বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর 2020 | ,২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   দেশজুড়ে -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
উপকূলে আম্ফানের তাণ্ডব শুরু

সাতক্ষীরার উপকূলে ঝড় তুলেছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ইতোমধ্যে প্রচুর ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে উপকূলীয় এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় নদীতে ঢেউ ও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। 

শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহিন বিল্লাহ জানান, দুপুর থেকে প্রচুর ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত এই অঞ্চলের মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়নি। ঝড়বৃষ্টি শুরু হওয়ায় মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে বেগ পেতে হবে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ.ন.ম আবুজর গিফারী বলেন, উপকূলীয় এলাকায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ঝড়ের আগে বৃষ্টি হবে- এটাই স্বাভাবিক। আগেও আমাদের বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করছি, উপকূলীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে সমস্যা হবে না। আমাদের টিম কাজ করছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দুই হাজার মানুষকে আমরা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছি। দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের জন্য উদ্ধারকাজে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ডের দল প্রস্তুত। মেডিকেল টিমও আমরা প্রস্তুত রেখেছি।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি প্রতি ঘণ্টায় ২২৫-২৪৫ কিলোমিটার গতিবেগে বাংলাদেশের উপকূলে ধেয়ে আসছে। আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড়টি। তখন গতিবেগ থাকবে প্রতি ঘণ্টায় ১৪০-১৬০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে উপকূলে ৫-১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা উপকূলে প্রথমে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপকূলে আম্ফানের তাণ্ডব শুরু
                                  

সাতক্ষীরার উপকূলে ঝড় তুলেছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ইতোমধ্যে প্রচুর ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে উপকূলীয় এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় নদীতে ঢেউ ও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। 

শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহিন বিল্লাহ জানান, দুপুর থেকে প্রচুর ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত এই অঞ্চলের মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়নি। ঝড়বৃষ্টি শুরু হওয়ায় মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে বেগ পেতে হবে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ.ন.ম আবুজর গিফারী বলেন, উপকূলীয় এলাকায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ঝড়ের আগে বৃষ্টি হবে- এটাই স্বাভাবিক। আগেও আমাদের বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করছি, উপকূলীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে সমস্যা হবে না। আমাদের টিম কাজ করছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দুই হাজার মানুষকে আমরা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছি। দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের জন্য উদ্ধারকাজে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ডের দল প্রস্তুত। মেডিকেল টিমও আমরা প্রস্তুত রেখেছি।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি প্রতি ঘণ্টায় ২২৫-২৪৫ কিলোমিটার গতিবেগে বাংলাদেশের উপকূলে ধেয়ে আসছে। আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড়টি। তখন গতিবেগ থাকবে প্রতি ঘণ্টায় ১৪০-১৬০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে উপকূলে ৫-১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা উপকূলে প্রথমে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।

সন্ধ্যা পর সব দোকান ও বাজার বন্ধ
                                  

সন্ধ্যার পর রাজধানীর সব কাঁচাবাজার, সুপারশপ ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তবে শুধুমাত্র ওষুধের দোকান খোলা রাখা যাবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান।

তিনি বলেন, সুপারশপ ও স্বীকৃত কাঁচাবাজারগুলো ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

আর পাড়ামহল্লার দোকানগুলো ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। শুধুমাত্র ওষুধের দোকান খোলা থাকবে।

মাসুদুর রহমান জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই মধ্যে ডিএমপির সব বিভাগকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের কান্দিলায় সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৬, আহত ১০
                                  

জেলার সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ঘারিন্দা ইউনিয়নের কান্দিলায় আজ একটি সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক উল্টে ৬ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছে। আজ শনিবার ভোরে এ সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলো, টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার চর বাধাই গ্রামের সমতুল্লার ছেলে জুলহাস আলী (৫০) ও বগুড়া জেলার দুপচাচিয়া এলাকার মৃত কাদেরের ছেলে আলেক (৪৫)। নিহত অপর ৪ জনের পরিচয় জানা যায়নি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সার্জেন্ট কামাল হোসেন জানান, শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকার কাওরান বাজার হতে ছেড়ে আসা সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১১-১১৭১) বগুড়া যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কান্দিলা এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ট্রাকটি রাস্তার আইল্যান্ডের সাথে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এ ঘটনায় সিমেন্টের বস্তার নীচে ১৬ জন লোক আটকা পড়ে। তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার ৫ জনকে মৃত ঘোষনা করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ১ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় একজন নারীসহ অপর ১০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার শফিকুল ইসলাম জানান, হতাহতরা সবাই নি¤œ আয়ের মানুষ। করোনা আতঙ্কে গণপরিবহন না থাকায় তারা ট্রাকের করে বাড়ি ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালায়।

ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে বসছে না স্প্যান
                                  

পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যানটি বসানো হয়েছিল গত ২৩ এপ্রিল। এদিন শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ৩৩ ও ৩৪ নম্বর পিয়ারের ওপর বসানো হয় এই স্প্যান। এর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় ১ হাজার ৬৫০ মিটার।

১০ দিনের ব্যবধানে শুক্রবার আরেকটি স্প্যান বসানোর কথা ছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে, এই আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে। ফলে শুক্রবার বসানো হচ্ছে না ১২তম স্প্যানটি।

শুক্রবার সেতুর মাঝামাঝি অংশে ২০ ও ২১ নম্বর পিয়ারের ওপর ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যান বসানোর কথা ছিল।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে স্প্যানটি ভাসমান ক্রেনে করে মাঝনদীতে নিয়ে যাওয়া এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পরদিন শুক্রবার সকালে স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে এটা স্থগিত করা হয়েছে। ঝড়টি সরে গেলে ৬/৭ তারিখে এটি বসানো হতে পারে।

লেভেল ক্রসিং যেন মরণফাঁদ : ৮ মাসে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৩২০
                                  

অরক্ষিত ক্রসিং, গেটম্যানের অবহেলা আর জনসচেতনতার অভাবে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে রেলপথের লেভেল ক্রসিংগুলো। এসব কারণে প্রায়ই ঘটছে প্রাণহানির মতো ঘটনা। গত কয়েকমাসে লেভেল ক্রসিংগুলোতে রেলের সঙ্গে অন্যান্য পরিবহনের সংঘর্ষে ও ট্রেনে কাটা পড়ে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। : সর্বশেষ গত ২ সেপ্টেম্ব^র ভোরে চট্টগ্রামের বারৈয়ারহাট লেভেল ক্রসিংয়ে ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে খাগড়াছড়িগামী এস আলম পরিবহনের একটি বাসের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই বাসযাত্রী নিহত হন। আহত হয়েছেন অন্তত আরও ২৫ জন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গেটম্যানের অবহেলার কারণে গতকাল বারৈয়ারহাট লেভেল ক্রসিংয়ে ওই ভায়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকে রেল ক্রসিংয়ের দায়িত্বে থাকা গেটম্যানের নাম মো. আরিফ পলাতক রয়েছে। গেটম্যানদের অবহেলায় বারৈয়ারহাট লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা কোনো নতুন বিষয় নয়। ২০১৬ সালের ৩১ জুলাই আরও একবার দুর্ঘটনায় পতিত হয় ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা বিজয় এক্সপ্রেস। গতকালের মতোই ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রামমুখী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনটি ধাক্কা দেয় খাগড়াছড়িগামী রিফাত পরিবহনকে। ওই দুর্ঘটনায় কেউ মারা না গেলেও ১৫ জন বাসযাত্রী আহত হন। সেদিন গেটম্যান ছাবের ঘুমিয়ে ছিলেন। ওই দুর্ঘটনার মাত্র সাত দিন আগে ২৪ জুলাই এই লেভেল ক্রসিংয়েই গেটম্যানের অবহেলার বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পড়তে যাচ্ছিল চট্টগ্রামমুখী আন্তঃনগর ট্রেন সোনার বাংলা। তবে একদম শেষ মুহূর্তে চালকের বিচক্ষণতায় অল্পের জন্য রক্ষা পায় হাজারখানেক যাত্রী। সেই দিনও লেভেল ক্রসিংয়ে গেট না ফেলে অন্যত্র চলে যায় গেটম্যান ছাবের। পরে গেট থেকে প্রায় ৩শ গজ দূরে বারইয়ারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে চালক ট্রেনটি থামান। বিভিন্ন সময় ট্রেন দুর্ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কারণে দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে। এর মধ্যে রয়েছে অবৈধ লেভেল ক্রসিং, বৈধ ক্রসিংগুলোতে প্রয়োজনীয় গেটম্যান না থাকা, গেটম্যানদের গাফিলতি এবং যথাযথ সিগন্যালের অভাব, সিগন্যাল না মানা ও অসাবধানতা। : রেলওয়ে সূত্র জানায়, গত ২০ বছরে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ৫৭০টিরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের গত আট মাসে রেললাইনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৩২০ জনের। ২০১৭ সালে মৃত্যু হয়েছে ৮১২ জনের। ২০১৬ সালে রেল দুর্ঘটনা ও রেললাইনে কাটা পড়ে মারা যান ৩০৫ জন। ২০১৫ সালে মারা গেছেন ২৯২ জন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের দুই-তৃতীয়াংশ লেভেল ক্রসিংয়েই কোনো গেটম্যান নেই। এর বাইরে আরও সহস্রাধিক অবৈধ লেভেল ক্রসিং থাকলেও এগুলোতেও নেই কোনো নজরদারি। গেটম্যানবিহীন লেভেল ক্রসিংগুলোতে যানবাহন ও পথচারীদের নিজ দায়িত্বে চলাচলের জন্য সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রেখে দায় সারছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে একের পর এক প্রাণ। রেলের পূর্বাঞ্চলে ১ হাজার ২৪৫টি বিভিন্ন ধরনের লেভেল ক্রসিং রয়েছে। রেলের পূর্বাঞ্চলের হিসেবে অবৈধ ক্রসিংয়ের সংখ্যা ৮৮১টি। এর বাইরে আরও সহস্রাধিক অবৈধ লেভেল ক্রসিং রয়েছে।  বৈধ ক্রসিংগুলোতেও আবার প্রয়োজনীয় গেটম্যান নেই। প্রায় সাড়ে ১২শ  বৈধ ক্রসিং তদারকির জন্য স্থায়ী গেটম্যান রয়েছেন মাত্র ৪৩৪ জন। সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে পাওয়া তথ্য মতে, রেলের পূর্বাঞ্চলে এলজিইডির অধীনে ২৫৩টি অবৈধ লেভেল ক্রসিং রয়েছে। সড়ক ও জনপথের ৬, পৌরসভা ৬৫, সিটি করপোরেশন ১৯, ইউনিয়ন পরিষদ ৩২৪, জেলা পরিষদ ১৩, বেসরকারি সংস্থা ৩, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ৩ এবং অন্যান্য সংস্থার অধীনে ৯২টি ক্রসিং রয়েছে। বাকি ৩৩টি অবৈধ লেভেল ক্রসিং কার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা জানে না রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল বলেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) আওতায় গ্রামীণ সড়ক পাকা হওয়ায় যানবাহনের সংখ্যা ও রাস্তা উভয়ই বেড়েছে। কী পরিমাণ সড়ক ও কত যানবাহন বাড়ল তার প্রকৃত হিসাব বা তথ্য রেল কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। একই কারণে রেল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই অননুমোদিত রেল ক্রসিংয়ের সংখ্যা বেড়েছে। রেলগেট সুরক্ষার ব্যয় সংকুলান করতে পারছে না রেল কর্তৃপক্ষ। তার পরেও গত ফেব্রুয়ারি মাসে অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা রোধে লেভেল ক্রসিংয়ে ১ হাজার ৩৮ গেটম্যান নিয়োগ দিয়েছে রেলওয়ে।’ : তিনি আরও বলেন, ‘রেলের পূর্বাঞ্চলে ১ হাজার ২৪৫টি বিভিন্ন ধরনের লেভেল ক্রসিং রয়েছে। অবৈধ ক্রসিংয়ের সংখ্যা আরও সহস্রাধিক। এ অবস্থায় নতুন নিয়োগ পাওয়া অস্থায়ী গেটম্যান দিয়েও সব লেভেল ক্রসিংয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। একটি লেভেল ক্রসিংয়ে তিনজন করে গেটম্যান কাজ করলেও মাত্র ৩৪৬টি লেভেলক্রসিং সুরক্ষিত করা যাবে।

ঈদের ট্রেনযাত্রা শুরু
                                  

শুরু হয়ে গেছে ঈদযাত্রা। ঢাকা ছেড়ে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ। রোববার (১০ জুন) সকাল থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে বাড়ি ফেরার ভিড় জমতে দেখা যায়। 

স্টেশন সূত্র জানা গেছে, আজ কমলাপুর স্টেশন থেকে ৬৩টি ট্রেন ছেড়ে গেছে। এরমধ্যে ২৮টি আন্তঃনগর। বাকিগুলো মেইল, এক্সপ্রেস এবং লোকাল ট্রেন। ১ জুন যারা ঈদের অগ্রিম টিকিট কিনেছিলেন, তারাই আজ বাড়ির পথে যাত্রা শুরু করেছেন।

ভোগান্তি পেরিয়ে যারা টিকিট পেয়ে ছিলেন তাদের চোখে মুখে ছিলো হাসির ঝিলিক। তারা আজ বাড়ি যাচ্ছেন নাড়ীর টানে। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে তাই ঢাকা ছাড়ছেন উচ্ছ্বাস নিয়ে। এক যাত্রী বলেন, ‘ঈদের আগ মুহূর্তে ব্যাপক ঝামেলা থাকে। তাই গত ১ জুন অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করেছি। আজ বাড়ি ফিরতে যাত্রা শুরু করেছি।’

জামালপুরগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনে পরিবারের সদস্যদের তুলে দিতে কমলাপুর এসেছেন একটি ডেইরি ফার্মের কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘অনেক ভিড়। দুর্ভোগ এড়াতেই পরিবারকে আগে পাঠিয়ে দিচ্ছি।’  

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার বেলা ১২টা পর্যন্ত ৩০টির মতো ট্রেন কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে গেছে।

স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্ত্তী সাংবাদিকদের বলেন, ‘রোববার সকাল থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো তো স্বাভাবিক ভিড় ছিল। এখনও উপচেপড়া ভিড় শুরু হয়নি। ১২ জুন থেকে ভিড় বাড়বে। এছাড়া সকালে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৩০ মিনিট দেরি করেছে। সেটা দেরি করেই স্টেশনে এসেছিল। বাকি ট্রেনগুলো সব ঠিক সময়ে ছেড়েছে। অগ্রিম টিকিট ছাড়াও দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিটও বিক্রি করা হবে।’

তিনি জানান, অগ্রিম টিকিটসহ সব মিলিয়ে ৭৫ হাজারের মতো টিকিট দেওয়া হয়েছে। ঈদের আগে যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী কিছু স্ট্যান্ডিং টিকেটও দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে প্রায় এক লাখ যাত্রী যেতে পারবে।

শুক্রবার থেকে বাড়বে বৃষ্টির প্রবণতা
                                  

আগামী শুক্রবার থেকে সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরো বাড়তে পারে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গতকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থা আরো দুই থেকে তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ নিঝুম রোকেয়া আহম্মেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে ঢাকা, ফেনী, কুমিল্লা মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুরের অনেক জায়গায় বৃষ্টি ও ছোট আকারের কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। সেইসাথে বিজলি চমকানোসহ বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কম থাকলেও দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তা বাড়তে পারে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল চট্টগ্রাম, ঢাকা, ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ, বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে বিস্তার লাভ করেছে। আবহাওয়ার অবস্থা দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আরো অগ্রসর হওয়ার অনুকূলে রয়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপ ভারতের বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বাসের অগ্রিম টিকেট ৩০ মে থেকে
                                  

ঈদ উপলক্ষে সড়কপথে যাতায়াতের জন্য বাসের অগ্রিম টিকেট আগামী ৩০ মে থেকে বিক্রি শুরু হবে। সোমবার (২৮ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সোহেল তালুকদার।

আগামী ৩০ মে থেকে ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের আগাম টিকেট বিক্রি শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাস মালিকরা। একইসঙ্গে সেদিন থেকেই উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটের বাসের টিকেট বিক্রি শুরু হবে।

বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সোহেল তালুকদার জানান, দূরপাল্লার পরিবহন মালিকদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ৩০ মে বিক্রি হবে ৭ জুন যাত্রার টিকেট। যাত্রীদের চাহিদা অনুসারে কাউন্টারে টিকেট অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত বিক্রি চলবে। টিকেট থাকা সাপেক্ষে সর্বোচ্চ চারদিন বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, গাবতলী, শ্যামলীসহ বিভিন্ন এলাকার কাউন্টার থেকে অগ্রিম টিকেট বিক্রি হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত দেশের উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য প্রতিবছর বিভিন্ন রুটে বাসের অগ্রিম টিকেট বিক্রি হয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। গত শুক্রবার রাতে বাস-ট্রাক মালিক সমিতির বৈঠক থেকে অগ্রিম টিকেট বিক্রির তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।

প্রসঙ্গত, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে।

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ শুরু আগামীকাল
                                  

জাটকা রক্ষার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগামীকাল শনিবার জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০১৮ শুরু হচ্ছে।
আগামীকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ পালন করা হবে। 
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উপলক্ষে আজ পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এবার সপ্তাহটির প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে, ‘জাটকা ধরে করবো না শেষ, বাঁচবে জেলে হাসবে দেশ।’
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বছর মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মেদীমন্ডল ইউনিয়নের কালিরখিল মাঠে এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পদ্মা নদীতে নৌ-র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, মানুষকে সচেতন করতেই এ সপ্তাহ। এ লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে।

আইন-শৃংখলা ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইজিপি
                                  

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারি বলেছেন, দেশের আইন-শৃংখলা ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ সক্ষম এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সকলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবেন। তারপরও যদি কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জননিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটনোর অপচেষ্টা করেন তাহলে আমরা আইনগতভাবে তা মোকাবেলা করবো। আইজিপি আজ বুধবার বিকেলে পুলিশ সদর দফতরের পাবলিক অ্যান্ড মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, একটি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সারাদেশের মানুষের মধ্যে এক ধরনের প্রচ্ছন্ন উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম বিশেষ করে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়া সূত্রে আমরা এ কথা জেনেছি।
পুলিশ প্রধান বলেন, নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টির যে কোন অপচেষ্টা পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে কঠোরভাবে মোকাবেলা করবে। কোন অবস্থাতেই এ ধরনের অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না। জাবেদ পাটোয়ারি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে পুলিশ ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীসহ দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
নাগরিকদের কোন গুজবে কান না দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে আইজিপি বলেন, আপনারা ভীত না হয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখুন। কোথাও সন্দেহজনক কোন কিছু পরিলক্ষিত হলে নিকটস্থ পুলিশকে অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে অবহিত করুন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কোন কারণ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশে পুলিশ সবসময় মামলার আসামি ও অপরাধীদের গ্রেফতার করে থাকে। এটা রুটিন ওয়ার্ক। গত ৭ দিনে গড়ে ৫৯ জনের বেশি গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

রোহিঙ্গাদের বিয়ে না করতে প্রজ্ঞাপন জারি
                                  

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে না জড়ানোর জন্য বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে তারা।

আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা ৭-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জি এম নাজমুছ শাহাদাৎ স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশি ছেলেদের সঙ্গে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মেয়েদের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কতিপয় নিকাহ রেজিস্ট্রার এই অপতৎপরতায় লিপ্ত। এ কারণে বিশেষ এলাকা- কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলায় বিয়ে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বর-কনে উভয়ে বাংলাদেশি নাগরিক কি না তা নিশ্চিত হতে হবে। বর-কনের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব নিকাহ রেজিস্ট্রারকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।’

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে গাফিলতি দেখা গেলে দায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার রেজিস্ট্রারদের বিষয়টি তদারকির জন্য নির্দেশ দেয়া হলো।

পণ্যবাহী পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ঘোষণা ৫ দফা না মানলে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি
                                  

পণ্যবাহী পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন মালিক-শ্রমিকেরা। এরই মধ্যে দাবি মেনে না নিলে ২৯ অক্টোবর থেকে ৪৮ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন তারা।
গতকাল মঙ্গলবার কর্মবিরতি সফল করার লক্ষ্যে বৃহত্তর চট্টগ্রাম পণ্যবাহী পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এক সভায় এই ঘোষণা দেয়। সকাল ১০ টায় কদমতলী পলাশী চত্বর ট্রাক মার্কেটে পরিষদের আহ্বায়ক চৌধুরী জাফর আহমদের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিউর রহমান টিপু। সভায় পণ্যবাহী পরিবহন বৃহত্তর চট্টগ্রাম ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-প্রাইমমুভার ট্রেইলার-ট্যাংকলরিসহ পণ্যবাহী পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
৫ দফা দাবিগুলো হল : মহাসড়কে ওভাররোড নিয়ন্ত্রণের নামে ওজন পরিমাপক যন্ত্রে হয়রানি-চাঁদাবাজি বন্ধ। বন্দরে প্রবেশে হয়রানি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রাক ও কভার্ডভ্যান থেকে ৫শ টাকার । ৯ম পৃষ্ঠার ৪র্থ ক.
স্থলে ১০ হাজার টাকার কর প্রত্যাহার। চালক-হেলপারদের সহজ পদ্ধতিতে লাইসেন্স প্রদান করা। পুলিশের চাঁদাবাজি-নির্যাতন বন্ধ করা। বে-টার্মিনালের পাশে (জেলেপাড়া) ট্রাক কাভার্ডভ্যান ও প্রাইমমুভারের জন্য আলাদা টার্মিনাল নির্মাণ করা।
ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক চৌধুরী জাফর আহমদ বলেন, ‘৫ দফা দাবি-দাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি। দাবিগুলো মেনে নেওয়ার জন্য সরকারকে কয়েক দফা সময় দিয়েছি। কিন্তু সরকার আমাদের যৌক্তিক দাবির প্রতি কর্ণপাত করেনি। এখন ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত পুনরায় সময় বেঁধে দিয়েছি। এরমধ্যে দাবি মেনে না নিলে ৪৮ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হবে। এরপর কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের লাইফ লাইন খ্যাত হচ্ছে পরিবহন খাত। সেই পরিবহন খাত আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। তারা দাবি করেন, ২০১৩ সালে দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতে (জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন) ৯৩ জন চালক-হেলপারকে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক মালিকদের সহায়-সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে। তারপরও গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হয়নি। এবার বাধ্য হয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক। বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর চট্টগ্রাম ট্রাক, মিনি ট্রাক মালিক ফেডারেশনর সহ-সভাপতি মো. জয়নাল আবেদিন, চট্টগ্রাম জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সবুর, আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি লতিফ আহাম্মদ, কার্যকরি সভাপতি আনিল চন্দ্র পাল, চট্টগ্রাম প্রাইমমুভারস ওনার্স এসোসিয়েশানের সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাশেম, প্রাইমমুভারস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাঈন উদ্দিন, চট্টগ্রাম ট্রাস্টপোর্ট ব্যবসায়ি সমিতির কার্যকরী সভাপতি আজিজুল হক, বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান চালক-শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান, চট্টগ্রাম জেলা ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বন্দোবস্তকারী সাধারণ সম্পাদক নূর খান, চট্টগ্রাম আন্ত:জিলা মালিক সমিতির সহ-সভাপতি এম কিবরিয়া দোভাষ, হাজী ঈসা দুলাল, যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান রুবেল, চট্টগ্রাম জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, চট্টগ্রাম ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এম জসিম উদ্দিন রানা, রাঙ্গামাটি জেলা ট্রাক সড়ক পরিবহন ইউনিয়নের সভাপতি শাহাদাত হোসেন, শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ওমর ফারুক, পতেঙ্গা হালিশহর ট্রাক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মো. হারুন, চট্টগ্রাম প্রাইমমুভারস ওনার্স এসোসিয়েশানের বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মো. মোর্শেদ, মো. ওবায়দুর রহমান, মো. বেলাল, মো. বাদশা, মো. হোসেন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন আমাদের ঘোষিত দাবি ও কর্মসুচি কোন ব্যাক্তি, সংগঠন বা বিশেষ গোষ্ঠির হীন স্বার্থ উদ্ধারের জন্য নয়। এই কর্মসুচি বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ সারা দেশের পণ্য পরিবহন খাতের হাজার হাজার অবহেলিত মালিক, চালক, সহকারী, জীবন-জীবিকা রক্ষার কর্মসূচি।
সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিউর রহমান টিপু বলেন, ‘গত ৩০ জুন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলো মেনে না নেওয়ায় এখন আন্দোলনে যেতে হচ্ছে।’

রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে রাস্তা নির্মাণে সরকারের ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ
                                  

 সরকার মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত জনগণকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজারের ১২ টি অস্থায়ী শরণার্থী শিবিরে রাস্তা নির্মাণে ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র বাসস’কে জানায়, এলজিআরডি মন্ত্রণালয় কক্সবাজারের ১২টি শরণার্থী শিবিরে রাস্তা নির্মাণে এই অর্থ বরাদ্দ করেছে। 
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন বলেন, এছাড়াও সরকার ১২টি শরণার্থী শিবিরে ১২শ’ স্যানিটারি ল্যাট্রিন তৈরি ও ১২শ’ নলকূপ বসাচ্ছে। তিনি বলেন, প্রত্যেক শরণার্থী শিবিরে একশ’টি করে টয়লেট নির্মাণ করা হবে, যার মধ্যে থাকবে ৬০টি মহিলা ও ৪০টি পুরুষদের জন্য। ‘কক্সবাজারের ১২টি শরণার্থী শিবিরে দুইশ’-এর মতো টয়লেট ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে এবং পরবর্তী ২/৩ দিনের মধ্যে বাকিগুলোর নির্মাণকাজ শেষ হয়ে যাবে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে গঠিত সমন্বয় কমিটি প্রতিদিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকে বসছে এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) কবির বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সমন্বয় কমিটি বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বর্তমানে ৭২তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করা হচ্ছে। এব্যাপারে তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং সেখান থেকে ই-ফাইলিংয়ে স্বাক্ষর করছেন।

রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি হচ্ছে ১৪ হাজার তাঁবু
                                  

কক্সবাজারের বালুখালী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৪ হাজার তাঁবু তৈরি করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আজ রোববার থেকে তাঁবু তৈরির কাজ শুরু করেছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁবু নির্মাণ কাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।বাংলাদেশ সেনা বাহিনীও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হবে। 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার দেয়া ত্রাণ সামগ্রী ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে পরিবহন করে কক্সবাজারে জেলা প্রশাসকের দফতরে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বও পালন করবে সেনাবাহিনী।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে এক সমন্বয় সভা রোববার সকালে অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে রোহিঙ্গাদের একটিমাত্র ক্যাম্প বালুখালীতে স্থানান্তর, প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশনসহ বিভিন্ন বিষয় নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের সাথে যৌথভাবে কাজ করবে জাতিসংঘের দুই সংস্থা ইউএসএইচসিআর ও আইওএম। এই দু’টি সংস্থা রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সব তাঁবু সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে। 
সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বালুখালীতে স্থাপিত নতুন ক্যাম্পকে ২০ ব্লকে ভাগ করা হবে। আপাতত বরাদ্দ ২ হাজার একর ভূমিতে তাঁবু তৈরি করে সেখানে রোহিঙ্গাদের থাকার জায়গা করে দেয়া হবে। প্রতিটি তাঁবুতে ৬টি রোহিঙ্গা পরিবারকে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে সব রোহিঙ্গাদের স্থান সংকুলান না হলে আরো জমি বরাদ্দ করা হবে। বালুখালীতে ৫ হাজার ২০০ একর জমি রয়েছে। 
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ সুষ্ঠু ও গতিশীল করতে ইতিমধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি’র মাধ্যমে প্রতিদিন ১ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গার জন্য খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কাজ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। 
তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কাজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য রোববার থেকে ১২টি কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সেখান থেকে ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ হচ্ছে। ১৪ হাজার তাঁবু তৈরির কাজও রোববার থেকে শুরু হয়েছে। তিনি জানান, আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের বালুখালীতে নিয়ে আসা হবে। 
জেলা প্রশাসক জানান, রোহিঙ্গাদের মধ্যে জরুরিভিত্তিতে ত্রাণ বিতরণ কাজ চালিয়ে যাবে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। কোন ব্যক্তি, সংগঠন এবং সরকারি বেসরকারি কোন সংস্থা ত্রাণ বিতরণ করতে চাইলে তা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে করতে হবে। 
তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার জন্য ইতিমধ্যে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ৭০ জন অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, আগামী ৩ মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পাসপোর্ট অধিদফতর এই কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। 
তিনি জানান, বালুখালী ক্যাম্পে খোলা হবে রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের একটি শাখা অফিস। এখানে জেলা প্রশাসনের একটি অফিস এবং পুলিশ ক্যাম্প থাকবে। 
কক্সবাজারে ইউএনএইচসিআর মুখপাত্র ভিভিয়ান তান জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিতরণের জন্য তাঁবু, সোলার লাইট, কম্বল, রান্নাঘরের সরঞ্জাম, প্লাষ্টিক সীটসহ বেশ কিছু ত্রাণ সামগ্রী শুক্রবার ইউএনএইচসিআর কক্সবাজার কার্যালয়ে এসে পৌঁছেছে। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তা বিতরণ কাজ আজ রোববার থেকে শুরু করা হয়েছে। 
উখিয়া ও টেকনাফে ৬টি কেন্দ্রে রোহিঙ্গা নিবন্ধন অব্যাহত রয়েছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গা নারী পুরুষ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে নিবন্ধন করছেন। বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারাও সেখানে নিবন্ধনের জন্য আসছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রোহিঙ্গা শরণার্থী পুনর্বাসনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ
                                  

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন এবং ত্রাণ তৎপরতা সমন্বয়ে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। 
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন অংশীদার এবং এনজিওগুলোর ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকান্ডের সুষ্ঠু সমন্বয়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ১৪ হাজার আশ্রয়স্থল নির্মাণে কুতুপালংয়ের কাছে ২ হাজার একর জমি ব্যবহার করা হবে। প্রত্যেক আশ্রয়স্থলে ৬টি পরিবারের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। এএফডি, বিজিবি, বিআরআরসি, ডিসি কক্সবাজার, ইউএনএইচসিআর, আইওএম, ডব্লিউএফপি এবং অন্যান্য সংস্থা আজ থেকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এসব আশ্রয়স্থল নির্মাণ করবে। এমওডিএমআর এ কাজের সমন্বয় করবে।
ত্রাণসামগ্রী মজুত ও রক্ষণাবেক্ষণে আশ্রয়স্থলের কাছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ১৪টি ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করবে। ওয়্যারহাউজের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। এমওডিএমআর এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসন এ কাজে সমন্বয় করবে। 
বিদেশ থেকে পাঠানো ত্রাণসামগ্রী গ্রহণ করবে এএফডি। তারা ত্রাণসামগ্রী কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের নির্ধারিত গুদামে পৌঁছে দেবে। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ত্রাণসামগ্রী গ্রহণ, পরিবহন ও গুদামজাতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। যথাযথভাবে বিতরণের জন্য নতুন আশ্রয়স্থলগুলো পৃথক ব্লকে বিভক্ত হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয, ডব্লিউএফপি অন্যান্য অংশীদার ও সংস্থার সহযোগিতায় আগামী ৪ মাসে ৪ লাখ শরণার্থীর খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা করবে। কোন এলাকায় খাদ্য সরবরাহ করা না হলে আরআরআরসি তা তাৎক্ষণিকভাবে ডব্লিউএফপি’কে জানাবে। খাদ্য বিতরণের সময় নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। 
এতে বলা হয়, এনজিও, বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তিকে ত্রাণসামগ্রী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। পরে জেলা প্রশাসক এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থা করবে। ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য এনজিওগুলোকে এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর অনুমতি নিতে হবে।
সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, ডব্লিউএফপি অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহযোগিতায় যথাযথভাবে ত্রাণ বিতরণে চাহিদা ও দৈনিক প্রাপ্তি নিশ্চিতের ভিত্তিতে আগামী দিনের জন্য স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী পরিকল্পনা তৈরী করবে। বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য আবশ্যক ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ এবং এ মুহূর্তের জন্য প্রয়োজনীয় তাঁবুর সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ডিপিএইচই জরুরি ভিত্তিতে ৫শ’ অস্থায়ী এবং ইউএনএইচসিআর ৮ হাজার স্যানিটারি ল্যাট্রিন তৈরী করবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এ এলাকায় স্যানিটেশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেবে।
সভায় বলা হয়, তথ্য মন্ত্রণালয় শরণার্থীদর সহায়তার জন্য আগ্রহী ব্যক্তি ও সংস্থাকে তাদের অর্থ বা ত্রাণসামগ্রী কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর সম্পর্কিত প্রচারণা টিভি স্ক্রল ও দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করবে। মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচারণার জন্য এমওডিএমআর/ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে সমন্বিত ও সর্বশেষ ত্রাণ তৎপরতার তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রচারের ব্যবস্থা করবে।
সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থা শরণার্থী সংক্রান্ত বিষয় সমন্বয়ের জন্য সমন্বয়কারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগ নবনির্মিত আশ্রয়স্থল এবং শরণার্থীদের অস্থায়ী অবস্থানসমূহে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহে দ্রুত যথাযথ জরিপ পরিচালনা করবে। খাদ্য বিতরণ ব্লক অনুযায়ী আইন-শৃংখলার দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থাগুলোর সহায়তায় শরণার্থীদের অবশ্যই দ্রুততার সঙ্গে নবনির্মিত আশ্রয়স্থল অস্থায়ী তাঁবুতে স্থানান্তর করতে হবে।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড মেম্বার ও সংশ্লিষ্ট স্টাফদের যথাযথ নির্দেশনা প্রদান করবে, যাতে তারা জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদানকালে সাবধানতা অবলম্বন করে। নির্বাচন কমিশনও নতুন এনআইডি প্রদানকালে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করবে। পাসপোর্ট বিভাগের ডিজি দ্রুততার সঙ্গে নতুন আশ্রয় প্রার্থীদের নাম নিবন্ধন করবেন।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে অবশ্যই অবিলম্বে ক্যাম্প এলাকায় কাজ শুরু করতে হবে। ২০টি অতিরিক্ত মেডিকেল ক্যাম্প অবিলম্বে আশ্রয় এলাকায় অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের কাজ শুরু করবে। অবশ্য ইপিআই কার্যক্রম শুরু করতে হবে। স্তন্যদায়ী মায়েদের জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হবে।
সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, সমাজসেবা বিভাগ অবশ্যই এতিমদের তালিকা প্রস্তুত ও একটি পরিকল্পনা তৈরী করবে এবং তাদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
অব্যবহৃত সিএসডি ও এলএসডিগুলো সাময়িকভাবে ত্রাণসামগ্রী মজুদের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে বান্দরবানে আসা লোকদের অবশ্যই দ্রুততার সঙ্গে উখিয়া ক্যাম্পে পাঠাতে হবে।
আগত লোকদের নিকটবর্তী নতুন আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানোর কাজ সমন্বয় করবে আরআরআরসি। আশ্রয় প্রার্থীরা যাতে ক্যাম্পের বাইরে যেতে না পারে তাও মনিটর এবং দেখভাল করবে আরআরআরসি।
ত্রাণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনায় এলজিইডি ও এএফডি সড়ক মেরামত এবং নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগের ডিজি পর্যাপ্ত পরিমাণ কলেরার টিকা ও খাবার স্যালাইন সরবরাহ করবে। যে কোনো প্রকার জরুরি চিকিৎসার চাহিদা পূরণে তাদের প্রস্তুতি থাকতে হবে।
সূত্র : বাসস

‘কোন জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবেনা’
                                  

দেশের কোন জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল জেলা এই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন রেল মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক। আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন (নাছিম)-এর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। আ ফ ম বাহাউদ্দিনের তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের আরো ১৫টি জেলাকে রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে সরকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। রেলওয়ের যেসব প্রকল্প চলমান রয়েছে এগুলো বাস্তবায়িত হলে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের ৯টি জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। জেলাগুলো হলোÑ মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বান্দরবান, কক্সবাজার ও নড়াইল। মুজিবুল হক বলেন, সরকার ২০১০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের আরো ৬টি জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। জেলাগুলো হলোÑ শেরপুর, ঝালকাঠি, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, পটুয়াখালী ও বরগুনা। তিনি বলেন, দেশের অবশিষ্ট জেলাগুলো পর্যায়ক্রমে রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। মন্ত্রী বলেন, সরকার গৃহীত পরিকল্পনার আওতায় রেলপথ সম্প্রসারণের চলমান প্রকল্পগুলো হলোÑ দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের সন্নিকটস্থ গুনদুম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ সিঙ্গেল রেলওয়ে লাইন নির্মাাণ, কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া সেকশনের পুনর্বাসন এবং কাশিয়ানী-গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া নতুন রেলপথ নির্মাণ, খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ, পাঁচুরিয়া-ফরিদপুর-ভাঙ্গা রেলপথ পুনর্বাসন ও নির্মাণ, ঈশ্বরদী থেকে পাবনা হয়ে ঢালারচর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, বিশদ নকশা প্রণয়ন ও দরপত্র দলিল প্রস্তুতসহ ভাঙ্গা জংশন (ফরিদপুর) থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগ নির্মাণ (বাংলাদেশ অংশ), চট্টগ্রামের জানালীহাট স্টেশন-চুয়েট-কাপ্তাই পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যশোরের নাভারণ থেকে সাতক্ষীরা হয়ে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজট রেললাইন নির্মাণ।


   Page 1 of 6
     দেশজুড়ে
উপকূলে আম্ফানের তাণ্ডব শুরু
.............................................................................................
সন্ধ্যা পর সব দোকান ও বাজার বন্ধ
.............................................................................................
টাঙ্গাইলের কান্দিলায় সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৬, আহত ১০
.............................................................................................
ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে বসছে না স্প্যান
.............................................................................................
লেভেল ক্রসিং যেন মরণফাঁদ : ৮ মাসে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৩২০
.............................................................................................
ঈদের ট্রেনযাত্রা শুরু
.............................................................................................
শুক্রবার থেকে বাড়বে বৃষ্টির প্রবণতা
.............................................................................................
বাসের অগ্রিম টিকেট ৩০ মে থেকে
.............................................................................................
জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ শুরু আগামীকাল
.............................................................................................
আইন-শৃংখলা ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আইজিপি
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের বিয়ে না করতে প্রজ্ঞাপন জারি
.............................................................................................
পণ্যবাহী পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ঘোষণা ৫ দফা না মানলে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি
.............................................................................................
রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে রাস্তা নির্মাণে সরকারের ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি হচ্ছে ১৪ হাজার তাঁবু
.............................................................................................
রোহিঙ্গা শরণার্থী পুনর্বাসনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ
.............................................................................................
‘কোন জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবেনা’
.............................................................................................
বিভিন্ন নদ-নদীর ৪৬ পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে
.............................................................................................
মিয়ানমারের গণহত্যা বন্ধে শেখ হাসিনা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন : শিল্পমন্ত্রী
.............................................................................................
মনোহরগঞ্জে বাতাবাড়িয়া ওয়ার্ড আ’লীগের ত্রাণ বিতরণ
.............................................................................................
তাজুল ইসলাম এমপি’র পক্ষে বন্যা দূর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে বন্যার্তদের পাশে আওয়ামী লীগ
.............................................................................................
বন্যার কারণে ট্রেন বাতিল হলে টিকিট ফেরত
.............................................................................................
পদ্মায় পানি বৃদ্ধি, হুমকিতে ফেরিঘাট
.............................................................................................
ঈদে যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে বিআরটিসি’র নয়শ’ বাস প্রস্তুত থাকবে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
মনোহরগঞ্জে হিট স্ট্রোকে ১ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
দেশে জঙ্গিবাদ দমন নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই : আইজিপি
.............................................................................................
মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক বজায় রাখার অঙ্গীকার ও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে সারাদেশে মহান মে দিবস পালিত
.............................................................................................
বর্ষা মৌসুমের আগেই মহাসড়কের টেন্ডার সম্পন্ন করার নির্দেশ
.............................................................................................
৫৩ লাখ অনগ্রসর লোক ভাতা পাচ্ছেন
.............................................................................................
ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস
.............................................................................................
কমলাপুরে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
.............................................................................................
ঈদে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু মঙ্গলবার
.............................................................................................
কোথাও যানজট হবে না : সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
৪ সেপ্টেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামে হরতালের ডাক বাঙ্গালী সংগঠনগুলোর
.............................................................................................
১০ দিন আগে কেনা যাবে ট্রেনের অ‌গ্রিম টিকি‌ট
.............................................................................................
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমকে সহায়তা করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ : ইনু
.............................................................................................
ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২৯ আগস্ট
.............................................................................................
নিম্নাঞ্চল প্লাবিত: ধেয়ে আসছে বন্যা
.............................................................................................
শাটল ও ডেমু ট্রেন বন্ধ, পুলিশ আহত
.............................................................................................
রেডিসনসহ অভিজাত হোটেলগুলোর নিরাপত্তা জোরদার
.............................................................................................
আজ ঈদের ছুটি শেষ, ঢাকায় ফিরছে মানুষ
.............................................................................................
রংপুরে বাসচাপায় একই পরিবারের পাঁচজনসহ নিহত ৬
.............................................................................................
ঈদে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি সোমবার শুরু
.............................................................................................
প্যাকেজ ভ্যাট না থাকলে আন্দোলনের হুমকি
.............................................................................................
লাকসাম পৌরসভার ৭৭কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা
.............................................................................................
সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ৭, কক্সবাজারে ৬, মংলায় ৫ নম্বর বিপদ সংকেত
.............................................................................................
ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ মোকাবেলায় সরকার প্রস্তুত
.............................................................................................
নাইক্ষ্যংছড়িতে বৌদ্ধভিক্ষু হত্যার ঘটনায় রোহিঙ্গাসহ আটক ৩
.............................................................................................

সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবদুল মালেক, যুগ্ন সম্পাদক: নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া । সম্পাদক র্কতৃক ২৪৪ ( প্রথম তলা ) ৪ নং জাতীয় স্টেডিয়াম, কমলাপুর, ঢাকা -১২১৪ থেকে প্রকাশিত এবং স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২ টয়েনবি র্সাকুলার রোড, ঢাকা -১০০০ থেকে মুদ্রিত । ফোন:- ০২-৭২৭৩৪৯৩, মোবাইল: ০১৭৪১-৭৪৯৮২৪, E-mail: info@dailynoboalo.com, noboalo24@gmail.com Design Developed By : Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD