিত পরিবার। 

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম মনিটরিং করছেন লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউনুছ ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.কে.এম সাইফুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পড়শী সাহা, পৌর মেয়র অধ্যাপক আবুল খায়ের, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম হিরাসহ পৌর কাউন্সিলর ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ। 

একসাথে লাকসামের ২০ হাজার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে কমপক্ষে ১০দিনের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন স্থাণীয় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

লাকসামে ২০ হাজার পরিবারের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী
                                  

কুমিল্লার লাকসামে ২০ হাজার গরীব, অসহায় মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি’র নির্দেশক্রমে আজ বুধবার থেকে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে এসব খাদ্যসামগ্রী। 

জানা যায়, চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশের ন্যায় লাকসামের শ্রমজীবি মানুষরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও স্বল্প আয়ের মানুষ, ভিক্ষুক, ছিন্নমূল ও পথশিশুদের দুর্দিন যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি লাকসামের সমস্যাগ্রস্ত মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের তাদের পাশে সাহায্য নিয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। 

এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীসহ লাকসামের জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে ফান্ড গঠন করে ২০ হাজার গরীব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

আজ বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ কার্যক্রম শুরুর পর লাকসাম পৌরসভা ও উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে সমস্যাগ্রস্থ মানুষদের বাড়ি বাড়ি এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি পরিবারকে প্রদত্ত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- চাল ১০ কেজি, আটা ৪ কেজি, আলু ৪ কেজি, পেঁয়াজ দেড় কেজি, ডাল দেড় কেজি, সয়াবিন তেল ১ লিটার ও সাবান ১টি। প্যাকেট আকারে একসাথে কমপক্ষে ১০দিনের খাদ্যসামগ্রী পেয়ে খুশি শহর ও গ্রামীন জনপদের প্রতিটি সুবিধাবঞ্চিত পরিবার। 

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম মনিটরিং করছেন লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউনুছ ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.কে.এম সাইফুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পড়শী সাহা, পৌর মেয়র অধ্যাপক আবুল খায়ের, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম হিরাসহ পৌর কাউন্সিলর ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ। 

একসাথে লাকসামের ২০ হাজার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে কমপক্ষে ১০দিনের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন স্থাণীয় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

রংপুর এলজিইডি: ১০ বছরে হাজার কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন
                                  

রংপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ১ দশকে (২০০৯-১৮) পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৪৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। যা আগের কয়েক দশকের কাজের সঙ্গে তুলনা করলে তা কয়েকগুণ বেশি।

সবচেয়ে বেশি সাফল্য এসেছে পল্লী সড়ক উন্নয়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, বৃহৎ সেতু-কালভার্ট নির্মাণ এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণে। এছাড়াও দশ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে সোস্যাল সেফটিনেসসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নানা কল্যাণকর প্রকল্প।

এদিকে এলজিইডি’র কাজের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও বাড়েনি লোকবল। তবুও নির্দিষ্ট মেয়াদে সম্পন্ন হচ্ছে প্রতিটি প্রকল্প। এজন্য এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আখতার হোসেন সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্য, তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সবার আন্তরিকতায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, অনেক উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে এবং নতুন বছরেও আরো অনেক কাজের পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন।

স্থানীয় এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শুরু থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৩৭ বছরে ৪৩৪ কিলোমিটার পল্লী সড়কের উন্নয়ন হয়েছে। গড় করলে দেখা যায়, প্রতি বছরে কাজ হয়েছে ১১ দশমিক ৭২ কিলোমিটার করে। ১শ মিটারের উপরে বৃহৎ সেতু নির্মিত হয়েছে ৭টি (৭৪০ মিটার)। প্রতি বছরে নির্মিত হয়েছে ২০ মিটার করে। সেতু ও কালভার্ট নির্মিত হয়েছে ১ হাজার ৩২ মিটার। গড় করলে প্রতিবছরে নির্মিত হয়েছে ২৭ দশমিক ৮৯ মিটার। ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মিত হয়েছে ৩১টি। প্রতি বছরে হয়েছে ০ দশমিক ৮৩ টি। গ্রোথ সেন্টার হাটবাজার নির্মিত হয়েছে ১৬টি। প্রতিবছরের গড় দাঁড়ায় ০ দশমিক ৪৩টি। প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষা অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে ২৫৩টি। প্রতি বছরে হয়েছে ৬ দশমিক ৮৩টি। 

এছাড়াও ওই সময়ে সড়কের রক্ষাণাবেক্ষণের কাজ হয়েছে ৮৮ কিলোমিটার। গড়ে প্রতি বছরে হয়েছে ২ দশমিক ৩৭ কিলোমিটার করে।

এদিকে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে পল্লী সড়কের উন্নয়ন হয়েছে ৮৭২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার। যা বিগত ৩৭ বছরের চেয়ে শতকরা ৭ দশমিক ৪৪ গুণ বেশি। ১শ মিটারের উপরে বৃহৎ সেতু নির্মিত হয়েছে ৯টি (১৭১৫ মিটার)। যা বিগত বছরের চেয়ে শতকরা ৮ দশমিক ৫৮ গুণ বেশি। সেতু ও কালভার্ট নির্মিত হয়েছে ২ হাজার ৭৫৩ মিটার। যা বিগত দিনের চেয়ে শতকরা ৯ দশমিক ৮৭ গুণ বেশি। ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মিত হয়েছে ৪০টি। যা আগের চেয়ে শতকরা ৪ দশমিক ৮২ গুণ বেশি। গ্রোথ সেন্টার হাটবাজার নির্মিত হয়েছে ৪১টি। যা বিগত ৩৭ বছরের চেয়ে শতকরা ৯ দশমিক ৫৩ গুণ বেশি।  প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষা অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে ৪৮৩টি। যা আগের চেয়ে শতকরা ৭ দশমিক ০৭ গুণ বেশি। সড়কের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়েছে ১ হাজার ৩৩২ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার। যা বিগত সময়ের চেয়ে শতকরা ৫৬ দশমিক ২৪ গুণ বেশি। এই সময়ে যোগ হয়েছে নতুন নতুন প্রকল্প। এগুলোর আওতায় নির্মিত হয়েছে ৪টি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, ৫টি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এবং ২৩টি অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা নিবাস। এছাড়াও ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জেলার ৮ হাজার কৃষিজমি পানি সেচের আওতায় আনা হয়েছে। মাছ চাষ এবং খরা মৌসুমে সম্পূরক সেচের জন্য ৪২টি খাল খনন করা হয়েছে। আবাদি জমি রক্ষায় বাঁধ নির্মিত হয়েছে ২২টি এবং স্লুইস-রেগুলেটর-রাবার ড্যাম নির্মিত হয়েছে ১২টি। এই প্রকল্পগুলোর অনেক কাজ এখনও চলমান আছে বলে জানা গেছে।

রংপুর এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আখতার হোসেন বলেন, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে আরো অনেক বেশি কাজ করার সুযোগ আছে। তারপরও ১০ বছরে রংপুরে যে পরিমাণ কাজ হয়েছে তা গ্রামীণ জনগোষ্ঠী জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মনে করেন।

আগামীতে আরো ব্যাপক কাজ শুরু হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে শুধু রংপুর বিভাগ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৫শ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। যা আগামী ৫ বছর চলবে। এছাড়া তিনি আরও বলেন, অগ্রাধিকারভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পটি শেষ হয়ে গেছে। তা আবার চালুর অপেক্ষায় রয়েছে। এটি মূলত সংসদ সদস্যদের বরাদ্দ প্রাপ্তিসাপেক্ষে পরিচালিত হয়। গতবার ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল একজন সংসদ সদস্যের। ফলে রংপুরে ৬টি সংসদীয় এলাকায় ১২০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। এবার এই টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জামালপুরে একটি ব্রিজের অভাবে দুর্ভোগে ১২ গ্রামবাসী
                                  

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর নয়াপাড়া খালের বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে ১২ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। এসব এলাকার শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও ইজিবাইক চালকরা বছরের পর বছর ঝুঁকিপূর্ণ এই কাঠের সাঁকোয় চলাচল করলেও একটি ব্রিজ নির্মাণে কোনো উদ্যোগ নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। তবে গুরুত্বপুর্ণ এই সড়কে ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে এলজিইডির প্রকৌশলী।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, মেলান্দহ উপজেলার মাহদপুর-চরগোবিন্দি সড়কের নয়াপাড়া খালের বাঁশের সাঁকোটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিনি হাজারো মানুষ পারাপার হচ্ছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকোটি পশ্চিম নয়াপাড়া, চরমাহমুদপুর, চরগোবিন্দি, আজিমপুর, কাজলা, ব্রহ্মত্তোর, চরখাবুলিয়া, মাঝবাড়ি, মধ্যপাড়া ছাড়াও ইসলামপুরের কাঠমা, মাদারগঞ্জের কোয়েলিকান্দি ও বগুড়ার মানিকদারসহ ১২টি গ্রামের মানুষ ও ৬টি হাট-বাজারের ব্যবসায়ীদের যাতায়াতের একমাত্র সাঁকো।

ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকোটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে আসছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। ব্রিজ না হওয়ায় যাত্রী নামিয়ে কোনোমতে ইজিবাইক চলাচল করলেও অন্য কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। অনেক সময় ইজিবাইক উল্টে খালে পড়ে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। এতে যাতায়াতে চরম বিপাকে পড়তে হয় এলাকার সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের।

এছাড়া এসব গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত ও ব্যবসায়ীরা মালামাল আনা নেয়া করতে দূর্ভোগের পাশাপাশি ৩ থেকে চার অতিরিক্ত মাশুল গুনতে হয়।
একই উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের বীরশগুনা গ্রামের ব্রিজ না থাকায় দুই গ্রামের হাজারো মানুষকে বাঁশের সাঁকোতে ঝুকিঁ নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে বছরের পর বছর।

মেলান্দহ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইড়ি) উপজেলা প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেছেন, মাহমুদপুর-চরগোবিন্দি সড়কটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই সড়কের নয়াপাড়া খালের উপর একটি ব্রিজ নির্মাণে পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রæত সময়ের মধ্যে সদর দপ্তরে একটি প্রস্তাবনা পাঠানে হবে।

মনোহরগঞ্জের নতুন ইউএনও শামীম বানু শান্তি
                                  

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন শামীম বানু শান্তি। তিনি এ উপজেলার ১৪ তম নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বুধবার যোগদান করেলেন। 

এর আগে তিনি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কেরানীগঞ্জ উপজেলায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মনোহরগঞ্জে আসার আগে তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিআইডব্লিউটিএতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে ২৮ তম বিসিএসে তিনি প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ২ সন্তানের জননী। তার স্বামী বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। দায়িত্ব পালনে তিনি মনোহরগঞ্জবাসীর সহযোগীতা কামনা করেছেন।

মাস্তান, গুন্ডা, চাঁদাবাজরা যুবলীগে থাকতে পারবে না : ভূমিমন্ত্রী
                                  

 ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এমপি বলেছেন, গুন্ডা, মাস্তান, চাঁদাবাজরা যুবলীগে থাকতে পারবে না। তিনি সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক ঐক্য গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
আজ ঈশ^রদীর পাকশি রেলওয়ে মাঠে বাংলাদেশ যুবলীগের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, সুখী সমৃদ্ধশালী আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। তেমনি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হিংসা-বিদ্বেষ ও জঙ্গিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তোলার জন্য তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। 
মন্ত্রী যুবকদের খেলাধুলার প্রতি মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, খেলাধুলা যুবকদের অসৎ কাজ থেকে বিরত রেখে সুসংগঠিত করবে।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে ঈশ^রদী উপজেলা চেয়ারম্যান মখলেছুর রহমান মিন্টু, প্যানেল চেয়ারম্যান মাহজেবিন শিরীন পিয়া, চান্না মন্ডল, পাকশি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুল ইসলাম হকবুল, সাধারণ সম্পাদক বাবু মন্ডল, ঈশ^রদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রশিদুল্লাহ, গোলজার হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

ভবন হেলে কাপ্তাই হ্রদে, নিহত ৩
                                  

রাঙামাটি শহরের সরকারি মহিলা কলেজ সড়কে একটি দ্বিতল ভবন কাপ্তাই হ্রদে হেলে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- জাহিদুল ইসলাম (৪০), উম্মে হাবিবা (২২) ও পিংকি (১৩)।

ফায়ার সার্ভিস স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুটি পরিবারের দুই নারী ও দুই পুরুষ সদস্য এবং এক কিশোরীকে বের করে আনে। এরপর তাদের রাঙামাটি সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আরো একজন মারা যায়।

আরো অন্তত ছয়জন ওই ভবনে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৫টায় রাঙামাটি সদরে মহিলা কলেজ সড়কের হ্রদের পাড়ে অবস্থিত নইমউদ্দিন টিটু ঠিকাদারের মালিকানাধীন দ্বিতল ভবনটি হেলে পড়তে শুরু করে। মাত্র ১০ মিনিট সময়ের মধ্যে ভবনটির নিচতলা পুরোটাই হ্রদের পানির নীচে চলে যায়।

এ সময় ভবনের দুটি ফ্লোরে অন্তত চারটি পরিবার আটকা পড়ে। তবে পাশের একটি নারিকেল গাছের কারণে পুরো ভবন তলিয়ে যেতে পারেনি। তখন ভবনের কয়েকজন বাসিন্দা বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

ঘটনাস্থলে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান উপস্থিত থেকে উদ্ধার প্রক্রিয়া তদারকি করছেন। তবে রাত হওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

টঙ্গীর ট্যাম্পাকোর অগ্নিকাণ্ড, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪
                                  

টঙ্গীর ট্যাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ মনোয়ার হোসেন (৩৮) নামে আরও একজন মারা গেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির নর্দান হাসপাতালে তিনি মারা যান। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৪ জনে।
মনোয়ার হোসেন ট্যাম্পাকো কারখানার লেদ সেকশনের ইনচার্জ ছিলেন। তিনি শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার আনাখন্দ গ্রামের উদ্দিন দেওয়ানের ছেলে।
নিহত ৩৪ জনের মধ্যে ২৭ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৪ জন।
আজ বুধবার দুপুরে দুর্ঘটনাস্থলের পাশে স্থাপিত জেলা কন্ট্রোল রুম সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
নিহতরা হলেন, টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার ভেংগুলা গ্রামের কৃষ্ণ প্রসাদের ছেলে সুভাষ চন্দ্র প্রসাদ (৩৫), ভোলার দৌলতখান গ্রামের জবুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪০), ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার কাকচুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৮), একই জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার সরিষা গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাশেদ (২৫), চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার রুহিতারপাড় গ্রামের মৃত খালেক মাস্টারের ছেলে আব্দুল হান্নান (৬৫)।
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারি থানার মানিককাজী গ্রামে নিজাম উদ্দিনের ছেলে ইদ্রিস আলী (৪০), ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার বড়বাহ্রা গ্রামের মৃত নবদীপ দাসের ছেলে গোপাল দাস (২৫), একই থানার চরমানপুর গ্রামের নিতাই সরকারের ছেলে শংকর সরকার (২৫), পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার পশ্চিম ফুলজুড়ি গ্রামের মৃত ইনজাম উদ্দিন আজাদের ছেলে আল মামুন (৪০), সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার সুন্দিসাই গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে এনামুল হক (৩৮), কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার আস্তাফলা গ্রামে করিম বক্সের ছেলে সোলাইমান (৩৫), টাঙ্গাইল সদরের মধুপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আনিছুর রহমান (৫০), একই এলাকার মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে ওয়ালি হোসেন (৩৫), ভোলার দৌলতপুর থানার লেজপাড়া গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মাইন উদ্দিন (৩৫)।
সিলেটের গোলাপগঞ্জের সুন্দিসাড়ি গ্রামের তনজিদ আলীর ছেলে সাইদুর রহমান (৫০), টাঙ্গাইল সদরের মধুপুর গ্রামের মৃত মচর আলীর ছেলে হাসান সিদ্দিকী (৫০), চট্টগ্রামের সন্দিব এলাকার মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে মামুন ওরফে ক্লিনার মামুন (৪০), সিলেটের মিবগঞ্জ সোনাপাড়া এলাকার আব্দুল আহাদের ছেলে মিজানুর রহমান (২৫), হবিগঞ্জের চুনারঘাট থানার বনদশক্যানপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে রোজিনা, বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ থানার আদর্শপাড়া এলাকার মৃত মুকুল চন্দ্র দাসের ছেলে রিপন দাস (৩০)।
ও শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থানার উত্তর মহিষা গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪০), সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার  মুরাদনগর এলাকার ওয়াহিদুজ্জামান তপন (৩৬), শেরপুরের শ্রীবর্দী থানার পুরাঘর এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৫০), হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার আদমপুর এলাকার হাবিবুর রহমানের মেয়ে তাহমিনা আক্তার (২০), ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার পাবাডুবি এলাকার রসি মিয়ার ছেলে আশিক (১৪) ও মনোয়ার হোসেন (৩৮)।
অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তারা হলেন, মাগুরা সদরের চনপুর ইগরন গ্রামের আব্দুস ছালেক মোল্লার ছেলে কাজিম উদ্দিন (৩৬), টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের উকলমি গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে জহিরুল ইসলাম (৩৭), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার শিবপুর আবু তাহেরের ছেলে রিয়াদ হোসেন মুরাদ, একই গ্রামের সুলতান গাজীর ছেলে আনিসুর রহমান (৩০), কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার মেসেরা গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪০)।
চাঁদপুরের কচুয়া থানার পলাখান গ্রামে ইউসুফ পাটোয়ারীর ছেলে নাসির পাটোয়ারি, কুমিল্লার মুরাদনগর খানার টনকি গ্রামের তোফায়েল হোসেনের ছেলে মামুস আহমেদ (৩০), ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার ভীমনগর গ্রামের মোজাম মোল্লার ছেলে চুন্নু মোল্লা, সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার দক্ষিণ ফানিশাইল গ্রামের হাজী আব্দুল করিমের ছেলে রেদোয়ান আহমেদ ও সিলেটের বিয়ানীবাজার থানার আলীনগর গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে জয়নুল ইসলাম।

ঈদের দিনেও ট্যাম্পাকোতে উদ্ধারকাজ
                                  
অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুরের টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীতে ট্যাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের কারখানার ধ্বংসাবশেষ সরাতে মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঈদুল আজহার দিনেও কাজ করেছেন সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। 

মঙ্গলবার সকাল থেকে ট্যাম্পাকোর কারখানার ধ্বংসাবশেষ সরাতে কাজ শুরু করেন সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া সেনা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানান, কারখানার অভ্যন্তরে ইথাইলের ড্রামগুলো বিস্ফোরণের আশঙ্কায় সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে।

গত শনিবার সকাল ৬টার দিকে ট্যাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের কারখানায় গ্যাস সঞ্চালন লাইন বিস্ফোরিত হয়। আগুনে কারখানার ছাদ ও দেয়াল ধসে পড়ে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ট্যাম্পাকোর কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৩৪ জন আহত ও ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম মাহমুদ হাসানের নেতৃত্বে সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে একটি দল ট্যাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের কারখানার ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ শুরু করেন।

এ কারখানার ধ্বংসাবশেষ সরাতে কত সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম মাহমুদ হাসান সোমবার জানিয়েছিলেন, ‘কত সময় লাগবে, এটা বলা মুশকিল। আগে বলেছি যে, এটা (গার্বেজ) রানা প্লাজার চেয়ে অনেক বেশি। এখানে গার্বেজ (ধ্বংসাবশেষ) যেগুলো জমে আছে, তা ব্যবস্থাপনায় আমাদের মাসের ওপর সময় লাগবে। দুই মাসও লাগতে পারে।’

 

ট্যাম্পাকো অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৮ জনের নাম প্রকাশ
                                  

টঙ্গীতে ট্যাম্পাকো কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতের মধ্যে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয় ১৯ জন। এর মধ্যে ১৮ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। অপরজন অজ্ঞাত।

টঙ্গী ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পারভেজ হোসেন জানান, ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাসপাতালে ১৯টি মৃতদেহ আনা হয়। এর মধ্যে ১৮ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

এরা হলেন- টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার ভেংগুলা গ্রামের কৃষ্ণ প্রসাদের ছেলে সুভাষ চন্দ্র প্রসাদ, ভোলার দৌলতখান গ্রামের জবুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার কাকচুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে রফিক, একই জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার শরিষা গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাশেদ (২৫), চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানার রুহিতারপাড় গ্রামের মৃত খালেক মাস্টারের  ছেলে আব্দুল হান্নান, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থানার মানিককাজী গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ইদ্রিস আলী (৪০), ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার বড়বাহা গ্রামের মৃত নবদীপ দাসের ছেলে গোপাল দাস (২৫), একই থানার চরমানপুর গ্রামের নিতাই সরকারে ছেলে শংকর সরকার, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার পশ্চিম ফুলজুড়ি গ্রামের মৃত ইনজাম উদ্দিন আজাদের  ছেলে আল মামুন (৪০), সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার সুন্দিসাই গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে এনামুল হক (৩৮), কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার আস্তাফলা গ্রামে করিম বক্সের ছেলে সোলায়মান (৩৫), টাঙ্গাইল সদরের মধুপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আনিছুর রহমান (৫০), একই এলাকার মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে ওয়ালি হোসেন (৩৫), ভোলা দৌলতখান থানার লেজপাড়া গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মাইন উদ্দিন (৩৫), সিলেটের গোলাপগঞ্জের সুন্দিসাড়ি গ্রামের তানজিদ আলীর ছেলে সাইদুর রহমান (৫০), টাঙ্গাইল সদরের মধুপুর গ্রামের মৃত মচর আলীর ছেলে হাসান সিদ্দিকী (৫০), চট্টগ্রামের সন্দীপ এলাকার মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে মামুন এবং হবিগঞ্জের চুনারঘাট থানার পমদশপ্যানপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে রেজিনা। অপরজন অজ্ঞাত।

টঙ্গীতে বয়লার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১
                                  

গাজীপুরের টঙ্গী বিসিক শিল্প নগরীতে প্যাকেজিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। ট্যাম্পাকো ফয়েলস নামে এই কারখানায় নিহতদের মধ্যে ১৫ জনের লাশ টঙ্গী হাসপাতালে রয়েছে। চারজনের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং দুজনের লাশ উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।
নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- জয়নাল আবেদিন (অপারেটর), আনোয়ার হোসেন (অপারেটর), শংকর (ক্লিনার), রেদোয়ান (দারোয়ান), জাহাঙ্গীর (নিরাপত্তাকর্মী), হান্নান মিয়া (নিরাপত্তাকর্মী), রফিকুল ইসলাম (শ্রমিক), ইদ্রিস, আল মামুন, নয়ন, সুভাষ, জাহিদুল, রাশেদ (রিকশাচালক)।
আজ শনিবার সকাল ৬টায় অগ্নিকাণ্ডের পর তা নেভাতে জয়দেবপুর, টঙ্গী, কুর্মিটোলা সদর দফতর, মিরপুর ও উত্তরাসহ আশে-পাশের ফায়ার স্টেশনের কর্মীরা কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন জয়দেবপুর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. রফিকুজ্জামান।
বেলা সোয়া ১১টায়ও পাঁচতলা ওই ভবনে আগুন জ্বলছিল। বাতাসের কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা।
অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ তলা কারখানা ভবনের দুটি তলা আংশিক ধসে গেছে।
টঙ্গী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. পারভেজ মিয়া বলেন, হাসপাতালে নারী ও শিশুসহ ১৫ জনের লাশ রয়েছে।
শুরুতে কারখানা থেকে হাতহতদের উদ্ধার করে টঙ্গী হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখান থেকে গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল ও উত্তরা মেডিকেলে পাঠানো হয়।
উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার সাব্বির আহমেদ বলেন, সেখানে নেওয়া দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, এই হাসপাতালে এক নারীসহ চারজনের লাশ রয়েছে। তাছাড়া ভর্তি রয়েছেন আরও ১৯ জন, তারা সবাই পুরুষ।
ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শঙ্কর পাল জানান, আহতদের মধ্যে তিনজন তাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। এরমধ্যে একজনের শরীরের ছয় ভাগ, আরেকজনের আট ভাগ পুড়েছে। দীপন নামে একজনের শরীরের ৯০ ভাগ পুড়ে গেছে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আশঙ্কাজনক রোগীদের আগে সেটল করছি। যার যার রক্ত-স্যালাইন প্রয়োজন, আমরা দিচ্ছি।”
১২ বছরের একটা শিশুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাচ্চাটি শকে আছে। তার অপারেশন প্রয়োজন। আমরা তৈরি আছি। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা দিচ্ছি।”
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান বলেন, সকাল ৬টার দিকে কাজ চলার সময় নিচ তলায় বয়লার বিস্ফোরণের পর কারখানার পুরো ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
কী কারণে বয়লার বিস্ফোরণ ঘটেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। পাওয়া যায়নি কারখানা কর্তৃপক্ষের কারও বক্তব‌্য।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম কারাখানা পরিদর্শনের পর পাঁচ সদ‌স‌্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। কমিটিকে ১৫ দিনের মধ‌্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

চাঁদপুরে তেলের লরি বিস্ফোরণ, অগ্নিদগ্ধসহ আহত ২০
                                  

চাঁদপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে একটি তেলের লরিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অগ্নিদগ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া আগুনে ঘটনাস্থলের পাশের কয়েকটি বাড়ি পুড়ে গেছে।

গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এরপর পুলিশ এবং স্থানীয়দের চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। এদের মধ্যে মারাত্মক দগ্ধ ছয়জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, ছয়জনের শরীরের ৮০-৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এরা হলেন নুর মোহাম্মদ (২১), মো. রায়হান (২৩), মো. মাসুদ (২৮), বাদশা মিয়া (৫০), মিজানুর রহমান এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মী খোকন কর্মকার (৪৫)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি লরি থেকে পাশের গোডাউনে তেল সরবরাহের সময় আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন তেলের গোডাউনসহ আশপাশের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। এর মধ্যে লরিসহ পাশের কয়েকটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ সময় বেশ কিছু বাড়ি থেকে নারী ও শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ছাড়া তিনতলা একটি বাড়িতে মই দিয়ে আটকে পড়াদের নামিয়ে আনা হয়।

চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ জানান, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা সময় লেগেছে। তিনি জানান, আগুনে শুধু তেলের লরিই নয়, পাশের একটি তেল ও বোতলজাত গ্যাসের গোডাউন এবং কয়েকটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আব্দুস সবুর মণ্ডল, পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. ওয়ালী উল্লাহ জানান, কী কারণে আগুন লেগেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ৫
                                  

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা সদর সংলগ্ন সিলোনিয়া ব্রিজের কাছে একটি মাইক্রোবাস খাদে পড়ে এক নারীসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার রাত ১২টার দিকে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, ‘লাকসাম উপজেলা সদর সংলগ্ন সিলোনিয়া ব্রিজের কাছে এসে নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে এক নারীসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় ফেয়ার হেলথ হাসপাতালে রাখা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, ‘মাইক্রোবাসের চালককে পাওয়া যায়নি এবং তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।’

বগুড়ায় সিলিন্ডারের ডিপোতে বিস্ফোরণ ট্রাক ভস্মীভূত
                                  

বগুড়ায় শাজাহানপুর উপজেলার সুজাবাদ এলাকায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলপিজি সিলিন্ডারের ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রাক থেকে ডিপোতে সিলিন্ডার নামানোর সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে যায়। এতে একাধিক সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরণ ও আগুনে সিলিন্ডার বোঝাই ট্রাক দুমড়ে মুচড়ে ভস্মীভূত হয়। এছাড়া ডিপোর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরও দুটি ট্রাক আংশিক পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সূত্রে জানা যায়, বিপিসির 
এই আঞ্চলিক ডিপো থেকে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের ১৪ জেলার পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার পরিবেশকদের এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়ে থাকে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট থেকে আসা একটি ট্রাকভর্তি এলপিজি সিলিন্ডার খালাস করা হচ্ছিল। এ সময় হঠাত্ করে একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়। এতে একের পর এক সিলিন্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হতে থাকে। বেশ কয়েকটি সিলিন্ডার বিস্ফোরণস্থল থেকে ১ কিলোমিটার দূরে পর্যন্ত উড়ে গিয়ে পড়ে। এলপিজি সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক ছাড়াও পাশে থাকা আরও দুটি ট্রাকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এই দুটি ট্রাকও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি করতে থাকে। ডিপোর মেঘনা পেট্রোলিয়ামের অফিস সহকারী মইনুল হক জানান, ট্রাকে প্রায় ৪শ’ এলপিজি ভর্তি সিলিন্ডার ছিল। সিলিন্ডারের ত্রুটির কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে তিনি জানান। পুলিশ জানায়, গ্যাস সিলিন্ডারগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহারে জীর্ণ ছিল। পুরনো সিলিন্ডার হওয়ার কারণেই এই বিস্ফোরণ ঘটে বলে তারা ধারণা করছেন। 
বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ছাবের আলী জানান, ট্রাক থেকে সিলিন্ডার আনলোড করার সময় একটি সিলিন্ডারের সঙ্গে আরেকটি ধাক্কা খেয়ে গ্যাস হওয়ায় এই বিস্ফোরণ ও দুর্ঘটনা ঘটে। তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে। 

আড়িয়াল খাঁ নদে ট্রলারডুবিতে নিহত ৯
                                  

নরসিংদীর রায়পুরায় আড়িয়াল খাঁ নদে ট্রলার ডুবে শিশুসহ নয়জন নিহত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার উত্তর বাখননগর ইউনিয়নের জংগী শিবপুর বাজার ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের অভিযোগ, অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাইয়ের কারণে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে পুলিশও একই কথা বলছে।

এ ঘটনায় কতজন নিখোঁজ রয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে স্থানীয় ব্যক্তিদের ভাষ্য, শিশুসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ নিখোঁজ থাকতে পারে। তবে নিখোঁজ থাকার বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন দেওয়ানের চর এলাকার মালদারের নেছা (৮০) ও তাঁর নাতি ইয়াছিন (৭), চর মরজাল এলাকার ফুলেছা বেগম (৫০), বারৈচা এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে রাকিব মিয়া (১২), একই এলাকার মিলন মিয়ার মেয়ে মারজিয়া বেগম (৩), আকতার মিয়ার ছেলে সম্রাট মিয়া (৮), রবিউল্লাহ মিয়ার স্ত্রী মালা বেগম (২৫) ও মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৫) ও সুন্দর আলীর মেয়ে জেরিন আক্তার (৮)।

প্রত্যক্ষদর্শী, এলাকাবাসী, পুলিশ ও সাঁতরে তীরে ওঠা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বারৈচা এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে নারী, শিশুসহ শতাধিক ব্যক্তি দুটি ট্রলারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়ইকান্দি এলাকার গণি শাহ মাজারে যাচ্ছিলেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে ৪০ থেকে ৫০ জন নিয়ে একটি ট্রলার জংগী শিবপুর বাজার ঘাট থেকে ছাড়ে। অপরটি অপেক্ষাকৃত বেশি প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন যাত্রী নিয়ে বেলা ১১টার দিকে ছাড়ে। ​ছাড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ট্রলারটি ডুবে যায়। এতে বেশির ভাগ যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও শিশু ও নারীরা ডুবে যায়। আশপাশের ট্রলারে থাকা লোকজনের চিৎকারে বাজারে থাকা লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকজনকে উদ্ধার করে। কিন্তু প্রচণ্ড বাতাস থাকায় স্থানীয় ব্যক্তিরা উদ্ধারকাজ ভালোভাবে চালাতে পারেনি।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার নুরুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল মতিন, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় ব্যক্তিদের উদ্ধারকাজ তদারক করেন। পরে দুপুর সোয়া দুইটার দিকে নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক মহসীন প্রধানের নেতৃত্বে চার সদস্যের ডুবুরি দল উদ্ধারকাজে নামেন। এর আগে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট নৌকা দিয়ে উদ্ধারকাজে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তা করেন। ঘটনার পরপরই ওই নৌকার মাঝি ও ইউপি সদস্য আবদুল হাই গা ডাকা দিয়েছেন।নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার জংগী শিবপুর বাজার এলাকায় আজ শনিবার আড়িয়াল খাঁ নদে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়। ছবিটি বেলা দুইটার দিকে তোলা। ছবি: মনিরুজ্জামান

প্রত্যক্ষদর্শী ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘আমি ঘাটেই বসে ছিলাম। দ্বিতীয় নৌকাটি অনেকটা জরাজীর্ণ ছিল। যাত্রীও বেশি নিয়েছিল। তাই ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে একদিকে কাত হয়ে যায় এবং পরে উল্টে যায়। আর ডুবে যাওয়া ট্রলারে শিশু ও নারী থাকায় হতাহতের ঘটনাটি বেশি হয়েছে। যে পরিমাণ লোকজন ট্রলারে দেখেছি আর যে পরিমাণ লোক সাঁতরে উঠেছে; খুব বেশি হলে ১০–১২ জন নিখোঁজ থাকতে পারে। আবার নাও থাকতে পারে।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য রানা মিয়া বলেন, ‘আমি বাজারে ছিলাম। লোকজনের চিৎকার শুনে দৌড়ে ঘাটে গিয়ে দেখি, নৌকা উল্টে যাচ্ছে। পরে সঙ্গে সঙ্গে তরুণ ছেলেদের ডেকে নিয়ে উদ্ধার কাজে লেগে যাই। ১০–১৫ জন নিখোঁজ থাকতে পারে। এখন ডুবুরি দল কাজ করছে, দেখা যাক কয়জনকে উদ্ধার করা যায়।’

রায়পুরা থানার ওসি আজহারুল ইসলাম প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে বলেন, অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাইয়ের কারণেই ট্রলারটি ঘাটেই ডুবে গেছে। এতে শিশু ও বৃদ্ধাসহ নয়জন নিহত হয়েছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার নুরুল হক বলেন, ‘আমরা শিশু ও নারীসহ নয়জন নিহত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছি। আর নিখোঁজ থাকার বিষয়ে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তারপরও যতক্ষণ দিনের আলো থাকে, ততক্ষণ আমরা ডুবুরি দিয়ে উদ্ধারকাজ চালাব।’

মাদারীপুরে সেতুর রেলিং ভেঙে বাস খালে, নিহত ৮
                                  

নব আলো:মাদারীপুরে সদর উপজেলায় সেতুর রেলিং ভেঙে একটি যাত্রীবাহী বাস খালে পড়ে আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরো ৩২ জন। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার সমাদ্দার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার সমাদ্দার এলাকায় একটি সেতুর ওপর বরিশালগামী সুগন্ধা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারায়। বাসটি সেতুর রেলিং ভেঙে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের ৫ যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন অন্তত আরো ৩২ যাত্রী।

খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিটের কর্মীরা উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে ডুবুরিরা আরো তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

‘এরশাদ বলেছেন, সেলিম তুমি তো ওলি হয়ে গেছ’
                                  

নব আলো:নারায়ণগঞ্জে পিয়ার লতিফ সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কান ধরে ওঠ-বস করানোর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান বলেছেন, ‘গত ১৩ মে শ্যামল কান্তি ভক্তর সঙ্গে ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত, লজ্জিত।’

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে মতবিনিময় সভায় দুঃখ প্রকাশ করেন জাতীয় পার্টির এ সংসদ সদস্য।

সেলিম ওসমান বলেন, ‘জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্দেশে আমি সংবাদ সম্মেলন বাতিল করেছি। এরশাদ বলেছেন, তোমার সঙ্গে আল্লাহ আছেন, আমরা আছি।’ গত ২৫ মে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়ে তা বাতিল করেন তিনি।

সংসদ সদস্য বলেন, ‘পার্টির প্রধান এরশাদ আমাকে বলেছেন, সেলিম তুমি তো ওলি হয়ে গেছ। তোমার জন্য কয়েক কোটি মানুষ মসজিদে মসজিদে দোয়া করছে।’

স্থাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও একজন সংসদ সদস্যেরও সমালোচনা করেন সেলিম ওসমান।

ঘটনার একাধিক তদন্ত সম্পর্কে সেলিম ওসমান বলেন, ‘তদন্ত করতে করতে স্কুলের শিশুদের মিথ্যাবাদী বানানো হচ্ছে।’ তিনি স্কুলশিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তর বিরুদ্ধে তাঁর কাছে কোটি টাকা দাবির অভিযোগ করেন।

মতবিনিময়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, বিভিন্ন মসজিদের ইমামরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় অনুষ্ঠান হলেও এখানে সেলিম ওসমান একাই কথা বলেন।

গত ১৩ মে স্কুলের সামনের একটি মসজিদ থেকে হঠাৎ করেই মাইকে ঘোষণা করা হয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত ইসলামের বিরুদ্ধে কটূক্তি করেছেন এবং সেখান থেকে এলাকাবাসীকে স্কুলের মাঠে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলে দলে স্কুলে ঢোকে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তাঁরা স্কুলের দরজা ভেঙে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে মারধর করে এবং তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

পরে সেখানে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে ঘটনাস্থলে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়। সংসদ সদস্য উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষককে প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠ-বস করার শাস্তি দেন।

কান ধরে ওঠ-বসের পর সমবেত জনতার কাছে করজোড়ে মাফ চাইতেও বাধ্য করা হয় ওই প্রধান শিক্ষককে। পরে সংসদ সদস্যের নির্দেশে প্রধান শিক্ষককে পুলিশের হেফাজতে স্কুল থেকে বের করা হয়। এর পর পুলিশ চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, লজ্জা থাকলে সেলিম ওসমান আর সংসদে বসবেন না।

 


   Page 1 of 4
     জেলা সংবাদ
লাকসামে ২০ হাজার পরিবারের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী
.............................................................................................
রংপুর এলজিইডি: ১০ বছরে হাজার কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন
.............................................................................................
জামালপুরে একটি ব্রিজের অভাবে দুর্ভোগে ১২ গ্রামবাসী
.............................................................................................
মনোহরগঞ্জের নতুন ইউএনও শামীম বানু শান্তি
.............................................................................................
মাস্তান, গুন্ডা, চাঁদাবাজরা যুবলীগে থাকতে পারবে না : ভূমিমন্ত্রী
.............................................................................................
ভবন হেলে কাপ্তাই হ্রদে, নিহত ৩
.............................................................................................
টঙ্গীর ট্যাম্পাকোর অগ্নিকাণ্ড, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪
.............................................................................................
ঈদের দিনেও ট্যাম্পাকোতে উদ্ধারকাজ
.............................................................................................
ট্যাম্পাকো অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৮ জনের নাম প্রকাশ
.............................................................................................
টঙ্গীতে বয়লার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১
.............................................................................................
চাঁদপুরে তেলের লরি বিস্ফোরণ, অগ্নিদগ্ধসহ আহত ২০
.............................................................................................
কুমিল্লায় মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ৫
.............................................................................................
বগুড়ায় সিলিন্ডারের ডিপোতে বিস্ফোরণ ট্রাক ভস্মীভূত
.............................................................................................
আড়িয়াল খাঁ নদে ট্রলারডুবিতে নিহত ৯
.............................................................................................
মাদারীপুরে সেতুর রেলিং ভেঙে বাস খালে, নিহত ৮
.............................................................................................
‘এরশাদ বলেছেন, সেলিম তুমি তো ওলি হয়ে গেছ’
.............................................................................................
সাংসদ রানাসহ ৪ ভাইয়ের বাড়ির মালামাল জব্দ
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে দোয়া কামনা
.............................................................................................
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে লাকসাম জেনারেল হসপিটাল বন্ধ
.............................................................................................
লাকসামের প্রবীণ শিক্ষক আবদুর রশিদ মজুমদার আর নেই
.............................................................................................
সানাড়পাড়ে আওয়ামীলীগ নেতার প্রতিষ্টানে হামলার ঘটনায় নাসিক ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাদলসহ ৪জনের নামে থানায় অভিযোগ
.............................................................................................
মধুমতি নদীর ওপর চাপাইল ব্রিজ নড়াইলসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘ দিনের আশা পূরণ
.............................................................................................
পাবনায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট
.............................................................................................
সোনাইমুড়িতে হিজবুত কর্মী-গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ২
.............................................................................................
জিজ্ঞাসাবাদে বাবা-মা ও খালাকে ঢাকায় নিয়ে আসছে র‌্যব
.............................................................................................
আমদানি করা ভারতীয় মসলায় ভিন্ন দ্রব্যের মিশ্রণ
.............................................................................................
কুমিল্লায় দুই শিশু হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
.............................................................................................
মনোহরগঞ্জে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন
.............................................................................................
হাজারীবাগে বোরকা পড়ে ক্লাসের ভেতর ইভটিজিং ॥ এক যুবক গ্রেফতার
.............................................................................................
দুই সৎ ভাই খুন ॥ হবিগঞ্জে চার শিশুকে হত্যার পর কুমিল্লায় নৃশংসতা প্রকাশিত :
.............................................................................................
কুমিল্লায় ছোট্ট দুই ভাইকে শ্বাসরোধে হত্যা!
.............................................................................................
সুতার বদলে সিগারেট নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০১৬
.............................................................................................
রিহ্যাবের চার দিনব্যাপী আবাসন মেলার উদ্বোধনে মেয়র আবাসন সমস্যা সমাধানে মানুষ রিহ্যাবের ওপর আস্থা রাখছে
.............................................................................................
রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র কার স্বার্থে , প্রশ্ন রাশেদার
.............................................................................................
চার শিশু হত্যা মামলার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
.............................................................................................
কালিহাতী পৌরসভায় নতুন মেয়র বসলেন
.............................................................................................
সিংগাইর উপজেলায় জোড়া খুন
.............................................................................................
পঞ্চগড়ে মন্দিরের পুরোহিতকে গলা কেটে হত্যা
.............................................................................................
কালিহাতীর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভলিবল ফাইনাল টুর্নামেন্ট ২০১৬
.............................................................................................
বাংলাদেশের জনগণ মানবাধিকার সম্পর্কে এখনও সচেতন নয়
.............................................................................................
নড়াইল-যশোর রুটে বাস চলাচল বন্ধ
.............................................................................................
গাজীপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, আটক ৭
.............................................................................................
""টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ কর্মশালা ২০১৬""
.............................................................................................
""মাতৃ বিয়োগ""
.............................................................................................
গাজীপুরে ট্রাক চাপায় নিরাপত্তা কর্মী নিহত
.............................................................................................
শিবপুরে ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার
.............................................................................................
কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্দেহভাজন ডাকাত নিহত
.............................................................................................
পাথরঘাটায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলছে
.............................................................................................
কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভলিবল গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট কোয়াটার ফাইনাল ২০১৬
.............................................................................................
""""অভিভাবক সমাবেশ- ২০১৬ ,কালিহাতী কলেজ, টাঙ্গাইল"""
.............................................................................................

সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবদুল মালেক, যুগ্ন সম্পাদক: নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া । সম্পাদক র্কতৃক ২৪৪ ( প্রথম তলা ) ৪ নং জাতীয় স্টেডিয়াম, কমলাপুর, ঢাকা -১২১৪ থেকে প্রকাশিত এবং স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২ টয়েনবি র্সাকুলার রোড, ঢাকা -১০০০ থেকে মুদ্রিত । ফোন:- ০২-৭২৭৩৪৯৩, মোবাইল: ০১৭৪১-৭৪৯৮২৪, E-mail: info@dailynoboalo.com, noboalo24@gmail.com Design Developed By : Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD