বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর 2020 | ,২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনা প্রতিরোধে ফুসফুস সুস্থ রাখতে যা খাবেন

বিশ্বজুড়ে মহামারি রূপ নিয়েছে করোনাভাইরাস। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনাভাইরাসের সাধারণ উপসর্গ হল জ্বর, সর্দি, কাশি, হাঁচি বা গলাব্যথা। শেষ পর্যন্ত এই ভাইরাস ফুসফুসে আঘাত হানে। এতে রোগীর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এমনকি এতে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 

নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া করার পাশাপাশি কয়েকটি বিশেষ খাবার খেলে ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে যাদের ফুসফুস একটু দুর্বল। 

পিয়াজ ও রসুন: প্রদাহের প্রবণতা কমায়। সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়। ‘জার্নাল অব ক্যানসার এপিডেমিওলজি’ ও ‘বায়োমার্কারস অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এ প্রকাশিত প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে সব ধূমপায়ী কাঁচা রসুন খান ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায় তাদের।
আদা: প্রদাহ কমায়। অল্প করে আদা কুচি নিয়মিত খেলে ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভাল থাকে।

হলুদ: হলুদের কারকিউমিন প্রদাহ কমায়। বেঙ্গালুরুতে ৭৭ জন হাঁপানি ও সিওপিডি রোগীকে ৩০ দিন ধরে কারকিউমিন ক্যাপসুল খাইয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, তাঁদের কষ্ট অনেক কমে গেছে।

ফল ও সবজি: আপেল, পেয়ারা, শসা, সবেদা এই সব ফল ফুসফুসের যত্নের জন্য খুবই ভাল। আপেল ও বাতাবি লেবুর ফ্ল্যাভেনয়েড ও ভিটামিন সি নিশ্চিতভাবে কার্যকারিতা বাড়ায় ফুসফুসের। গাজর, কুমড়ো, বেল পেপারে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি। সারা শরীরের পাশাপাশি ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এই সব সবজি। কাজেই এদেরও রাখতে হবে পাতে।

বিভিন্ন ধরনের বিন ও বীজ: এই সব খাবারে অন্যান্য উপকারের পাশাপাশি আছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম। ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে এর ভূমিকা আছে। তিষির বীজে আছে ভিটামিন ই, বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। আখরোটের ওমেগা থ্রি কার্যকারিতা বাড়ায় ফুসফুসের।

করোনা প্রতিরোধে ফুসফুস সুস্থ রাখতে যা খাবেন
                                  

বিশ্বজুড়ে মহামারি রূপ নিয়েছে করোনাভাইরাস। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনাভাইরাসের সাধারণ উপসর্গ হল জ্বর, সর্দি, কাশি, হাঁচি বা গলাব্যথা। শেষ পর্যন্ত এই ভাইরাস ফুসফুসে আঘাত হানে। এতে রোগীর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এমনকি এতে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 

নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া করার পাশাপাশি কয়েকটি বিশেষ খাবার খেলে ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে যাদের ফুসফুস একটু দুর্বল। 

পিয়াজ ও রসুন: প্রদাহের প্রবণতা কমায়। সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়। ‘জার্নাল অব ক্যানসার এপিডেমিওলজি’ ও ‘বায়োমার্কারস অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এ প্রকাশিত প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে সব ধূমপায়ী কাঁচা রসুন খান ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায় তাদের।
আদা: প্রদাহ কমায়। অল্প করে আদা কুচি নিয়মিত খেলে ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভাল থাকে।

হলুদ: হলুদের কারকিউমিন প্রদাহ কমায়। বেঙ্গালুরুতে ৭৭ জন হাঁপানি ও সিওপিডি রোগীকে ৩০ দিন ধরে কারকিউমিন ক্যাপসুল খাইয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, তাঁদের কষ্ট অনেক কমে গেছে।

ফল ও সবজি: আপেল, পেয়ারা, শসা, সবেদা এই সব ফল ফুসফুসের যত্নের জন্য খুবই ভাল। আপেল ও বাতাবি লেবুর ফ্ল্যাভেনয়েড ও ভিটামিন সি নিশ্চিতভাবে কার্যকারিতা বাড়ায় ফুসফুসের। গাজর, কুমড়ো, বেল পেপারে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি। সারা শরীরের পাশাপাশি ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এই সব সবজি। কাজেই এদেরও রাখতে হবে পাতে।

বিভিন্ন ধরনের বিন ও বীজ: এই সব খাবারে অন্যান্য উপকারের পাশাপাশি আছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম। ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে এর ভূমিকা আছে। তিষির বীজে আছে ভিটামিন ই, বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। আখরোটের ওমেগা থ্রি কার্যকারিতা বাড়ায় ফুসফুসের।

নতুন আক্রান্ত ১৩৯ জনের মধ্যে ৬২ জন-ই ঢাকার
                                  

গত চব্বিশ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৩৯ জনের মধ্যে ঢাকা শহরে আছেন ৬২ জন। অন্যান্যরা ঢাকার বাইরের। আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এসব তথ্য জানান রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত আছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা।

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, যেসব জেলায় করোনা ছড়িয়েছে তার মধ্যে নতুন করে যোগ হয়েছে লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও এবং ঝালকাঠি জেলা। এসব জেলার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছি, গত এক সপ্তাহের মধ্যে বেশ কিছু মানুষ এসব জেলায় ঢাকা কিংবা নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে গিয়েছেন। এ কারণে এই সময় বার বার ভ্রমণ না করতে সতর্ক করা হচ্ছে। 

তিনি জানান, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে। নতুন করে যে চারজন মারা গেছেন তাদের তিনজন পুরুষ এবং একজন নারী। গত চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে ১৩৯ জন করোনায় আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রয়েছে ৩১-৪০ বছর বয়সের মধ্যে, শতকরা ২৫ ভাগ। তারপর ২১-৩০ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন যাদের শতকরা হার ২১ ভাগ। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হলো ৬২১। এখানে বয়সভিত্তিক আক্রান্তের হার দেখানো হলেও যেকোনো বয়সের যেকোনো ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারেন। কাজেই প্রত্যেককেই প্রতিরোধের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। 

ডা. ফ্লোরা বলেন, কারো নমুনা পর পর দুইবার পরীক্ষা করে যদি কভিড-১৯ এর সন্ধান না পাওয়া যায় তবে তিনি করোনামুক্ত বলে ধরে নেওয়া হয়। গত চব্বিশ ঘণ্টায় এমন তিনজন মানুষকে পাওয়া গেছে। এ নিয়ে সর্বমোট ৩৯ জন সংক্রমণমুক্ত হয়েছেন। নতুন করে যারা সংক্রমণমুক্ত হয়েছেন তাদের দুজন নারী একজন পুরুষ। এই তিনজনের মধ্যে একজন চিকিৎসকও রয়েছেন। করোনারোগীকে সেবা দেওয়ার সময় ওই  চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছিলেন।

বাজার থেকে কেনা পণ্যও ভাইরস ছড়াতে পারে
                                  

কেনা জিনিসগুলো নিয়ে কতটা দুশ্চিন্তা করার আছে : রান্না খাবারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হওয়ার কোনো তথ্যপ্রমাণ নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন খাবার রান্না হলে এই ভাইরাস মরে যায়। তবে কাঁচা শাকসবজি, ফলমূলে ঝুঁকি আছে। যেহেতু অন্য ক্রেতারা বাজারে যে কোন জিনিস হাত দিয়ে ধরে থাকতে পারে, এমনকি বিক্রেতারাও সেগুলো ধরছে, তাই এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই যে সেগুলো পুরো জীবাণুমুক্ত। কাঁচাবাজারের ক্ষেত্রে অধ্যাপক ব্লুমফিল্ডের পরামর্শ হল সবকিছু ভাল করে কলের ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে তারপর সেগুলো তুলে রাখবেন বা ব্যবহার করবেন।

আর প্লাস্টিকের প্যাকে, টিনের বা কাঁচের পাত্রে বিক্রি হচ্ছে এমন কিছু কিনে আনলে সেগুলো ৭২ ঘণ্টা না ছুঁয়ে সরিয়ে রেখে দেবেন। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করতে চাইলে সেগুলো জীবাণুমুক্ত করার তরল পদার্থ (ব্লিচ জাতীয় ডিসইনফেকটেন্ট) দিয়ে মুছে নিন। তবে কড়া ব্লিচ ব্যবহার করবেন না। বোতলের গায়ে দেখে নেবেন কতটা পরিমাণ পানি মিশিয়ে তা হালকা করে নিতে হয়।

৯-৬-নয় পুরো ২০ সেকেন্ড!
                                  

করোনা থেকে বাঁচতে প্রথম শর্তই হাত পরিষ্কার রাখতে হবে। এটা আমরা সবাই জানি। হাত তো বারবার ধোয়া হচ্ছে তবে নিয়ম মানছি তো! 

হাত ধোয়ার আবার নিয়ম কী! আছে তো, বিশেষজ্ঞরা বলেন, হাত ঠিকমতো জীবাণুমুক্ত করতে সাবান –পানি দিয়ে পুরো ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে। কিন্তু সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে বেশিরভাগ মানুষই ছয় সেকেন্ডের মধ্যেই হাত ধোয়া সেরে ফেলেন। 

এতো অল্প সময়ে ধোয়ার ফলে হাত ঠিকভাবে পরিষ্কার হয় না। কীভাবে হাত ধুলে করোনা ভাইরাসসহ রোগজীবাণু দূরে থাকবে জেনে নিন:  


•    প্রথমে পানি দিয়ে হাত ভিজিয়ে সাবান নিন। লিকুইড সোপ ব্যবহার করলে আধা চামচ পরিমাণ নিলেই হবে

•    দু’ হাতের অপর পিঠেও খুব ভালো করে সাবানের ফেনা ঘষে নিন

•    আঙুল ও নখের মাঝের অংশ খুব ভালো করে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন  

•    হাত ভালো করে মুছে শুকিয়ে নিন

•    হাত কোমল আর মসৃণ রাখতে এবার ময়েশ্চারাইজ়ার মেখে নিন। 


বাইরে থাকলে সাবান পানি দিয়ে হাত ধুতে না পারলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে স্যানিটাইজার দিয়ে পুরো হাত ভিজিয়ে নিন।

করোনা আক্রান্ত চিনবেন যে তিন লক্ষণে
                                  

তবে এই ভাইরাস একটু বেশি শক্তিশাধী আর বেশি ছোঁয়াচে। তাই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে অনেক বেশি। 

সাধারণ জ্বর সর্দি কাশি এই সময়ে হয়েই থাকে। আর তা হয় মূলত এই করোনা শ্রেণির ভাইরাসের কারণেই। সুতরাং বেশি আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

দেখে নেওয়া যাক, করোনা আক্রান্ত হলে প্রথমে শরীরে প্রধান যে তিনটি লক্ষণ দেখা দেবে তা হলো- 

১. আপনার দেহে করোনা থাবা বসালে প্রথম পাঁচদিন আপনার কাশির সঙ্গে শুকনো কফ থাকবে।

২. হঠাৎ করেই খুব জ্বর আসবে। আর সেই জ্বর চট করে নামতে চাইবে না।

৩. জ্বরের সঙ্গে শুরু হবে শ্বাসকষ্ট। সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে ফুসফুসে। ফুসফুস ফুলে ওঠা থেকে নানারকম সমস্যা দেখা দেবে শরীরে। সেই সঙ্গে সারা শরীরে ব্যথা এবং সর্দি থাকবে।

এর সঙ্গে আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যেমন- মাথাব্যথা, পেশীতে ব্যথা, অস্থির লাগা ইত্যাদি। 

এই লক্ষণগুলো প্রকাশ পেলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

করোনা আক্রান্ত চিনবেন যে তিন লক্ষণে
                                  

তবে এই ভাইরাস একটু বেশি শক্তিশাধী আর বেশি ছোঁয়াচে। তাই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে অনেক বেশি। 

সাধারণ জ্বর সর্দি কাশি এই সময়ে হয়েই থাকে। আর তা হয় মূলত এই করোনা শ্রেণির ভাইরাসের কারণেই। সুতরাং বেশি আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

দেখে নেওয়া যাক, করোনা আক্রান্ত হলে প্রথমে শরীরে প্রধান যে তিনটি লক্ষণ দেখা দেবে তা হলো- 

১. আপনার দেহে করোনা থাবা বসালে প্রথম পাঁচদিন আপনার কাশির সঙ্গে শুকনো কফ থাকবে।

২. হঠাৎ করেই খুব জ্বর আসবে। আর সেই জ্বর চট করে নামতে চাইবে না।

৩. জ্বরের সঙ্গে শুরু হবে শ্বাসকষ্ট। সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে ফুসফুসে। ফুসফুস ফুলে ওঠা থেকে নানারকম সমস্যা দেখা দেবে শরীরে। সেই সঙ্গে সারা শরীরে ব্যথা এবং সর্দি থাকবে।

এর সঙ্গে আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যেমন- মাথাব্যথা, পেশীতে ব্যথা, অস্থির লাগা ইত্যাদি। 

এই লক্ষণগুলো প্রকাশ পেলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

রাজধানীর যেসব হাসপাতালে হবে করোনার চিকিৎসা
                                  

আইইডিসিআর এর তথ্যমতে রাজধানীতে এখন পর্যন্ত দশটি হাসপাতালে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই সব হাসপাতালে যোগাযোগের জন্য হাসপাতালগুলো নিজস্ব যোগাযোগ নম্বরও সরবরাহ করেছে।

রাজধানীর এসব হাসপাতাল হলো- উত্তরায় কুয়েত মৈত্রী ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল (যোগাযোগ:০১৯৯৯৯৫৬২৯০), কমলাপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে হাসপাতাল(যোগাযোগ:+৮৮০২৫৫০০৭৪২০), নয়াবাজারে মহানগর জেনারেল হাসপাতাল (যোগাযোগ: ০২৫৭৩৯০৮৬০,০২৭৩৯০০৬৬), মিরপুর মেটারনিটি হাসপাতাল(যোগাযোগ:০২৯০০২০১২), কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল (যোগাযোগ:০১৭২৬৩২১১৮৯), আমিনবাজার ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল (যোগাযোগ:০১৭০০০০০০০০,০১৭১২২৯০১০০) কেরানীগঞ্জে জিনজিরা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, যাত্রাবাড়ীতে সাজেদা ফাউন্ডেশন হাসপাতাল (যোগাযোগ:০১৭৭৭৭৭১৬২৫), শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউট(যোগাযোগ:০১৮১৯২২০১৮০)

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরো চারজনের মধ্যে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক রয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ জনে পৌঁছালো। শুক্রবার সকালে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রাজধানীর মহাখালী আইইডিসিআর থেকে অনলাইনে ব্রিফিং করছেন সংস্থার পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি আরো জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয় ১০৬ জনের। এ নিয়ে মোট ১০২৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলো।

করোনা ভাইরাসের লক্ষণগুলো দেখা দিলেই হটলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে বলছে আইইডিসিআর। হটলাইন নম্বর ১৬২৬৩ ছাড়াও অন্যান্য নম্বরগুলো হচ্ছে- ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১।

করোনায় নতুন আক্রান্ত ৫
                                  

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

করোনাভাইরাস নিয়ে দেশের সবশেষ পরিস্থিতি জানাতে বৃহস্পতিবার বিকালে অনলাইন লাইভ ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তদের সবাই পুরুষ। তাদের মধ্যে দুজনের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, দুজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। আর একজন আছেন ষাটোর্ধ্ব।

‘এ নিয়ে প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে বাংলাদেশে সর্বমোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪ জনে।’

এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে ১১ জন রোগী সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন বলেও জানিয়েছেন আইইডিসিআর পরিচালক। তিনি বলেন, নতুন ৫ জনের একজন বিদেশ থেকে আসা। আর তিনজন আগেই চিহ্নিত রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন। একজনের আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে।

নতুন এই পাঁচ রোগীর মধ্যে চারজনের লক্ষণ মৃদু এবং একজনের মধ্যে কোমরবিডিটি (দীর্ঘমেয়াদী অন্য রোগ) আছে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস প্রতিরোধে কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে। ঘন ঘন সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। অপরিষ্কার হাতে নাক-মুখ-চোখ স্পর্শ করা যাবে না।

সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছি। আর সর্বমোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৯২০ জনের।

‘এর আগে পাঁচজনের কথা আমরা বলেছিলাম, যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বাকিরা সবাই হাসপাতালে কিংবা বাড়িতে আছেন। কারণ তাদের সবার অসুস্থতার মাত্রা হচ্ছে মৃদু।’

গোপালগঞ্জে সভা-সমাবেশ বন্ধ ঘোষণা
                                  

 

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা পেতে গোপালগঞ্জে সব ধরনের সভা সমাবেশ, ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানসহ জনসমাগম বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। 

জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইলিয়াছুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলায় সব রকম রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। 

এছাড়া জেলার সব রকম কমিউনিটি সেন্টার, পার্টি সেন্টার ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে। 

এ বিজ্ঞপ্তি জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কার্যালয়সহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টাঙানো এবং বাজার ও জনবহুল এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

শীতে শ্বাসকষ্ট-ডায়রিয়ায় আক্রান্ত পৌনে দুই লাখ, মৃত্যু ৫১
                                  

ঢাকা:

 
চলতি শীত মৌসুমে এ পর্যন্ত সারাদেশে ৫০ হাজার ৭৮৬ জন শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৫৩ জন। এছাড়া শীতজনিত বিভিন্ন রোগে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ১০ জন। এসব রোগে ভুগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫১ জন।
 

শনিবার (৪ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ এমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচানলক ডা. আয়শা আক্তার  বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান। 

আয়শা আক্তার  বলেন, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ৫০ হাজার ৭৮৬ জন শ্বাসতন্ত্রের সমস্যাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। এ ধরনের জটিলতায় মারা গেছেন ১৭ জন। এছাড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৫৩ জন। মারা গেছেন ৪ জন। এসব ছাড়া অন্যান্য অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ১ লাখ ৪১ হাজার ১০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন ও মৃত্যুবরণ করেছে ৩০ জন। 

অন্যান্য অসুস্থতার মধ্যে রয়েছে- জন্ডিস, আমাশয়, চোখের প্রদাহ, চর্মরোগ, জ্বর ইত্যাদি। শীতকালীন এসব রোগে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে রাজধানীসহ ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায়। অন্যান্য বিভাগগুলো রোগ ও মৃত্যুর হারে ঢাকার চেয়ে অনেক পেছনে রয়েছে। 
 
আয়শা আক্তার জানান, কেবলমাত্র গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৭৬৮ জন শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯০৪ জন। এছাড়া শীতজনিত অন্যান্য রোগে ২ হাজার ৭৬০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রোগে ভুগে কারো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এসব রোগে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার হারই বেশি বলে জানান এ কর্মকর্তা। 
 
স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক সূত্রে জানায়, এ তথ্য কেবলমাত্র দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে আগত রোগীদের। রাজধানীর কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালের হিসেব এর মধ্যে থাকলেও সারাদেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলর হিসাব এতে নেই। এছাড়া আঞ্চলিকভাবে প্রায় প্রতি ঘরেই শীতজনিত রোগের প্রকোপ রয়েছে। এবারের শীতে শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা বেশি হওয়ায় এসব রোগের বিস্তার বেশি ঘটছে বা ঘটবে বলে আশঙ্কা চিকিৎকসকদের। 

রাজধানীর মাতুয়াইলের মা ও শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. ইমরান শাহেদ বাংলানিউজকে জানান, শীতের বিভিন্ন রোগে শিশুরাই বেশি ধরাশায়ী হয়। যেহেতু বড়দের চেয়ে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। শিশুদের ক্ষেত্রে তাই সাবধানতা অবলম্বন করাটাই শ্রেয়। তবে যেহেতু এবার শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা বেশি সেহেতু বড়দেরও সাবধান থাকতে হবে। আর রোগে আক্রান্ত হলে শুরু থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। নিজে নিজে অনিয়মিতভাবে ওষুধ খেয়ে অনেক ওষুধ রেজিস্ট্যান্ট হওয়ায় মানুষ এখন আসলেই অনেক বিপদে আছে। তাই এসব রোগেই বর্তমানে বেশ মৃত্যুহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগে এতোটা দেখা যেতো না।
 
এদিকে শীতেও দূর হয়নি ডেঙ্গুর প্রকোপ। এমন অবস্থা এর আগে দেখা যায়নি বাংলাদেশে। 

এ  বিষয়ে ডা. আয়শা আক্তার জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ৪ দিনে সারাদেশে ৪৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৩৬ জন ও অন্যান্য বিভাগে ৭ জন ভর্তি ছিলেন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮ জন। তাছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানীতে ১৯ জন এবং রাজধানীর বাইরে ২ জন। 
 
গত বছরের এপ্রিল থেকে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। এর মধ্যে গত জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে এটি মহামারী রূপ নেয়। এ সময়ে সারাদেশে কয়েক লাখ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। মৃত্যু হয় তিন শাতধিক মানুষের। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ও মৃতের সংখ্যা ১৫৬ জন। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুসারে গত বছর ডেঙ্গু সন্দেহে ২৬৬ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৪৯ জনের মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে ১৫৬ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুজনিত বলে নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিঙ্গাপুরে এরশাদ ভালো আছেন : জিএম কাদের
                                  

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। সিঙ্গাপুরে তার চিকিৎসা চলছে। আশা করি তিনি দ্রুতই সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।’

সোমবার দুপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এরশাদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রপতি থাকাকালে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করেছিলেন। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থা নিয়ে গেছেন, উপজেলা পদ্ধতি প্রণয়ন এবং রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণ করে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন।’

পরে দেশে যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে তার ভিত্তি এরশাদ তৈরি করেছিলেন দাবি করে তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে শুধু এরশাদের আমলেই দেশে দুর্নীতি তুলনামূলকভাবে কম ছিল, মানুষের মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি ছিল। এরশাদ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমর্থ হয়েছিলেন।

এ সময় দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি জাতীয় সংসদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দেশের হতদরিদ্র মানুষের কথা বলেতে জাতীয় পার্টি কখনোই পিছপা হবে না। গঠনমূলক সমালোচনা এবং সংসদীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে গণমানুষের পক্ষে অবস্থান নেবে জাতীয় পার্টি।

তিনি জানান, জাতীয় পার্টির লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে ৮০ ভাগ জনসমর্থন অর্জন করে আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল অর্জন করা।

দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আজম খান ও রেজাউল ইসলাম ভূইয়া এবং সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য শফিউল্লাহ শফি, সুলতান মাহমুদ, এমএ রাজ্জাক খান, হাসিবুল ইসলাম জয়, গোলাম মোস্তফা, সৈয়দা পারভীন তারেক, ডা. সেলিমা খান, নিগার সুলতানা রানী প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এরশাদের সুস্থতা কামনা করে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।-ইউএনবি

 

সর্দি-জ্বর সারাতে আদা-রসুন স্যুপ
                                  

শীতে জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দি, ইনফেকশন সারাতে আদা-রসুনের বিকল্প নেই। শুধু জ্বর হলেই নয়, সারা শীতকালই খাওয়া যেতে পারে এই স্যুপ। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শুধু শীতকালে নয়, বরং সব ঋতুতে জ্বর, গলা ব্যথা সারাতে এই আদা ও রসুনের স্যুপ উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করে। রসুনের মধ্যে থাকা অ্যালিসিনের অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে।

যে কারণে রসুন যে কোনো অ্যালার্জি, গলা ব্যথা, ফুসফুসের ইনফেকশনের মতো সমস্যা নিমেষে সারিয়ে তোলে। অন্যদিকে, বহু যুগ ধরেই সর্দি, জ্বর, পেটের সমস্যা সারাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে আদা। প্রদাহ কমিয়ে পাকস্থলী সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে আদা। জ্বরের সময় বমি ভাব কাটাতেও আদা অব্যর্থ। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ ইনফেকশন দূর করে। এটি তৈরি করতে ৪টি ছোট পেঁয়াজ, ৩০ গ্রাম আদা, ২ কোয়া রসুন, একটি কাঁচামরিচ প্রয়োজন হবে। একটি বড় বাটিতে পেঁয়াজ, রসুন, আদা সব কিছু নিয়ে ২ মিনিট হালকা আঁচে নেড়ে নিতে হবে।

এরপর যতক্ষণ না পর্যন্ত রসুন, পেঁয়াজ নরম হয়ে আসছে ততক্ষণ পর্যন্ত ফোটাতে হবে। পরে মরিচের কুচি ছড়িয়ে মিনিট পাঁচেক অল্প তাপে রেখে নামিয়ে আনুন। এভাবেই আদা-রসুনের স্যুপ তৈরি করা যায়। সুস্বাদু করতে গাজরের কুচি মেশাতে পারেন।

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আনিসুল হক
                                  

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থান করা হেয়েছে। শনিবার বিকেল সোয়া ৩টার পর থেকে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শুরু হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্বের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিব মেজর জানারেল সারোয়ার হুসেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তাঁর সামরিক সচিব মিঞা মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিনের পক্ষ থেকে সার্জেন্ট অব আর্মস ক্যাপ্টেন মোস্তাক আহমেদ শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে দুপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে আনা হয়। তার কফিনবাহী বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটটি লন্ডনের স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ছাড়ার কথা ছিল তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা পর ৭টা ৫৮ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৫৮ মিনিটে) সেটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

গত ২৯ জুলাই নাতির জন্ম উপলক্ষে স্ত্রী রুবানা হককে নিয়ে যুক্তরাজ্যে যান আনিসুল হক। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৩ আগস্ট তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় সাড়ে তিন মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার মারা যান তিনি।

গতকাল জুমার নামাজের পর লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক জামে মসজিদে আনিসুল হকের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা ছাড়াও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও বাংলাদেশ হাই কমিশনের কর্মকর্তারা জানাজায় অংশ নেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ শনিবার দেশে আসার বাদ আসর আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী আনিসুল হক ২০১৫ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।

মোহাম্মদী গ্রুপের চেয়ারম্যান আনিসুলের তৈরি পোশাক ছাড়াও বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তি, আবাসন, কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানা রয়েছে। ডিজি যাদু ব্রডব্যান্ড লিমিটেড এবং নাগরিক টেলিভিশনের মালিকানাও আছে তার।

সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে এফবিসিসিআইর সভাপতি ও তার আগে বিজিএমইএর সভাপতিও নির্বাচতি হন তিনি।

সেনাপ্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক মেয়র আনিসুল হকের ছোট ভাই।

লন্ডনে জানাজার পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও বলেন, আমরা অনেকে অবাক হয়েছিলাম তিনি যখন রাজনীতিতে যোগদান করেন।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর এই দুই বছরে অবৈধ দখল উচ্ছেদসহ বেশ কিছু বিষয়ে শক্ত অবস্থান নিয়ে নজর কাড়েন আনিসুল হক। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনালের সামনের সড়ক দখলমুক্ত করতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ চালকদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। পরে ওই সড়ক দখলমুক্ত করে সিটি করপোরেশন।

ঢাকার কূটনৈতিকপাড়া বারিধারা ও গুলশানের বিভিন্ন দূতাবাসের দখলে থাকা ফুটপাতও দখলমুক্ত করেন মেয়র আনিসুল। এছাড়া সড়ক প্রশস্তকরণ, ঢাকা চাকা, বিলবোর্ড উচ্ছেদ, গ্রিন ঢাকা কর্মসূচিসহ বেশকিছু উদ্যোগের জন্য আলোচিত হন তিনি।

তার সঙ্গে একই সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব নেয়া সাঈদ খোকন বলেন, আনিসুল হক ‘খুব বলিষ্ঠ খুব সাহসী’ মানুষ ছিলেন। তাকে বড় ভাইয়ের মতো দেখতাম। দুজনে মিলে ঢাকার উন্নয়নে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতেন তারা। তার যে শূন্যতা, এই শূন্যতা খুব সহজে পূরণ হবে না।

শিল্পী বারী সিদ্দিকী হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে
                                  

 বিশিস্ট সংগীত শিল্পী বারী সিদ্দিকীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশংকাজনক। তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।
আজ দুপুরে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে তথ্য কর্মকর্তা মুকিত হাসান বাসসকে জানান, গতরাতে শিল্পীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে দ্রুত আইসিইউতে রাখা হয়। লাইফসাপোর্টে রাখা হয়েছে। তিনি জানান, ডা. আবদুল ওহাব খানের তত্ত্বাবধানে শিল্পীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার দুটি কিডনি অকার্যকর হয়ে গেছে। বহুমূত্র রোগেও তিনি ভুগছেন।
শিল্পী বারী সিদ্দিকী ১৯৫৪ সালের ১৫ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার এক সংগীতজ্ঞ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমে একজন বংশীবাদক হিসেবে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি হুমায়ুন আহমেদের একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে আবির্ভুত হন। পরবর্তীতে হুমায়ুন আহমেদ নির্মিত‘ শ্রাবন মেঘের দিন ’ চলচ্চিত্রে সাতটি গান গেয়ে কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও খ্যাতিলাভ করেন। তার বেশকিছু গান বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে।
বারী সিদ্দিকীর ছেলে সাব্বির সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান, গতকাল রাতে হঠাৎ শিল্পী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সঙ্গে সঙ্গে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তিনি তার পিতার রোগমুক্তির জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

স্বাস্থ্যখাতের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেওয়া উচিত।
তিনি আজ সচিবালয়ে স্বাস্থ্যখাতের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্বকালে এই নির্দেশ দেন।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সময় স্বাস্থ্যখাতে যে সাফল্য এসেছে তাকে আরো ঊর্ধ্বে নিয়ে যেতে হবে। এ জন্যে আগামী দিনের কর্মসূচির সুষ্ঠু ও সফল বাস্তবায়ন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নিশ্চিত করতে হবে। একটি জনবান্ধব চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে এই খাতের কোনো অংশে অনিয়ম ও গাফিলতি মেনে নেয়া যাবে না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে আর্থ-সামাজিক খাতে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে হলে সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদেরকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে আরো যতœবান হতে হবে। তৃণমূল মানুষের বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের পদক্ষেপগুলোর সফল বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদেরকে তৎপর থাকতে হবে।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ফয়েজ আহম্মেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের ঊর্র্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গাদের জন্য ইমার্জেন্সি হাসপাতালের যাত্রা শুরু
                                  

মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে এবং নরওয়েজিয়ান, ফিনল্যান্ড ও জাপান রেড ক্রস সোসাইটির সহযোগিতায় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ঘুমধুম এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ইমার্জেন্সি রেসপন্স ইউনিট ফিল্ড হসপিটাল (ইআরইউএইচ)। ৬০ বেডের এ হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ড, একটি অপারেশন থিয়েটার, প্রসূতি ওয়ার্ডের দুইটি কেবিন, বহির্বিভাগসহ রয়েছে একটি আলাদা ইউনিট। এখানেব রোগীদের মনোসামাজিক সহায়তাসহ গর্ভবতী মা, নবজাতক শিশু এবং কলেরা, ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ছাড়াও সব ধরনের রোগের চিকিৎসা দেয়া হবে। উল্লেখ্য, মিয়ানমারের নাগরিক ছাড়াও স্থানীয় জনগণ এ হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। আজ সকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে হাসপাতালটি।


   Page 1 of 5
     স্বাস্থ্য
করোনা প্রতিরোধে ফুসফুস সুস্থ রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
নতুন আক্রান্ত ১৩৯ জনের মধ্যে ৬২ জন-ই ঢাকার
.............................................................................................
বাজার থেকে কেনা পণ্যও ভাইরস ছড়াতে পারে
.............................................................................................
৯-৬-নয় পুরো ২০ সেকেন্ড!
.............................................................................................
করোনা আক্রান্ত চিনবেন যে তিন লক্ষণে
.............................................................................................
করোনা আক্রান্ত চিনবেন যে তিন লক্ষণে
.............................................................................................
রাজধানীর যেসব হাসপাতালে হবে করোনার চিকিৎসা
.............................................................................................
করোনায় নতুন আক্রান্ত ৫
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে সভা-সমাবেশ বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
শীতে শ্বাসকষ্ট-ডায়রিয়ায় আক্রান্ত পৌনে দুই লাখ, মৃত্যু ৫১
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরে এরশাদ ভালো আছেন : জিএম কাদের
.............................................................................................
সর্দি-জ্বর সারাতে আদা-রসুন স্যুপ
.............................................................................................
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আনিসুল হক
.............................................................................................
শিল্পী বারী সিদ্দিকী হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে
.............................................................................................
স্বাস্থ্যখাতের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
রোহিঙ্গাদের জন্য ইমার্জেন্সি হাসপাতালের যাত্রা শুরু
.............................................................................................
রোহিঙ্গা শিবিরে চলছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম টিকা কর্মসূচি
.............................................................................................
স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালেন প্রধান বিচারপতি
.............................................................................................
মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগিরকদের জন্য টেকনাফ ও উখিয়ায় ৬০টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করেছে ব্র্যাক
.............................................................................................
ঢাকায় শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট নির্মাণে জাপানের সহায়তা কামনা
.............................................................................................
হার্টে রিং পরানো হয়েছে ডিপজলের
.............................................................................................
এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে ‘সুপার ম্যালেরিয়া’
.............................................................................................
চমেক হাসপাতালে ৭৫ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী চিকিৎসাধীন
.............................................................................................
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে আওয়ামী লীগের চিকিৎসক প্রতিনিধি দল
.............................................................................................
সহজে ছারপোকা হবে দূর
.............................................................................................
এখনও ঘুম ভাঙেনি আনিসুল হকের
.............................................................................................
মেয়র আনিসুল শঙ্কামুক্ত
.............................................................................................
বীরপ্রতীক তারামন বিবিকে ঢাকায় আনা হচ্ছে
.............................................................................................
বীরপ্রতীক তারামন বিবি রংপুর সিএমএইচে ভর্তি
.............................................................................................
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ৪০ হাজার জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ৪০ হাজার জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
চিকুনগুনিয়া আক্রান্তদের বিনামূল্যে ফিজিওথেরাপী সেবা দেবে ডিএসসিসি
.............................................................................................
ঢাবি ভিসি নিয়োগ: আরেফিনসহ ৩ জনের নাম প্রস্তাব
.............................................................................................
চট্টগ্রাম ৫শ’ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে
.............................................................................................
কলার খোসা খাওয়া কেন জরুরি?
.............................................................................................
দেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনাকে আরো ১০ বছর সময় দিতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
স্বাস্থ্যসেবায় এগিয়ে বাংলাদেশ
.............................................................................................
টঙ্গীতে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস আগামীকাল
.............................................................................................
লাকী আখন্দ আর নেই
.............................................................................................
নোয়াখালীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ভাইবোনের
.............................................................................................
বিছানায় বাচ্চার প্রস্রাব বন্ধে কী করবেন
.............................................................................................
দুই কোটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে
.............................................................................................
আগামীকাল ২ কোটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে
.............................................................................................
আগে জনসাধারণের চিকিৎসা, পরে প্রাইভেট প্রাকটিস
.............................................................................................
কলেজ ছাত্রী খাদিজার ব্যাপারে চিকিৎসকরা আশাবাদী
.............................................................................................
গার্হস্থ্য অর্থনীতির ছাত্রীদের আন্দোলন: শিক্ষামন্ত্রীর গতিরোধ
.............................................................................................
অস্ত্রোপচার শেষে ৭২ ঘণ্টা নিবিড় পরিচর্যায় নার্গিস
.............................................................................................
দাফনের আগে কেঁদে উঠল শিশু
.............................................................................................
হাজারো চিকিৎসকের মিলনমেলা
.............................................................................................

সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবদুল মালেক, যুগ্ন সম্পাদক: নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া । সম্পাদক র্কতৃক ২৪৪ ( প্রথম তলা ) ৪ নং জাতীয় স্টেডিয়াম, কমলাপুর, ঢাকা -১২১৪ থেকে প্রকাশিত এবং স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২ টয়েনবি র্সাকুলার রোড, ঢাকা -১০০০ থেকে মুদ্রিত । ফোন:- ০২-৭২৭৩৪৯৩, মোবাইল: ০১৭৪১-৭৪৯৮২৪, E-mail: info@dailynoboalo.com, noboalo24@gmail.com Design Developed By : Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD