বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর 2020 | ,২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   এক্সক্লুসিভ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
খুলনার সঙ্গে ১৩ ঘন্টা পর আংশিক রেলযোগাযোগ শুরু

খুলনার সঙ্গে ঢাকা ও উত্তরের ট্রেন চলাচল আংশিক শুরু হয়েছে ১৩ ঘণ্টা পর শনিবার (২৬ আগস্ট) সকাল আটটার দিকে। ডাউন লাইনে ট্রেন চললেও বন্ধ রয়েছে আপে। পুরোপুরি ট্রেন চলাচল শুরু হতে দুপুর হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্টেশনমাস্টার।

পোড়াদহ জংশনের স্টেশনমাস্টার শরিফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে রাজশাহীগামী সাগরদাড়ি একপ্রেস পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনের প্রধান গেইটের সামনে যাওয়ার পর ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে কেউ হতাহত হয়নি। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে যায় খুলনার সঙ্গে উত্তর ও ঢাকার সব ধরনের ট্রেন যোগাযোগ।

শনিবার সকালে জানিয়েছেন,চারটি ট্রেন পোড়াদহের ওপর দিয়ে খুলনার দিকে চলে গেছে। উদ্ধারকারী ট্রেন এখনো কাজ শুরু করতে পারেনি বলে।

ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।

খুলনার সঙ্গে ১৩ ঘন্টা পর আংশিক রেলযোগাযোগ শুরু
                                  

খুলনার সঙ্গে ঢাকা ও উত্তরের ট্রেন চলাচল আংশিক শুরু হয়েছে ১৩ ঘণ্টা পর শনিবার (২৬ আগস্ট) সকাল আটটার দিকে। ডাউন লাইনে ট্রেন চললেও বন্ধ রয়েছে আপে। পুরোপুরি ট্রেন চলাচল শুরু হতে দুপুর হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্টেশনমাস্টার।

পোড়াদহ জংশনের স্টেশনমাস্টার শরিফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে রাজশাহীগামী সাগরদাড়ি একপ্রেস পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনের প্রধান গেইটের সামনে যাওয়ার পর ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে কেউ হতাহত হয়নি। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে যায় খুলনার সঙ্গে উত্তর ও ঢাকার সব ধরনের ট্রেন যোগাযোগ।

শনিবার সকালে জানিয়েছেন,চারটি ট্রেন পোড়াদহের ওপর দিয়ে খুলনার দিকে চলে গেছে। উদ্ধারকারী ট্রেন এখনো কাজ শুরু করতে পারেনি বলে।

ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।

কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই
                                  

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক, শক্তিমান অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই (ইন্নালিল্লাহি....রাজিউন)। আজ সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী রাজলক্ষ্মী, ছেলে বাপ্পারাজ, স¤্রাটসহ পাঁচ সন্তান, আত্মীয়-স্বজন, অগণিত ভক্ত-শুভাকাঙ্খী রেখে যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৫।
ইউনাইটেড হাসপাতালের মিডিয়া পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান শুভ বাসসকে জানান, আজ বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে নায়করাজ রাজ্জাককে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎকরা তাকে পরীক্ষা করতে থাকেন। তার শ্বাস-প্রশ্বাস,পালস ও রক্তচলাচল পাওয়া যাচ্ছিল না। ৬টা ১৩ মিনিটে চিকিৎকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার দুইপুত্র নায়ক বাপ্পারাজ ও নায়ক সম্রাট হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন।
তার মৃত্যুর সংবাদ রাজধানীতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে চলচ্চিত্রাঙ্গণসহ সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন বাসসকে বলেন, নায়ক রাজ্জাকের মৃত্যুতে দেশ-বিদেশে গভীর শোক ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের বাইরে পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রাঙ্গনও শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছে।
এ মহান অভিনেতার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
অভিনেতা রাজ্জাক ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের (বর্তমান ভারত) কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার খানপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্বরসতি পূজা চলাকালীন মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের জন্য তার শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাকে বেছে নেন নায়ক অর্থাৎ নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে। শিশু-কিশোরদের নিয়ে লেখা নাটক ‘বিদ্রোহী’তে গ্রামীণ কিশোর চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নায়করাজের অভিনয় জীবন শুরু। ১৯৬৪ সালে রাজ্জাক তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন। চলচ্চিত্রকার আবদুল জব্বার খানের সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে ‘ তের নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন’ ছবিতে ছোট একটি চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। এর পর ‘কার বউ’, ডাক বাবুতেও অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে তার প্রথম ছবি জহির রায়হান পরিচালিত ‘ বেহুলা ’। সে থেকে তিনি ৩ শতাধিক বাংলা ও কয়েকটি উর্দু চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন। পরিচালনা করেন ১৬টি চলচ্চিত্র।
নায়ক রাজ্জাকের অভিনয় করা উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে, বেহুলা,আগুন নিয়ে খেলা,দর্পচূর্ণ,এতুটুকু আশা, নীল আকাশের নিচে, কখগঘঙ, জীবন থেকে নেয়া, নাচের পুতুল, অশ্রু দিয়ে লেখা,ওরা ১১ জন, অবুঝ মন, রংবাজ, আলোর মিছিল, শুভ দা, অভিযান, যোগাযোগ, অন্ধ বিশ্বাস, টাকা আনা পাই, ছন্দ হারিয়ে গেল, মানুষের মন, অতিথি, যোগ বিয়োগ, মধু মিলন, যে আগুনে পুড়ি, দুই পয়সার আলতা, অনেক প্রেম অনেক জ্বালা, দ্বীপ নেভে নাই, পীচ ঢালা পথ, দুই ভাই, আবির্ভাব, বন্ধু, বাঁশরী, আশার আলো, কে তুমি, মতিমহল, আনোয়ারা, নাত বউ, অবাক পৃথিবী, কি যে করি, গুন্ডা, অনন্ত প্রেম, অশিক্ষিত, ছুটির ঘন্টা, মহানগর, বড় ভাল লোক ছিল, রাজলক্ষ্মী, শ্রীকান্ত, স্বরলিপি, বাদী থেকে বেগম, বাবা কেন চাকর।
চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সাতবার চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার, চলচ্চিত্রের জন্য আজীবন সম্মাননাসহ অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেন এই শক্তিমান অভিনেতা।

বিচ্ছিন্ন দিনাজপুর, রেল যোগাযোগ বন্ধ
                                  

জেলার বিভিন্ন সড়কে বাস-ট্রাকসহ বড় যানগুলো চলাচল করলেও রোববার (১৩ আগস্ট) দুপুর থেকে অন্যান্য জেলার সঙ্গে দিনাজপুরের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে ।

পার্বতীপুর-দিনাজপুর রেললাইনের বিভিন্ন জায়গা পানি ওঠায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিনাজপুর রেলস্টেশন সুপার গোলাম মোস্তফা।

সোমবার (১৪ আগস্ট) সকালে টানা বৃষ্টি হওয়ায় দিনাজপুরের প্রায় সব নদীর পানি বেড়েছে। পুনর্ভবা ও আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার করতোয়া, ঢেপা, ছোট যমুনাসহ অন্যান্য নদীর চিত্রও একই।

ফলে রেল যোগাযোগ কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে তা এখনি বলা যাচ্ছে না বলে জানান স্টেশন মাস্টার। তিনি বলেন, রেললাইন থেকে পানি সরে গেলে, কিছু সংস্কার কাজ করতে হবে। তারপরই রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে।

এর আগে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম বলেন, ‘পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’ 

এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে একই পরিবারের তিন সদস্য।

‘সেদিন বঙ্গবন্ধুর পাশের চেয়ারে বসেছিলাম’
                                  

১৯৬৯ সালে সাংগঠনিক সফরের সময় কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ হয় আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই তিনি নেতার (বঙ্গবন্ধু) সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেন। সেদিন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে অনেক কথা হয়। বঙ্গবন্ধুর সে দিনের অনেক কথা আজও তার স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু প্রণীত ছয় দফার প্রতি পূর্ণ সমর্থন থাকার কারণে বঙ্গবন্ধুর প্রতি দুর্বলতা ছিল অনেক আগে থেকেই। লাহোরে অধ্যয়নকালে তিনি ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত 
করে বিভিন্ন সময়ে মিছিল-সমাবেশে সরাসরি অংশ নেন। শোকের মাস আগস্ট উপলক্ষে আলোকিত বাংলাদেশের বিশেষ আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে এসব কথা বলেন মোশাররফ হোসেন।
বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে মোশাররফ হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। ছয় দফার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। বঙ্গবন্ধু ছয় দফা দিয়েছিলেন এ অঞ্চলের মানুষের বৈষম্য দূর করার জন্য। সে সময় আমাদের ওপর যে বৈষম্য চালানো হয়েছে তা লাহোরে অধ্যয়ন করার সময় আমি প্রত্যক্ষ করেছি। তারা আমাদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করত। এ ছয় দফার ভিত্তিতেই নির্বাচন হয়। ছয় দফা বাস্তবায়নের আন্দোলনে নিজের সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, লাহোরে অধ্যয়নকালে আমি ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সময়ে মিছিল-সমাবেশে অংশ নেই। ১৯৬৬ সালে ছয় দফার যৌক্তিকতা তুলে ধরে লাহোরে পূর্ব পাকিস্তানে অধ্যয়নরত ছাত্রদের সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র পরিষদের এক সমাবেশে সভাপতিত্ব করি। লাহোর থেকে দেশে ফিরে এম এ আজিজের হাত ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং স্বাধীনতা আন্দোলনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত হই। ১৯৭০ সালে সর্বপ্রথম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হই। 
বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৬৯ সালের ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন সাংগঠনিক ট্যুরে কক্সবাজারে যান, তখন আমার সঙ্গে প্রথম দেখা হয়। বঙ্গবন্ধু তখন সারা দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। ওইসময় তিনি কক্সবাজারে আসেন। বঙ্গবন্ধুর আসা উপলক্ষে কর্মসূচির জন্য কয়েকজন আমার কাছে চাঁদার জন্য আসেন। আমি তাদের বললাম আমি চাঁদা না দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সম্মানে একটা নৈশভোজের আয়োজন করি। বঙ্গবন্ধু সঙ্গে সেদিন অনেকেই সে নৈশভোজে অংশ নেন। আমার মনে আছে, আমি সেদিন বঙ্গবন্ধুর পাশের চেয়ারে বসেছিলাম। সে দিনটি আমার স্মৃতিতে আজও জ্বলজ্বল করছে। সে দিনের একটা ছবি আজও আমি সংরক্ষণ করে রেখেছি। ওইদিন বঙ্গবন্ধু নেতাদের উদ্দেশে অনেক কথা বলেছিলেন। ঘুমুতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেদিন আড্ডা হয়। সেদিনের একটা কথা আমার আজও মনে আছে, অ্যাডভোকেট নূর আহম্মদকে দেখে বঙ্গবন্ধু বললেন, পারবি মওলানা ফরিদকে পরাজিত করতে। নেজামি ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মওলানা ফরিদ। কক্সবাজার থেকে তিনি কখনও পরাজিত হননি। জবাবে নূর আহম্মদ বললেন, আপনি (বঙ্গবন্ধু) দোয়া করলে নিশ্চিত জিতব। প্রতিউত্তরে বঙ্গবন্ধু সেদিন বলেছিলেন, তোরা আমাকে ১৫১টা আসন এনে দে আমি দেখিয়ে দেব। তার মানে বঙ্গবন্ধু তখন থেকেই স্বাধীনতার প্রশ্নে কতখানি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন ’৬৯ সালে তার ওই কথা থেকেই বোঝা যায়।   
বঙ্গবন্ধু প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আওয়ামী লীগের এ প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, একজন নেতার জনগণের প্রতি কেমন আত্মবিশ্বাস থাকলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও বাসায় কোনো নিরাপত্তা রক্ষী রাখতেন না। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসাতেই থাকতেন। সে বাসা ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত। বাঙালি জাতিকে উনি এতো ভালোবাসতেন যে কখনও ভাবতেও পারেননি কোনো বাঙালি তাকে হত্যা করতে পারে। বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাসায় যাওয়ার স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ’৭৪ সালে আমার মা হজ করতে যাবেন, আমি মায়ের সঙ্গে যাব। তাই বঙ্গবন্ধুর দোয়া নিতে ধানমন্ডির বাসায় গিয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধু তখন গণভবনে অফিস করলেও থাকতেন ৩২ নম্বরের বাসায়। বাসায় গিয়ে দেখি কোনো নিরাপত্ত রক্ষী নেই। আমি গিয়ে খবর দিতেই বঙ্গবন্ধু আমাকে দোতলায় ডেকে পাঠালেন। যেতেই বঙ্গবন্ধু জিজ্ঞস করলেন, কিরে কিসের জন্য এসেছিস। আমি উনাকে জানালাম মা হজ্ব করতে যাবেন তাই দোয়া নিতে এসেছি। বঙ্গবন্ধু তখন উনার সহধর্মিণীকে ডেকে বললেন, চট্টগ্রামের মোশাররফ এসেছে ওকে নাস্তা দাও। পরে নাস্তা খেয়ে দোয়া নিয়ে চলে আসলাম। সেদিন আমার একটা কথা বারবার মনে হয়েছে, একজন প্রধানমন্ত্রীর বাসায় কোনো নিরাপত্তা নেই। একজন মানুষ জনগণের ওপর কেমন বিশ্বাস থাকলে এ কাজ করতে পারে।  
মোশাররফ বলেন, কারাগারের রোজনামচা বই পড়লে জানা যায়, ১৫ আগস্টের খুনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত সেই খুনি মুসতাককে তিনি বন্ধু হিসেবেই দেখতেন। কারাগারের রোজনামচায় বঙ্গবন্ধু বারবার লিখেছেন, বঙ্গবন্ধু যে সেলে ছিলেন তার পাশের সেলে খন্দকার মুসতাকসহ কয়েকজনকে রাখা হয়। জেলে একবার খন্দকার মুসতাক অসুস্থ হলে, বঙ্গবন্ধু তার খোঁজ নিতেন, কারারক্ষীদের কাছে জানতে চাইতেন, আমার বন্ধু কেমন আছে? সে ঠিকমতো খেয়েছেন কিনা? ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে কিনা? বঙ্গবন্ধু দূর থেকেই এসব তদারকি করতেন। একটা বন্ধু কি করে শত্রু হতে পারে। ইতিহাস বড় নির্মম। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো কেউ আর এ দেশে জন্মগ্রহণ করবেন কিনা জানি না। তবে উনার অসমাপ্ত কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুধু এটুকু বলতে পারি, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যার হাতেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনিরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী রোববার
                                  

 উপমহাদেশের অন্যতম খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজের সাবেক প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনিরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল রোববার।
খ্যাতিমান এই ব্যক্তিদ্বয়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন শুক্রবার থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এ দু’জনসহ পাঁচ জন প্রাণ হারান। নতুন চলচ্চিত্র ‘কাগজের ফুল’-এর শুটিংয়ের স্থান দেখতে তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনির সহকর্মীদের নিয়ে মানিকগঞ্জে যান। ফেরার পথে মানিকগঞ্জেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তারা।
তারেক মাসুদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে গ্রহণ করা হয়েছে নানা কর্মসূচী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবের নবম আসর। আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক মিলনায়তনে প্রথমবারের মত তারেক মাসুদের প্রয়াণদিবস উপলক্ষে এই বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
এদিকে শনিবার টিএসসি মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা, বিকাল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মোট তিনটি পর্বে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও আগামী ২০ ও ২১ আগস্ট অঁলিয়াস ফ্রসেজ, ঢাকা এবং ২৪ ও ২৫ আগস্ট অঁলিয়াস ফ্রসেজ, চট্টগ্রামে উৎসবের পরবর্তী পর্বগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
তারেক মাসুদ ১৯৮৫ সালের শেষ দিকে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানকে নিয়ে নির্মাণ করেন জীবনের প্রথম প্রামাণ্যচিত্র ‘আদম সুরত’। এরপর ১৯৯৫ সালে নির্মাণ করেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসনির্ভর দু’টি প্রামাণ্যচিত্র ‘মুক্তির গান’ ও ‘মুক্তির কথা’।
তিনি ২০০২ সালে নির্মাণ করেন প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘মাটির ময়না’। মুক্তিযুদ্ধ আশ্রিত নান্দনিক এই সিনেমা কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হওয়ার পাশাপাশি জিতে নেয় সমালোচক পুরস্কার। এরপর তারেক মাসুদ ২০০৬ সালে নির্মাণ করেন ‘অন্তর্যাত্রা’। সর্বশেষ নির্মাণ করেন ‘রানওয়ে’ ছবিটি। প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নতুন ছবি ‘কাগজের ফুল’ নির্মাণের। এ ছাড়াও তারেক মাসুদের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হচ্ছে- ‘সোনার বেড়ি’, ‘একুশে’ ও ‘নরসুন্দর’।
অন্যদিকে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিশুক মুনির শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনির চৌধুরীর ছেলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের পাঠ চুকিয়ে ওই বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন তিনি। চিত্রগ্রাহক ও সম্প্রচার সাংবাদিকতার পথিকৃৎ মিশুক মুনীর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিবিসি’র হয়ে কাজ করেন। একুশে টেলিভিশন চালু হলে এ অঙ্গনের অন্যতম যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তিনিই দায়িত্ব পান সংবাদ বিভাগ পরিচালনার।

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত
                                  

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বাংলাদেশ সমুদ্র বন্দর ও উপকুলের কাছাকাছি ধেয়ে আসছে।
এটি আরো ঘণীভুত ও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল নাগাদ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
এজন্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়াবিদ এ কেএম রুহুল কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক বিশেষ বুলেটিনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়,মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৮ নম্বর নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার সমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে আরো বলা হয়,উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ’মোরা’ আরও সামান্য উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে প্রবল ঘূণিঝড়ে পরিণত হয়ে একই এলাকায় (১৮.৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১.৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছিল।
এটি আজ সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিকে অবস্থান করছিল।
এটি আরও ঘণীভূত ও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ৩০ মে মঙ্গলবাল সকাল নাগাদ চট্রগ্রাম-কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬২ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৮৯ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড় ’মোরা’- এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা,পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নি¤œাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড় ’মোরা’ অতিক্রমকালে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা,বরিশাল, পিরোজপুর জেলা সমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ সহ ঘন্টায় ৮৯ থেকে ১১৭ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এদিকে টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, সীতাকুন্ড, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, হাতিয়া, কক্সবাজার, সিলেট,রাজশাহী ও ঈশ্বরদী অঞ্চলসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে।
এছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম,খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়োহাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সাথে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

অপহরণ রুখলেন মহিলা শ্যুটার
                                  

একদম বলিউডি ফিল্মের ধাঁচেই অপহরণকারীকে গুলি করে অপহৃতকে উদ্ধার করলেন এক মহিলা শ্যুটার। ভারতের রাজধানী দিল্লিতেই ঘটেছে এমন দুঃসাহসিক ঘটনা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসিফ জাতীয় দলের শ্যুটার আয়েশার বোনের বর। নিজের খরচের জন্য রাতে দিল্লিতে ক্যাব চালান আসিফ।

গেলো বৃহস্পতিবার ক্যাব নিয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি। দিল্লির দরিয়াগঞ্জ থেকে রফি এবং আকাশ নামে দুই যুবক তার গাড়িতে চাপেন। মিন্টো রোডের দিকে যাওয়ার কথা বলে তারা। কিন্তু কিছু দূর গিয়ে আসিফকে অন্যদিকে গাড়ি নিয়ে যেতে বলে রফি এবং আকাশ নামে দুই ব্যাক্তি। কিন্তু উদ্দেশ্য ঠিক নয় বুঝতে পেরে গাড়ি থামিয়ে দেন আসিফ। এর পরেই অগ্নি মূর্তি ধারণ করে রফি ও আকাশ। গাড়ির সামনের সিটে বসে আসিফকে প্রাণে মারার হুমকি দেয় তারা। ভোপরার কাছে গাড়ি নিয়ে এসে আসিফের মানিব্যাগ কেড়ে নেয় তারা। কিন্তু তাতে দেড়শো টাকার বেশি কিছুই না পেয়ে একেবারে রাগের বশে আসিফকে মারধর করে। এবং তাকে বাড়িতে ফোন করে মুক্তিপণ চাইতে বাধ্যও করে দুই অপহরণকারী। রাত ১ টা নাগাদ আসিফের বাড়ির লোককে তারা জানায় একঘণ্টার মধ্যে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ভজনপুরার দিল্লির শাস্ত্রী পার্কে টাকা নিয়ে আসতে। তবেই ছেলেকে জীবন্ত পাবেন। 

আতঙ্কে আসিফের পরিবার পুলিশকে ঘটনাটি জানায়। কিন্তু ততক্ষণে আষেশার কাছে খবর পৌঁছে যায়। স্বামী ফলককে নিয়ে গাড়িতে করে পার্কের কাছে পৌঁছে যান আয়েশা। সময় মত আসিফকে নিয়ে শাস্ত্রী পার্কে এসে পৌঁছয় দুই অপহরণকারী। গাড়িটি থামার পর দরজা খুলে বেরিয়ে আসে একটি ছোট্ট ছেলে। পুলিশ থাকতে পারে এই আশঙ্কায় রীতিমত ছক কষেই পার্কে হাজির হয়েছিল অপহরণকারীরা।  ধীরে ধীরে গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে  রফি এবং আকাশ নামে দুই অপহরণকারী। সঙ্গে সঙ্গে নিজের লাইসেন্স পিস্তল ব্যাগ থেকে বের করে একজনের কোমরে এবং একজনের পায়ে গুলি করেন আয়েশা। আতঙ্কে গাড়ি থেকে ছুটে বেরিয়ে আসেন আসিফ। এর মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তারা দুই অপহরণকারীরে গ্রেফতার করে। আয়েশার কাছ থেকে পিস্তল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের জয়েন্ট সিপি যাদব। 

আত্মরক্ষায় গুলি চালানোয় আয়েশার বিরুদ্ধে কোনও গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হবে না বলেও পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের শ্যুটার এবং কোচ আয়েশার এই সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
                                  

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এর আগে সকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশে সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থকসহ সর্বস্তরে হাজার হাজার মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলদিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকাল ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে সরকার প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
পরে তিনি আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহা উদ্দিন নাছিম ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু ভবন ত্যাগ করার পর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিন, আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ,যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতা ও কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
এদিকে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক জনসভার আয়োজন করে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসভায় সভাপতিত্ব করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রির্পোটার্স ইউনিটির গোল টেবিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) আয়োজিত এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
বিএনএফ ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি নাসিরা খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় বিএনএফ প্রেসিডেন্ট এসএম আবুল কালাম আজাদ বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, পাবনা, লক্ষীপুর, বরগুনা, খাগড়াছড়ি, দিনাজপুর, নাটোর, জামালপুর, রংপুর, পঞ্চগড়, সহদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

দেশের সকল জেলাকে রেলের আওতায় আনা হবে : রেলপথ মন্ত্রী
                                  

রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক এমপি বলেছেন, দেশের সকল জেলাকে পর্যায়ক্রমে রেলের আওতায় আনা এবং সকল সিঙ্গেল গেজ রেললাইনকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করা হবে।
আজ দুপুরে নীলফামারী উন্নয়ন মেলা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকে নীলফামারী-ঢাকা রুটে চলাচলকারী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে নতুন আমদানী করা লাল-সবুজের কোচ সংযোজন করা হবে।
অনুষ্ঠানে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় হুইপ শওকত চৌধুরী, লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমি, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফিরোজ সালাহ্ উদ্দিন, নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. জাকীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু মারুফ হোসেনসহ রেলের কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, দেশের এমন কোন গ্রাম নেই যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণেই গোটা দেশে আজ উন্নয়নের জোয়ার বইছে।
সভা শেষে রেলপথ মন্ত্রী উন্নয়ন মেলার বিভিন্ন ষ্টল পরিদর্শন করেন।

মিটার গেজ লাইনের জন্য আরো ১০০ কোচ মেরামত করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে
                                  

বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিককায়নের অংশ হিসেবে মিটার গেজ লাইনের জন্য আরো ১০০ কোচ মেরামত করতে সরকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
রেলওয়েমন্ত্রী এম মুজিবুল হক আজ বাসসকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জনগণের জন্য আন্তরিকভাবে জনপ্রিয় এই গণপরিবহন সহজতর করছে বলে সার্বিকভাবে রেলওয়ে সেবার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।’
তিনি বলেন, জনগণের সন্তোষজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে বাংলাদেশ রেলওয়ে সেবার উন্নয়ন তার মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রক্ল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে।
এই প্রকল্পে মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ রেলওয়ের নিজস্ব জনশক্তির ওপর ভিত্তি করে ডেভেলপমেন্ট অব প্রজেক্ট প্রোপোজাল (ডিপিপি) পুনর্গঠন করেছে এবং অনুমোদনের জন্য তা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে।
পূব জোনে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৯৩০টি কোচ রয়েছে। এর মধ্যে ৪৯৬টি পুরোপুরি অকেজো। আর ৫৭৫টি যাত্রিবাহী কোচ মেরামত করতে হবে। এই ৫৭৫টির মধ্যে ৪৫০টি মিটার গেজ লাইনের এবং ১২৫টি ব্রড গেজ লাইনের কোচ।
এই প্রকল্প অনুযায়ী বাংলাদেশ রেলওয়ে মিটার গেজ লাইনের ১০০টি কোচ মেরামত করবে। এর মধ্যে ৪৬টি দ্বিতীয় শ্রেণীর, ২০টি দ্বিতীয় শ্রেণীর লাগেজ ব্রেক, ১৮টি শোভন চেয়ার, ৭টি ডাইনিং কার ডাইনিং কারসহ একটি শোভন চেয়ার, লাগেজ ব্রেক ভ্যানসহ ৬টি শোভন চেয়ার ও ব্রেক ভ্যানসহ ২টি শোভন চেয়ার কোচ।
এ ছাড়া ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকার ২৮৮টি বগি ও ২৭৭টি ফ্ল্যাট ওয়াগন মেরামত করেছে। এ সময় যুক্ত হয়েছে ৫১৬টি ফ্ল্যাট ওয়াগন ও ৩০টি ব্রেক ভ্যান।
রেলওয়ে মন্ত্রণালয় ১০৬টি নতুন ট্রেন চালু করেছে এবং ৩০টি ট্রেন সার্ভিস সম্প্রসারণ করেছে।
সরকার ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর রেলওয়ে মন্ত্রণালয়কে পৃথক করেছে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে সরকার ২৭,৭৮৭ দশমিক ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে এ পর্যন্ত ৫২টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলেন এমপি লিটন
                                  

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গুলিবিদ্ধ মনজুরুল ইসলাম লিটন মারা গেছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিনি মারা যান। ধাপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দিবাকর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে এমপির নিজ বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে তার পরিবার জানায়। সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি আতিয়ার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, সংসদ সদস্য লিটন তার নিজ বাড়ির উঠানে দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে বৈঠক করছিলেন। বৈঠক শেষে তিনি নিজ ঘরে প্রবেশের সময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এতে সংসদ সদস্য লিটন গুলিবিদ্ধ হন।

শিশু সৌরভকে গুলি করে বছরজুড়েই আলোচনায় ছিলেন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এমপি লিটন। বছরের শেষ দিনে নিজেই গুলিবিদ্ধ হয়ে ফের আলোচনায় এলেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের নিজ বাড়ি শাহাবাগে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

উল্লেখ্য, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের গোপালচরণ এলাকায় গত বছরের ২ অক্টোবর এমপি লিটনের পিস্তলের গুলিতে আহত হয় গোপালচরণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শাহাদত হোসেন সৌরভ (১২)। এ ঘটনায় গত ১৫ অক্টোবর থেকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে ২৪ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান আলোচিত এই এমপি।

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ৪ বন্দরে এক নম্বর সঙ্কেত
                                  

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। ফলে ধীরে ধীরে উত্তাল হয়ে উঠছে সাগর। দেশের চার সমুদ্র বন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সমুদ্র বন্দরগুলো হলো চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা জানান, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি কার্যত একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। রোববার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।
নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

‘সরকার পরিবর্তন বুলেটে নয়, ব্যালটে’
                                  

আওয়ামী লীগ নেতা এবং ২০তম জাতীয় সম্মেলনের ঘোষণাপত্র উপ-কমিটির আহ্বায়ক শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি জানিয়েছেন, দলের জাতীয় কাউন্সিলের ঘোষণাপত্রে অনির্বাচিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশ যাতে না পড়ে সে বিষয়টি স্পষ্ট থাকবে । আজ বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে উপ-কমিটির বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ২২ থেকে ২৩ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

শেখ সেলিম বলেন, ‘অনির্বাচিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশ যাতে না পড়ে সে বিষয়টি স্পষ্ট থাকবে। সরকার পরিবর্তন বুলেটে নয়, ব্যালটে হবে। সেই বিষয়টিও ঘোষণাপত্রে থাকবে। দেশকে আত্মনির্ভরশীল হিসাবে গড়ে তোলার দিকনির্দেশনাসহ ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে। এ ঘোষণাপত্রের আলোকে আওয়ামী লীগের আগামী নির্বাচনের ইশতেহার তৈরি করা হবে।’ আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর এই সদস্য বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথাটি বরাবরের মতো এবারও আমাদের ঘোষণাপত্রে থাকবে। দেশে একজন যুদ্ধাপরাধী থাকা পর্যন্ত তার বিচার হবে।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এ ঘোষণাপত্রে সামাজিক নিরাপত্তার কথা রাখা হয়েছে। সমাজে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূর করতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ থাকবে।’

শেখ সেলিম বলেন, ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের উন্নত সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত করার জন্য গৃহীত ১০টি মেগা প্রকল্পের ঘোষণা থাকবে। যা বাস্তবায়ন হবে ২০৪০ সালের মধ্যে। যা সম্পূর্ণ হলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত মজবুত হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমুদ্র জয় করেছি। সমুদ্রে যে প্রচুর পরিমাণ সম্পদ রয়েছে তা ব্যবহারের প্রক্রিয়াও আমাদের ঘোষণাপত্রে থাকবে।’

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- ঘোষণাপত্র উপ-কমিটির সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, আব্দুল মান্নান, আব্দুর রাজ্জাক, আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুন্নাহার লাইলী, র আ ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর
                                  

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়েছে।

আজ শনিবার রাত সাড়ে ১০টা ৩১মিঃ  দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর ফাঁসির মঞ্চে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হলো পাকিস্তানি খান সেনাদের সহযোগী ‘বাঙালি খান’ মীর কাসেম আলীকে।

চার দশক আগে তার পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও নেতৃত্বেই আলবদর বাহিনী চট্টগ্রামে সংগঠিত হয়। ওই বাহিনী সে সময় যে হত‌্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তাতে তিনি নিজেও অংশ নিয়েছেন। অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় কাসেম দণ্ডের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় পেতে পারেন না বলে রায় দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত।

জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের পর মীর কাসেম ছিলেন আলবদর বাহিনীর তৃতীয় প্রধান ব্যক্তি। ধারণা করা হয়, তার যোগানো অর্থেই স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী শক্ত ভিত্তি পায়।

বহু মানুষকে চট্টগ্রাম শহরের আন্দরকিল্লার ডালিম হোটেলে ধরে নিয়ে নির্যাতন; কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে সেখানে নির্যাতনের পর হত‌্যা এবং স্বাধীনতার পক্ষের লোকদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের মত ভয়ঙ্কর সব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েও মৃত্যুর আগে তার কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা করেননি ৬৪ বছর বয়সী কাসেম।

সব আইনি লড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর শনিবার রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ষষ্ঠ ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাজার রায় কার্যকর হল। তিনি হলেন জামায়াতের পঞ্চম শীর্ষ নেতা, চার দশক আগের অপরাধের কারণে যাকে ফাঁসিকাষ্ঠে যেতে হল। 

দণ্ড কার্যকরের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই কাসেমের লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে রাখা হয়। এই যুদ্ধাপরাধীর কফিন নিয়ে যাওয়া হবে মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে, সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

 

‘বাড়িঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বের হোন’
                                  

নব আলো:ঈদ উপলক্ষে গ্রামে যাওয়ার আগে বাড়িঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাসা থেকে বের হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘ঈদে যারা প্রিয়জনদের সাথে ঈদ করার জন্য যারা বাড়ি ফিরছেন, যার যার বাড়িঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাসা থেকে বের হোন।’

রোববার (২৭ জুন) দুপুরে আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে অসহায় এতিম ও দুস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পুলিশের লালবাগ বিভাগ।

এর আগে ২০১২ সালে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছিলেন, ‘যারা বাসাবাড়ি বা দোকানপাট বন্ধ রেখে ঢাকার বাইরে যাবেন, তাদেরও ঠিকমতো তালা বন্ধ করে যেতে হবে। এ সময় তাদেরও নিজস্ব নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকা দরকার।’ এ বক্তব্যের পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এবার ‘একই ধাঁচের’ কথা বললেন ডিএমপি কমিশনার।

চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই প্রসঙ্গে কমিশনার বলেন, ‘অতীতের যেকোনো সময়ের থেকে এখন রাজধানীতে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মত অপরাধ অনেক কম। আমি অনেক জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েছি। সবাই বলেছে এবার কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে না’ কেউ যদি চাঁদাবাজির অভিযোগ জানান, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন ডিএমপি কমিশনার।

লাকসামের নবাব হাউজের স্মৃতি বিলীনের পথে
                                  

নব আলো:বাংলাদেশের একমাত্র নারী নবাব লাকসামের ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর নবাব হাউজ রক্ষনাবেক্ষন, সংস্কারের অভাব ও প্রভাবশালীদের দখলের ফলে স্মৃতি আজ ধ্বংস হয়ে বিলীনের পথে। দীর্ঘ কয়েক যুগ পার হলেও সরকারি ওয়াকফ অধিদফতর নওয়াব ফয়জুন্নেছার নবাব বাড়ীর তেমন কোন উন্নয়ন করেনি। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল নওয়াব ফয়জুন্নেছার বংশধরদের যোগসাজোসে ওয়াকফকৃত সম্পত্তি বিক্রি ও দখলে নেওয়ায় তার স্মৃতি আজ বিলিনের পথে। নবাব ফয়েজুন্নেছার বংশধর ও মোতয়াল্লীদের অবহেলায় এ স্মৃতি ধ্বংস ও বিলীন হবার পথে বলে মনে করছেন ওয়াকফ এস্টেট।
জানা গেছে, লাকসাম ডাকাতিয়া নদীর উত্তরতীরে খান বাহাদুর বাড়িতে এশিয়ার মহিয়সী নারী নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী ১৮৩৪ সালে জম্ম গ্রহণ করেন।
রূপজালাল নামে গ্রন্থ বাংলাভাষায় লিখিত মাহিলাদের মধ্যে সর্বাগ্রে প্রকাশিত বই। মহিলা লেখিকাদের সাহিত্যের ইতিহাসে এটি এক বিরল দৃষ্টান্ত।নবাব ফয়জুন্নেছার রূপজালাল কাব্যগ্রন্থ তার স্বামী গাজী চৌধুরীর নামে উৎসর্গ করেন। নবাব ফয়জুন্নেছার পিতার নাম সৈয়দ আহম্মদ আলী চৌধুরী। তার মাতার নাম আরফান্নেছা চৌধুরীরানী। ফয়জুন্নেছার ভাই বোনদের মধ্যে তিনিই জমিদারি পরিচালনার প্রশিক্ষণ পান। তৎকালীন হোমনাবাদ পরগনার বিরাট জমিদারি তিনি পরিচালনা করেন। নবাব ফয়জুন্নেছার গৃহশিক্ষক ছিলেন তাজ উদ্দিন। ১৯০৩ সালের অক্টোবর মাসে ১৩১০ বাংলা ২০ আশ্বিন নবাব ফয়জুন্নেছা ইন্তেকাল করেন। তার জমিদারীর ১১টি কাচারির মধ্যে প্রত্যেকটির পাশে বিশুদ্ধ পানির জন্য পুকুর খনন করেন এবং মক্তব ও প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন। তিনি ইসলামী কায়দায় বোরকা পড়ে পালকি চড়ে প্রত্যেকের সুখ-দুঃখ দেখতে গ্রামে গ্রামে যান। বালিকা বিদ্যালয় কালের সাক্ষ্য বহন করেছে নবাব বাড়ীর বালিকা বিদ্যালয়টি। কালক্রমে লাকসাম ফয়জুন্নেছা ও বদরুন্নেছা যুক্ত উচ্চ বিদ্যালয় (বি.এন হাই স্কুল) রূপ নিয়েছে। তৎকালের মাদ্ররাসা আজ লাকসাম নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ হিসেবে শিক্ষার দ্বার উম্মোচন করছে। ব্রিটিশ সরকারের রানী নবাব ফয়জুন্নেছাকে বেগম উপাধিতে ভূষিত করেন জেলার বরুড়া উপজেলার বাকশার গ্রামের গাজী চৌধুরী প্রথমে বেগম নজমুন্নেছার পর ফয়জুন্নেছাকে বিয়ে করেন। সতিনের যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে স্বামী বাড়ী ত্যাগ করে লাকসামের পশ্চিমগাঁওতে স্থায়ী বসবাস করেন। স্বামী গাজী চৌধুরী দারুণ ব্যাথা বেদনায় কুমিল্লা শহরের মীর বাড়ীতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নবাব ফয়জুন্নেছার দুই মেয়ের মধ্যে বদরুন্নেছা চৌধুরানী ও সৈয়দা আসাদুন্নেছা চৌধুরানী। তিনি কুমিল্লা শহরে ১৮৭৩ সালে নিজ নামে নাজুয়া দীঘির পাড়ে প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং বাদুরতলায় উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। বেগম রোকেয়ার সাত বছর পূর্বে লাকসামের নবাব ফয়জুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন এবং দুই বছর পর স্যার সৈয়দ আহম্মদ আলী ১৮৭৫ সালে প্রথম মুসলিম কলেজ এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজ পরবর্তী সময়ে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাত স্থাপন করেন। নবাব ফয়জুন্নেছা মক্কা শরীফে মুসাফির খানা ও মুক্তব প্রতিষ্ঠা করেন এবং মাওলাতিয়া মাদ্রাসা স্থাপনে তিনি সাহায্য করেন। ১৮৯৯ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্নে নবাব ফয়েজুন্নেছা প্রচুর অর্থ সাহায্য করেন। নবাব ফয়জুন্নেছার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারী ওয়াকফে দান করা। নবাব ফয়েজুন্নেছা রচিত কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৭৬খ্রিঃ। মিশ্র ভাষারীতির লেখা গদ্য ও পদ্যে তার গ্রন্থ রচনা করেন। লাকসামে নবাব ফয়েজুন্নেছা তার বাড়ীর পাশে ১০ গম্বুজ মসজিদ স্থাপন করেন। মসজিদের দক্ষিণ পাশে পারিবারিক কবরস্থানে নবাব ফয়েজুন্নেছার আত্মার নশ্বরদেহ চিরদিনের জন্য সমাহিত রয়েছে। নবাব ফয়েজুন্নেছার স্মৃতি দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রচুর দর্শনাথীর আগমন ঘটে। নবাববাড়ীর নবাব ফয়েজুন্নেছা হাউজ সরকারিভাবে রক্ষনাবেক্ষন ও সংস্কারের অভাবে ধ্বংস ও বিলীন হবার পথে। নওয়াব ফয়জুন্নেছার রেখে যাওয়া সম্পদ সরকারের অনুমতি ছাড়াই চার ঘাটলা দীঘি ভরাট ও বিভিন্ন অজুহাত সম্পত্তি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে নওয়াব ফয়জুন্নেছার সরকারের ওয়াকফ অধিদফতরের কর্মকর্তারা দায়িত্বে থাকলেও কাগজে কলমে তা সীমাবদ্ধ। বাংলাদেশের গৌরব নবাব ফয়জুন্নেছার নবাব বাড়ীর বিশাল সম্পদ সরকারীভাবে রক্ষনা বেক্ষনসহ ঐতিহ্যবাহী এ নবাব বাড়ীকে পর্যটন কেন্দ্র করার দাবী জানান এলাকাবাসী।
লাকসাম উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, নবাব ফয়েজুন্নেছার বাড়ী নিজ উদ্যোগে গত কয়েক দিন আগে সংস্কার করা হয়েছিল। তার স্মৃতিরক্ষায় সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর ওয়াকফ এস্টেটের অর্থ হিসাব নিরিক্ষক মোহাম্মদ আলা উদ্দিন বলেন, নবাব ফয়েজুন্নেছার বাড়ীসহ তার স্মৃতিরক্ষায় গত বছর পরির্দশন করে বংশধর ও মোতয়াল্লীকে সঠিকভাবে রক্ষনা বেক্ষনের নিদের্শ দেয়া হয়েছে। বংশধর ও মোতয়াল্লীদের অবহেলায় এ স্মৃতি বিলিনের পথে।

 


   Page 1 of 2
     এক্সক্লুসিভ
খুলনার সঙ্গে ১৩ ঘন্টা পর আংশিক রেলযোগাযোগ শুরু
.............................................................................................
কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই
.............................................................................................
বিচ্ছিন্ন দিনাজপুর, রেল যোগাযোগ বন্ধ
.............................................................................................
‘সেদিন বঙ্গবন্ধুর পাশের চেয়ারে বসেছিলাম’
.............................................................................................
চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনিরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী রোববার
.............................................................................................
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত
.............................................................................................
অপহরণ রুখলেন মহিলা শ্যুটার
.............................................................................................
নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
.............................................................................................
দেশের সকল জেলাকে রেলের আওতায় আনা হবে : রেলপথ মন্ত্রী
.............................................................................................
মিটার গেজ লাইনের জন্য আরো ১০০ কোচ মেরামত করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে
.............................................................................................
নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলেন এমপি লিটন
.............................................................................................
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ৪ বন্দরে এক নম্বর সঙ্কেত
.............................................................................................
‘সরকার পরিবর্তন বুলেটে নয়, ব্যালটে’
.............................................................................................
মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর
.............................................................................................
‘বাড়িঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বের হোন’
.............................................................................................
লাকসামের নবাব হাউজের স্মৃতি বিলীনের পথে
.............................................................................................
আপু তোর শাড়িটা দেওয়া হলো না
.............................................................................................
ওমরাহ পালন করলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
কিডনি বিক্রির হুমকি দিত পাচারকারীরা : র‌্যাব
.............................................................................................
শৈলকুপায় স্কুলগামী ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ
.............................................................................................

সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবদুল মালেক, যুগ্ন সম্পাদক: নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া । সম্পাদক র্কতৃক ২৪৪ ( প্রথম তলা ) ৪ নং জাতীয় স্টেডিয়াম, কমলাপুর, ঢাকা -১২১৪ থেকে প্রকাশিত এবং স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২ টয়েনবি র্সাকুলার রোড, ঢাকা -১০০০ থেকে মুদ্রিত । ফোন:- ০২-৭২৭৩৪৯৩, মোবাইল: ০১৭৪১-৭৪৯৮২৪, E-mail: info@dailynoboalo.com, noboalo24@gmail.com Design Developed By : Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD