বাংলার জন্য ক্লিক করুন
   বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর 2020 | ,২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সিগারেটে তৈরির মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা

সিগারেটের পেছনে মাসে কারো কারো হাজার হাজার টাকা ব্যয় হয়। জানেন কি এই সিগারেট কি থেকে তৈরি হয়? হ্যাঁ, অবশ্যই তামাক পাতা সুন্দর করে কেটে পরিশোধন করার পর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে কাগজে মোড়ানো সিলিন্ডারের ভেতর পুরে সিগারেট তৈরি করা হয়।

তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, সিগারেটের মুল উপাদান গুলির একটি ইঁদুরের বিষ্ঠা। অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারণ সম্প্রতি অপর একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, পৃথিবী বিখ্যাত আইভরি কফি তৈরি নাকি তৈরি হয় হাতির বিষ্ঠা থেকে। যেমনটি ভারতে কফি তৈরি হয় বিড়ালের মল থেকে!

যাই হোক এসব তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী যে তথ্যটি একেবারেই ঘৃন্যকর, সেটি হল সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডস এর এক গবেষণায় দেখা গেছে- ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। কারণ সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়।

নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়। গ্রিসের একটি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেছে। তারও আগে জানা গিয়েছিল, সস্তা সিগারেটের মধ্যে অ্যাজবেস্টস এবং মৃত মাছিও থাকে।

সিগারেটে তৈরির মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা
                                  

সিগারেটের পেছনে মাসে কারো কারো হাজার হাজার টাকা ব্যয় হয়। জানেন কি এই সিগারেট কি থেকে তৈরি হয়? হ্যাঁ, অবশ্যই তামাক পাতা সুন্দর করে কেটে পরিশোধন করার পর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে কাগজে মোড়ানো সিলিন্ডারের ভেতর পুরে সিগারেট তৈরি করা হয়।

তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, সিগারেটের মুল উপাদান গুলির একটি ইঁদুরের বিষ্ঠা। অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারণ সম্প্রতি অপর একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, পৃথিবী বিখ্যাত আইভরি কফি তৈরি নাকি তৈরি হয় হাতির বিষ্ঠা থেকে। যেমনটি ভারতে কফি তৈরি হয় বিড়ালের মল থেকে!

যাই হোক এসব তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী যে তথ্যটি একেবারেই ঘৃন্যকর, সেটি হল সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডস এর এক গবেষণায় দেখা গেছে- ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। কারণ সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়।

নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়। গ্রিসের একটি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেছে। তারও আগে জানা গিয়েছিল, সস্তা সিগারেটের মধ্যে অ্যাজবেস্টস এবং মৃত মাছিও থাকে।

সিগারেটে তৈরির মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা!
                                  

সিগারেটের পেছনে মাসে কারো কারো হাজার হাজার টাকা ব্যয় হয়। জানেন কি এই সিগারেট কি থেকে তৈরি হয়? হ্যাঁ, অবশ্যই তামাক পাতা সুন্দর করে কেটে পরিশোধন করার পর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে কাগজে মোড়ানো সিলিন্ডারের ভেতর পুরে সিগারেট তৈরি করা হয়।

তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, সিগারেটের মুল উপাদান গুলির একটি ইঁদুরের বিষ্ঠা। অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারণ সম্প্রতি অপর একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, পৃথিবী বিখ্যাত আইভরি কফি তৈরি নাকি তৈরি হয় হাতির বিষ্ঠা থেকে। যেমনটি ভারতে কফি তৈরি হয় বিড়ালের মল থেকে!

যাই হোক এসব তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী যে তথ্যটি একেবারেই ঘৃন্যকর, সেটি হল সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডস এর এক গবেষণায় দেখা গেছে- ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। কারণ সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়।

নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়। গ্রিসের একটি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেছে। তারও আগে জানা গিয়েছিল, সস্তা সিগারেটের মধ্যে অ্যাজবেস্টস এবং মৃত মাছিও থাকে।

সিগারেটসহ সব তামাক পণ্য বেচাকেনা বন্ধের নির্দেশনা
                                  
শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেছেন, সিগারেটসহ সবধরনের তামাকপণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ বন্ধের নির্দেশনা, এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দিয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে ছাড় নেয়া হয়। আজ শিল্প মন্ত্রণালয় মিটিং করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব কিছু সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
 
বুধবার (২০ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্যসহায়ক পরামর্শক কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
 
যে সেক্টর থেকে ২৩ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা আয় হয় সেখানে একদিনের মাথায় এত বড় সিদ্ধান্তের ফলে রাজস্ব আয়ে প্রভাব ফেলবে কিনা— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে বিপণন সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। যেহেতু সিগারেট করোনা রোগের সাথে সম্পৃক্ত তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকেও ইতোপূর্বে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা সে নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
 
তিনি আরও বলেন, আমরা কিছুদিন আগেও তামাকজাতীয় পণ্য যেমন- ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকোসহ সকলকে বিপণনসহ সবকিছুর বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক সহায়তা করেছে। যেহেতু আমাদের বিশাল একটা রাজস্ব তাদের কাছ থেকে সরকার পেয়ে থাকে। নীতিগতভাবে বলতে গেলে, রাজস্ব বন্ধ করে তারপর তাদেরকে বলতে পারি। দ্বৈতনীতি তো হতে পারে না। কিন্তু আজকের পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় এটা একটি প্রেসক্রিপশন। এটা এখন একটা ওষুধের প্রেসক্রিপশন। যেহেতু এ মুহূর্তে তামাকজাত পণ্য আরও ক্ষতিকারক বিধায় সরবরাহ-বিপণন সাময়িকভাবে বন্ধ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
 
কতদিন পর্যন্ত এটা কার্যকর থাকবে— জানতে চাইলে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সেটা সময় হোক, আমরা পরে বসে সিদ্ধান্ত নেব। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সবাই মিলে রিভিউ করে সিদ্ধান্ত নেব।
 
এর আগে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের তামাক কোম্পানির উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন এবং তামাকপাতা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ চেয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চায়। গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. খায়রুল আলম শেখ সই করা এক চিঠিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে এ সহায়তা চান।
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
                                  

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই জরুরি সহায়তার মাধ্যমে কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস)-এর রোগী শনাক্তকরণ, মহামারিকে প্রতিরোধ, কিভাবে তারা আক্রান্ত হয়েছেন, তার অনুসন্ধান, ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি, ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী ও নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড স্থাপনে ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যবহার করা হবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, করোনা ভাইরাস প্রসারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাব রোধে বাংলাদেশের জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। পাশাপাশি এটি নজরদারি এবং ডায়াগনস্টিক সিস্টেমগুলো রয়েছে কিনা তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এছাড়া দেশের স্বাস্থ্যবিধি, ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম, ভেন্টিলেটর এবং হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপনে জোরালো ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে করোনা ভাইরাস কঠিন আঘাত হানতে পারে। কাজেই চলমান সংকট উত্তরণে আঞ্চলিক ও দেশভিত্তিক সমাধানে জোর দেয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটি দরিদ্রতম দেশগুলোর জন্য বিশ্বব্যাংকের তহবিল ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কোভিড-১৯ ফাস্ট ট্র্যাক সুবিধার মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়। পাঁচ বছর গ্রেস দিয়ে ৩০ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে।

এদিকে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সংক্ষিপ্ত সময়ে কোভিড-১৯ মোকাবেলা জোরদার করতে ১৪ বিলিয়ন ডলার ফাস্ট-ট্র্যাক প্যাকেজ তৈরি করছে। এতে দেশগুলোতে মহামারীর সময়ে স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় সহায়তা করার জন্য অর্থায়ন, নীতি পরামর্শ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সব কারখানা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিকেএমইএ
                                  

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নিট পোশাক কারখানা ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।

শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সভাপতি সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান এই নির্দেশনা দেন। 

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণের যে ক্ষতিকর প্রভাব বাংলাদেশে পড়েছে, তা থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচানোই এ মুহূর্তে আমাদের সবার লক্ষ্য। মানুষ বাঁচলে শিল্প বাঁচবে এবং শিল্প বাঁচলে দেশ সমৃদ্ধ হবে। এজন্যই দেশের স্বার্থে সরকার সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। বিকেএমইএ থেকেও গত ২৫ মার্চ চিঠিতে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

এতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী রফতানিমুখী শিল্পকে  অর্থনৈতিক মন্দা থেকে রক্ষার জন্য বিশাল প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা এই শিল্পখাতের জন্য প্রদান করেছেন। এমন প্রেক্ষাপটে আমাদের কারণে কোনো শ্রমিকের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য কোনোভাবেই আতঙ্কিত না হয়ে, দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য সরকারের সিদ্ধান্তের সাথে সাদৃশ্য রেখে বিকেএমইএ’র সদস্যভুক্ত সব নিট পোশাক কারখানা ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হলো।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কারখানা ছুটির সময় শ্রমিকরা যিনি যেখানে অবস্থান করছেন, তিনি যেন সেখানেই অবস্থান করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে কর্তৃপক্ষকে। 

সবজি-মাছ-মাংসের বাজার গরম, স্বস্তি পেঁয়াজে
                                  

ঢাকা:সপ্তাহের ব্যবধানে ঊর্ধ্বমুখী মাছ, মুরগি ও সবজির বাজার। কেজিতে ১০-৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি রয়েছে মাছের বাজার, কেজিতে পাঁচ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বাড়তি রয়েছে সবজির দাম। দাম বেড়েছে মুরগির বাজারেও। কেজিতে পাঁচ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন মুরগি দাম।এছাড়া আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু, মহিষ ও খাসির মাংস, চাল, ডাল, তেল ও মসলা। অপরিবর্তিত রয়েছে ডিমের বাজার। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে পেঁয়াজের দাম।

মাছ, মুরগি ও সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে ভিন্নমত দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে। বিক্রেতারা বলছেন, করোনা আতঙ্কে বাজারে মালের সরবরাহ কমেছে এ কারণে দাম বেড়েছে পণ্যের। আর ক্রেতারা বলছেন, করোনা আতঙ্ক নয়, বিভিন্নধরনের সমস্যায় ব্যবসায়ীরা জনগণের পাশে না থেকে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। বাজারে মালের সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও দাম বাড়ানোর কারণ নেই।

শুক্রবার (২১ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, খিলগাঁও, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজার, ফকিরাপুল কাঁচা বাজার এবং শান্তিনগর কাঁচা বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে কেজিপ্রতি পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে আকারভেদে চিচিঙ্গা ১০০-১২০ টাকা, সিম ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ৪০-৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০-১২০ টাকা, করলা ৮০-১১০ টাকা, উস্তি ১২০ টাকা, বেগুন ৬০-১০০ টাকা, গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা, বড় কচু ৫০-৬০ টাকা, বিট ৪০-৬০ টাকা, শসা ৪০-৬০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

দাম বেড়েছে শাকের বাজারেও। বাজারে প্রতি আটি (মোড়া) কচু শাক ১০-১২ টাকা, লাল শাক ১২-১৫ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, পালং শাক ১৫-২০, লাউ ও কুমড়া শাক ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা, জালি ৫০ টাকা, প্রতি পিস বাঁধাকপি-ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা, বাঁধা কপি (গ্রিন) ৬০-৮০ টাকা।

আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু ও মহিষের মাংসের দাম। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৫৮০ টাকা, মহিশের মাংস ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, বকরি ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দাম বেড়েছে মুরড়ির বাজারে। এসব বাজারে প্রতিকেজি বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকা, লেয়ার ২২০-২৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৮০-২০০ টাকা, সোনালি ২৬০-২৮০ টাকা কেজিদরে।
অপরিবর্তিত আছে ডিমের বাজার। লাল ডিম প্রতি ডজন ৯০-৯৫ টাকা, দেশি মুরগি ১৬০ টাকা, সোনালী ১৪০, হাঁস ১৩০-১৪০, কোয়েল প্রতি ১০০ পিস ২০০-২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দাম বেড়েছে মাছের বাজারে। এসব বাজারে বর্তমানে প্রতি এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১২০০ টাকা, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৭০০-৭৫০, ছোট ইলিশ আকারভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া প্রতিকেজি কাঁচকি ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি, মলা ৩৫০-৪০০ টাকা, ছোট পুটি (তাজা) ৫০০-৫৫০ টাকা, শিং ৪০০-৬৫০ টাকা, পাবদা ৪০০-৫৫০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪৫০-৭৫০ টাকা, বাগদা ৪৫০-৯৫০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩৫০- ৫০০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৫০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২২০-৩৫০ টাকা, পাঙাস ১৩০-১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০-২০০ টাকা, কৈ ২০০-২২০ টাকা, কাতল ২২০-৩২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম কমেছে পেঁয়াজ ও রসুনের। এসব বাজারে কেজিপ্রতি ১০-২০ টাকা পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে (মানভেদে) ৩০-৫০ টাকা কেজিদরে। এছাড়া দাম কমে প্রতিকেজি রসুন দেশি (মানভেদে) ৭০-১০০ টাকা, চায়না ১৩০-১৫০, তিন কোয়া রসুন ১৮০, আদা ১৩০-১৪০ টাকা কেজিদরে।

অন্যদিকে আগের বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল চাল ও মসলার বাজার। খোলা সয়াবিন (লাল) বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৯৫-১০০ টাকা লিটার, খোলা সাদা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯২ টাকা লিটার। অপরিবর্তিত আছে সরিষার তেল। খোলা সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা লিটার।

এসব বাজারে চিনিগুড়া চাল বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০০০ হাজার থেকে ৫ হাজার ২৫০ টাকা, মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ২৪৫০ টাকা, মিনিকেট (পুরানো) ২৫০০-২৫৫০ টাকা, ২৮ চাল ১৮৫০ টাকা, বিভিন্ন প্রকার নাজির চাল প্রতিবস্তা বিক্রি হচ্ছে ২২৫০ টাকা থেকে তিন হাজার টাকায়।

এসব বাজারে প্রতিকেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৪৬০০-৫৫০০ টাকা কেজি দরে, জয়ত্রী বিক্রি হচ্ছে ৩৫০০-৩৬০০ টাকা কেজি দরে। জায়ফল বর্তমান বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে।
দর বৃদ্ধি নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মাঝে রয়েছে ভিন্নমত। 

বিক্রেতারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের কারণে এখন বাজারে মালের সরবরাহ কমেছে। মাল কম থাকায় দামও বাড়তি রয়েছে। 

পলাশ নামে কারওয়ান বাজারের এক ক্রেতা বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে করোনা আতঙ্ক কাজ করছে সবার মধ্যে। এ আতঙ্ক রয়েছে সবজি বাজারেও এ কারণে মালের সংকট দেখা দিয়েছে।

একই কথা জানান এ বাজারের পাইকারি মাছ বিক্রেতা হালিম। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, এখন মালের ঘাটতি রয়েছে দামও বাড়তি। সবাই একটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।

‘গলার কাঁটা’ পেঁয়াজ কেনার প্রস্তাব ভারতের, ভাবছে বাংলাদেশ
                                  

:

 

বিপাকে পড়ে বাংলাদেশের কথা মনে করেছে প্রতিবেশী ভারত। দেশটি সংকটের সময় দীর্ঘদিন পেঁয়াজ না দিলেও এবার দিতে চাইছে, অনেকটা গলার কাঁটা দূর করতে। কেননা, নিজেদের সংকটের সময় আমদানি করেছে চাহিদার সূক্ষ্ম হিসেব না করে, এখন তা পচে যাচ্ছে।

 

দুয়েকদিন হয়েছে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সংকটের সময় পণ্যটি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেশটি। আর এতে বাংলাদেশের বাজারে ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ে পেঁয়াজের কেজি ২৮০ টাকায় পৌঁছে। অবশ্য ভারতের বাজারেও পেঁয়াজ সংকট ছিল তুমুল পর্যায়ে। রাজ্য ভেদে ১০০ রুপি কেজি ছাড়িয়ে যায় দাম।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় উভয় দেশ। এতে বাংলাদেশ পেঁয়াজের বাজারে চাহিদা অনুযায়ী আমদানি সমন্বয় করতে পারলেও পারেনি ভারত। রাজ্য সরকারের চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ আমদানি করে বিপাকে পড়ে গেছে কেন্দ্র। কারণ যে চাহিদ দিয়েছিল রাজ্য সরকার, আমদানির পর তা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় জমা পড়ে আছে অন্তত ১৫ হাজার টন পেঁয়াজ।

এ হিসেবে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার রকিবুল হকের সঙ্গে বৈঠকে পেঁয়াজ কেনার প্রস্তাব দেন। এরপরই বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ওঠে।

বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়লেও ‘দেশে বাড়বে না
                                  

ঢাকা:

 মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে বিশ্ববাজারে হঠাৎ বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের দাম। এ পর্যন্ত বেড়েছে ৪ শতাংশ। তবে তা আরও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

 

বিশ্ববাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশের বাজারেও তেলের দাম বাড়ানো হবে কি না সে গুঞ্জনের মধ্যে আশ্বস্ত করেছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. সামছুর রহমান। তিনি বলেছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশে বাড়ানো হবে না। 

ইরাকে মার্কিন হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেমানি। এ ঘটনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ইরান পাল্টা প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আঘাত করলে পাল্টা আঘাত করা হবে। 

এ অবস্থায় ইরাকও আর চাচ্ছে না মার্কিন সেনা তাদের দেশে থাকুক। এ বিষয়ে পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাবও পাস করেছে তারা। এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেছেন, ইরাকের জন্য যাত টাকা খরচ হয়েছে তা ফেরত না দিলে তিনি সৈন্য প্রত্যাহার করবেন না। 

ফলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজারে প্রভাব ফেলেছে এ ঘটনা। 

জানা গেছে, ইরাকে মার্কিন হামলায় সোলেমানি নিহত হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী তেলের দাম  ৪ শতাংশ বেড়ে গিয়ে প্রায় ৭০ ডলারে পৌঁছেছে। এই দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, জেনারেল কাসেম সোলেমানি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের দীর্ঘ দিনের বিরোধ আরও জোরালো হতে পারে। এর প্রভাব জ্বালানি তেলের ওপরে পড়বে। বিশ্বে ব্যবহৃত প্রায় ৫ ভাগের এক ভাগ তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই হরমুজ প্রণালীর উত্তর উপকূলে ইরানের অবস্থান। ইরান এই প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহনে বাধা দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ কমে গেলে, আগামীতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার সম্ভাবনাই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এ বিষয়ে বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের যে আমদানি ব্যয় হয়, তার বড় একটি অংশই তেল আমদানির কারণে ব্যয় করতে হয়। সুতরাং তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব অনেক বেশি হবে। তেলের সাথে দেশের পরিবহন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, অন্যান্য শিল্প কারখানা জড়িত, তেলের দাম বাড়লে এগুলোর উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। আমদানি ব্যয় বাড়লে আমদানি রপ্তানি ব্যয় বৈষম্যও বাড়বে। তেলের দাম বাড়লে এর সর্বোপরি প্রভাব জনজীবনের ওপর পড়বে।

অন্যদিকে বিশ্ববাজারে বাড়লেও বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়বে না বলছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. সামছুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের ঘটনার বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে ভোক্তা পর্যায়ে তেলের দাম বাড়বে না। ২০১৬ সালে সরকার জ্বালানি তেলের যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, এখনো সেই মূল্যই আছে। এরপরে আন্তর্জাতিক বাজারে বেশ কয়েকবার তেলের দাম ওঠানামা করলেও আমরা দাম পরিবর্তন করিনি। তেলের মূল্য বৃদ্ধি হলে বিপিসিকে ভর্তুকি বেশি দিতে হবে। সেক্ষেত্রে আমাদের ক্ষতির পরিমাণ বাড়লেও ভোক্তা পর্যায়ে তেলের দাম বাড়ানো হবে না।

দেশে প্রথম ১০ লেনের টঙ্গী ব্রিজ, থাকছে চলন্ত সিঁড়ি-লিফট
                                  

ঢাকা:

 গাজীপুরের সড়ক যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন করতে বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত পৃথক বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গাজীপুর থেকে ২০ মিনিটে পৌঁছা যাবে বিমানবন্দর।

 

ছয় লেনের রাস্তার দুই লেন দিয়ে শুধু দ্রুত গতির বাসই চলবে, অন্য কোনো যানবাহন নয়। এই প্রকল্পের আওতায় ঢাকার অদূরে টঙ্গীতে ১০ লেন বিশিষ্ট আধুনিক ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। উড়াল সড়কের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ব্রিজটি নির্মাণ করছে সরকার। বলা হচ্ছে, এ ধরনের ব্রিজ বাংলাদেশে এই প্রথম।

টঙ্গী ব্রিজ এলিভেটেড হবে। যাত্রী সাধারণের জন্য ব্রিজে উঠতে থাকছে এস্কেলেটর (সচল সিঁড়ি), লিফট ও সাধারণ সিঁড়ি। ১০ লেন বিশিষ্ট টঙ্গী ব্রিজের মোট দৈর্ঘ্য হবে ৮০০ মিটার। ঢাকা থেকে আশুলিয়া হয়ে দুটি র‌্যাম্প নামবে এবং আশুলিয়া থেকে ঢাকায় দুটি র‌্যাম্প উঠবে ব্রিজে। চারটি লেন ব্যবহার করা হবে পৃথক বাস রুটের জন্য, বাকি দুই লেনে সাধারণ মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারবেন।

ঢাকা শহরসহ এর নিকট জেলাগুলোর জন্য একটি সমন্বিত, বহুমুখী, সময় ও অর্থসাশ্রয়ী যোগযোগ ব্যবস্থা নির্মাণে এ প্রকল্পটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত সুফল এরইমধ্যে বিআরটির অন্য প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় করে সরকার ২০৩৫ সালের মধ্যে একটি আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে।

গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার সড়কে নিরবচ্ছিন্ন যান চলাচলে দুই পাশে বিশেষ লেন (বিআরটি) নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে। উত্তরা হাউজবিল্ডিং থেকে চেরাগ আলী পর্যন্ত সাড়ে চার কিলোমিটার এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ করা হবে। এই এলিভেটেড সড়কের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই টঙ্গীতে ১০ লেন আধুনিক ব্রিজ। ১০ লেন টঙ্গী ব্রিজসহ সাড়ে চার কিলোমিটার এলিভেটেড সড়ক নির্মাণে মোট ব্যয় হবে ৯৩৫ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর পযর্ন্ত ব্রিজ ও এলিভেটেড সড়ক কাজের অগ্রগতি ২৫ শতাংশ। সাড়ে চার কিলোমিটার এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ছয়টি স্টেশন, রোড , ড্রেন ও মাটির কাজও করা হবে।

প্রকল্পের পরিচালক লিয়াকত আলী বাংলানিউজকে বলেন, বাংলাদেশে এবারই প্রথম ১০ লেন ব্রিজ হচ্ছে টঙ্গীতে। ব্রিজে সাধারণ যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে এস্কেলেটর-লিফট ও সাধারণ সিঁড়ি থাকবে। দ্রুত গতিতে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। টঙ্গী ব্রিজের কাজ সম্পূর্ণ হলে এটা দর্শনীয় স্থানেও পরিণত হবে।  

শুধু ১০ লেন বিশিষ্ট টঙ্গী ব্রিজ নির্মাণ নয়, পাশাপাশি ৩ হাজার ৮৯ মিটার দৈর্ঘ্যের ছয়টি ফ্লাইওভারও নির্মাণ করা হবে। ছয়টি ফ্লাইওভারের মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দর ফ্লাইওভার ৮১৫ মিটার, জসিমউদ্দিন ফ্লাইওভার ৫৮০ মিটার, কুনিয়া ফ্লাইওভার ৫৫০ মিটার, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ফ্লাইওভার ৫৫০ মিটার, ভোগড়া ফ্লাইওভার ৫৮০ মিটার ও জয়দেবপুর ফ্লাইওভার ২ হাজার ১৪ মিটার।

গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার সড়কে নিরবচ্ছিন্ন যান চলাচলে দুই পাশে বিশেষ লেন (বিআরটি) নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ সাত বছরে প্রকল্পের মোট ফিজিক্যাল ৩৩ শতাংশ। শুরু থেকে প্রকল্পের আওতায় ব্যয় হয়েছে ৯৫৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরে প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ছিল ৪৫৬ কোটি ৪৩ লাখ। এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৪৬ কোটি ৬৩ লাখ বা ২৪ শতাংশ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, সেতু বিভাগ ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এক প্রকল্পের আওতায় তিন বিভাগ পৃথক পৃথকভাবে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণে ইতোমধ্যে বেড়েছে প্রকল্প ব্যয়। প্রথম সংশোধোনিতে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৩৯ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সংশোধনীতে আরও ২ হাজার ২২৫ কোটি টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় ৪ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। প্রকল্পটির কাজ ২০১৬ সালে শেষ করার লক্ষ্য ছিল। এরপর প্রকল্পের ব্যয় আরও দুই বছর বাড়ানো হয়। নতুন সংশোধনী প্রস্তাবে বাস্তবায়ন মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। প্রকল্পের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কাজের পরিধিও অনেক বেশি।

এই অংশের প্রকল্প পরিচালক চন্দন কুমার বসাক বাংলানিউজকে বলেন, সব ঝামেলা কাটিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। মাটির নিচের কাজ অর্থাৎ পাইল-পিয়ার ও ড্রেনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন জনভোগান্তি ছাড়াই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের জন্য এমন একটি আধুনিক প্রকল্প উন্নয়নের মাইল ফলকও বটে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ফরাসি দাতা সংস্থা এএফডি, গ্লোব্যাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ) প্রকল্পে ঋণ দিচ্ছে ১ হাজার ৬৫০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় ১ দশমিক ৯০ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ, বিমানবন্দরে ৫৫০ মিটার আন্ডারপাস, প্রকল্প এলাকায় ২০ হাজার বর্গমিটারের একটি বাস ডিপো নির্মিত হবে। ফুটপাতসহ উভয়পাশে উচ্চ ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ২৪ কিলোমিটার ড্রেন, আটটি কাঁচাবাজার ও ১৯টি বিআরটি স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

বিআরটি করিডোর উভয়পাশে সার্ভিস লেনসহ ২০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পৃথক বাসরুট, ফ্লাইওভার ছয়টি, সংযোগ সড়ক ১৪১টি, মার্কেট উন্নয়ন ১০টি, স্টর্ম ড্রেন ১২ কিলোমিটার, আট লেন বিশিষ্ট টঙ্গী সেতু, গাজীপুর বাস ডিপো, জয়দেবপুর বাস টার্মিনাল ও বিমানবন্দর বাস টার্মিনাল এবং পিপিপির ভিত্তিতে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় মাল্টিমোডাল হাব নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পৃথক ১২০টি আর্টিকুলেটেড আধুনিক বাসে গাজীপুর থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছে যাবেন যাত্রীরা। প্রকল্পের আওতায় সড়কের উভয়পাশে ডেডিকেটেড বিআরটি লেন নির্মাণ করা হবে। এই লেন দিয়ে শুধু আর্টিকুলেটেড (দুই বগির জোড়া লাগানো) বাস চলবে। দুটি কোচ জোড়া দিয়ে বানানো এ বাসের দৈর্ঘ্য হবে ১৮ মিটার; তবে সাধারণ বাসের থেকে যাত্রীধারণ ক্ষমতা দ্বিগুণ। প্রায় দেড়শ’ জন যাত্রী একটি বাসে ভ্রমণ করতে পারবেন। বিশ্বের নানা দেশে বেন্ডি বাস, ট্যান্ডেম বাস, ব্যানান বাস, ক্যাটারপিলার বাস বা অ্যাকর্ডিয়ন বাস নামে পরিচিত আর্টিকুলেটেড বাস। স্মার্টকার্ড ও ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করা হবে এ বাসে। ডেডিকেটেড রুটজুড়ে থাকবে স্টপেজ। বাসগুলো কয়েকটি নির্দিষ্ট কোম্পানির মাধ্যমে চালানো হবে। এই রুটে তিন মিনিট পরপর বাস পাওয়া যাবে। থাকবে ইলেকট্রনিক ভাড়া নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও।

বাংলাদেশ সময়: ০৮৪৪ ঘণ্টা

পেঁয়াজের প্রথম চালান এলো উড়োজাহাজে
                                  

পাকিস্তানের করাচি বিমানবন্দর থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে একটি বেসরকারি সিল্ক সংস্থার পণ্য পরিবহনকারী উড়োজাহাজে এই চালান আমদানি হয়।

চালানটির আমদানিকারক ঢাকার শাদ এন্টারপ্রাইজ। চালানটিতে ৮১ টন ৫০০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে। পেঁয়াজবাহী উড়োজাহাজটি অবতরণের পর চালানটি খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ঢাকা কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন জানান, সিল্কওয়ে উড়োজাহাজের ‘সেভেনএল ৩০৮৬’ ফ্লাইটে পেঁয়াজের প্রথম চালানটি এসেছে। এখন দ্রুত শুল্কায়নের প্রক্রিয়া চলছে।

শাহজালাল বিমানবন্দরে দায়িত্বরত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক রতন কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, চালানটিকে যাতে সংগনিরোধ ছাড়পত্র দ্রুত দেওয়া হয়, সে জন্য তিন সদস্যের একটি দল কাজ শুরু করেছে। চালানটি পরিদর্শন করে সংগনিরোধ ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

এ পর্যন্ত আকাশপথে চারটি উড়োজাহাজে পেঁয়াজের চালান আনার সময়সূচি ঠিক হয়েছে। শাদ এন্টারপ্রাইজ ছাড়াও চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের প্রথম চালান আসবে বুধবার দিবাগত রাত একটায়। সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানে প্রথম চালানটি এসে পৌঁছাবে। বৃহস্পতিবার বিসমিল্লাহ এয়ারলাইন্সের পণ্যবাহী উড়োজাহাজে দ্বিতীয় চালান আসবে। আগামী শুক্রবার তৃতীয় চালান আসবে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানে।

আকাশপথে পেঁয়াজের চালান আনার জন্য উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৭ টনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। শাদ এন্টারপ্রাইজ ছাড়াও এস আলম গ্রুপ অনুমতি নিয়েছে ১ হাজার ৯২৫ টনের।

বাণিজ্য মেলা ৯ জানুয়ারি শুরু
                                  

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে পেছানো হয়েছে ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৯। ১ জানুয়ারির পরিবর্তে ৯ জানুয়ারি ওথকে শুরু হবে এ মেলা। চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুারোর (ইপিবি) মহাপরিচলাক অভিজিৎ চৌধুরী বাসসকে বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে এবার বাণিজ্য মেলা ১ জানুয়ারি পরিবর্তে আগামী ৯ জানুয়ারি মেলার উদ্বোধন করা হবে।
তিনি জানান, এ মাসের মধ্যে স্টল বরাদ্দ শেষ হবে। এ পর্যন্ত ৪৩টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে।
ইপিবি সূত্র জানায়, গতবারের চেয়ে এবার বিদেশিদের আগ্রহ অনেক বেশি। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হবে। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টল ও প্যাভিলিয়ন মিলিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচশ’ প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নেবে।
এবারের মেলায় নারীদের জন্য সংরক্ষিত স্টল ২০টি, প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ৬০টি, প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন ৩৮টি, সাধারণ প্যাভিলিয়ন ১৮, সাধারণ মিনি প্যাভিলিয়িন ২৯টি, প্রিমিয়ার স্টল ৬৭টি, রেস্টুরেন্ট ৩টি, সংরক্ষিত প্যাভিলিয়ন ৯টি, সংরক্ষিত মিনি প্যাভিলিয়ন ৬টি, বিদেশি প্যাভিলিয়ন ২৬টি।

 

ব্রয়লার মুরগিতে সচেতনতা জরুরি
                                  

মুরগির ফার্ম এখন সারা দুনিয়ায়। এর সংখ্যা এতই বিপুল যে, সঠিক পরিসংখ্যান অসম্ভব। খাদ্য তালিকায় প্রোটিন-সমৃদ্ধ সব জিনিসের দামই বেশ চড়া! সে তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম খুবই কম; যা সব শ্রেণির ক্রেতারই হাতের নাগালে। যে কারণে পৃথিবীর প্রায় সব দেশের সব জাতির লোকের কাছেই এখন ফার্মজাত মুরগির আলাদা কদর আছে।
মুরগির গোশত সাদা রঙের হওয়ায় বৃদ্ধ ও রোগীদের জন্যও অনুপযুক্ত নয়। ফলে সব বয়সের ও সব শ্রেণির মানুষের কাছে এটি যথাযথ সমাদর পেয়ে থাকে। মুরগির গোশত তুলনামূলক কম চর্বিযুক্ত হওয়ায় মানবদেহের জন্য কম ক্ষতিকর। পৃথিবীর সব দেশের প্রায় সব ধরনের হোটেল-রেস্তোরাঁয় মুরগির বিভিন্ন আইটেম পাওয়া যায়। চেইন রেস্টুরেন্টগুলোতে মুরগির ডিশই প্রধান আকর্ষণ হয়ে থাকে। বাসাবাড়িতে নিত্যদিনের খাবারে মুরগি এখন কমন খাবারে পরিণত হয়েছে। বিবাহ, ওলিমা, আকিকাসহ সব ধরনের অনুষ্ঠানে মুরগির আইটেম থাকবেই। বাংলাদেশে আমিষ খাবারের ক্ষেত্রে গরু, খাসি ও মাছের স্থান যদিও পছন্দের শীর্ষে। কিন্তু ওগুলোর দাম এত চড়া যে, সাধারণ ভোক্তারা ওদিকে তাকাতেও সাহস করে না। হতদরিদ্র লোকদের আমিষের চাহিদা তাই মুরগির দ্বারাই মিটে থাকে। 
ছোটবেলায় আমরা মুরগি বলতে দেশি মুরগিকেই জানতাম, কিন্তু দেশি মুরগি এখন যেন মার্কেট থেকে গায়েব। সুতরাং ব্রয়লার মুরগির ব্যবহার ছাড়া এখন মুরগির চাহিদা মেটানো অসম্ভব। লক্ষণীয় বিষয় হলো, আমাদের দেশে অন্যান্য দেশ থেকেও ব্রয়লার মুরগি আমদানি করা হয়ে থাকে। অনেক অমুসলিম দেশও বাংলাদেশে মুরগি রফতানি করে থাকে। সে ক্ষেত্রে মুসলিম হিসেবে আমাদের অবশ্যই খাদ্য গ্রহণের আগে হালাল-হারাম বেছে চলা জরুরি। কোরআনুল কারিমে এ মর্মে ঘোষিত হয়েছে, ‘হে মানবসকল, তোমরা ভূপৃষ্ঠে সৃষ্ট হালাল ও পবিত্র খাদ্যবস্তু ভক্ষণ করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ (সূরা বাকারা : ১৬৮)।
আলহামদু লিল্লাহ! আমরা মুসলমান। আর মুসলিম হিসেবে আমাদের পবিত্র ও হালাল খাবার গ্রহণ করা আবশ্যক। সুতরাং ফার্মের যেসব মুরগি আমাদের দেশে বা যে কোনো মুসলিম দেশে ভিন দেশ থেকে আমদানি করা হয়, সেগুলোর হালাল-হারাম সম্পর্কে সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সম্যক ধারণা থাকা বাঞ্ছনীয়। বিশেষত ব্রয়লার ফিডগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদানি করা হয়ে থাকে। অনেক অমুসলিম দেশ থেকেও আনা হয় মুরগির খাবার। আর অমুসলিম দেশগুলোতে সাধারণত হালাল-হারামের বাছবিচার থাকে না। 
জানা গেছে, ব্রয়লার ফিড তৈরিতে শূকরের চর্বি ও মৃত প্রাণী ব্যবহার নাকি দেদার। এছাড়াও অমুসলিমদের জবাইকৃত প্রাণীর বিভিন্ন অংশও ব্যবহৃত হচ্ছে বরাবর। সুতরাং মুরগিকে যে খাবার আমরা খাইয়ে রিষ্টপুষ্ট করছি, সেই খাবার হালাল বস্তু দ্বারা তৈরি কি না, তা খতিয়ে দেখা চাই। রক্ত, আল্লাহর নামছাড়া জবাইকৃত প্রাণীর যে কোনো অংশ, শূকর ও মৃত প্রাণী মুসলমানের জন্য সম্পূর্ণরূপে হারাম। এ ব্যাপারে পবিত্র কোরআনুল কারিমে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই তিনি তোমাদের ওপর মৃত প্রাণী, প্রবাহিত রক্ত, শূকর-মাংস ও আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে উৎসর্গীকৃত প্রাণীকে হারাম করেছেন।’ (সূরা বাকারা : ১৭৩)।
সুতরাং মুরগি ব্যবসায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ ভোক্তাদের এ সম্পর্কে আরও সচেতন হতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হালাল খাদ্যবিষয়ক একটি বিভাগ আছে। এ বিষয়টি তাদের বিশেষভাবে খতিয়ে দেখা দরকর। লক্ষ্য রাখতে হবে, আমরা হারাম বস্তু দ্বারা পরিপুষ্ট মুরগি বা অন্য কোনো প্রাণীর গোশত নিজেদের অসচেতনতায় খেয়ে ফেলছি কি না। আল্লাহ আমাদের হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণের তৌফিক দিন।

এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহের নির্দেশ
                                  

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির সময়ে ব্যাংকগুলোর অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গ্রাহকের নগদ টাকার প্রয়োজন মেটাতে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ই-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমেও লেনদেন চলমান রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টে একটি প্রজ্ঞাপন সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এটিএম বুথে কোন ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত সমাধান করতে হবে। অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) বুথের ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক এটিএম সেবা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি বুথে সার্বক্ষণিক পাহারাদার মোতায়েন ও তাদের সতর্ক অবস্থানসহ অন্যান্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, পয়েন্ট অব সেলের (পিওএস) ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক পিওএস সেবা নিশ্চিত করা এবং জাল- জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট এবং গ্রাহককে সচেতন করতে হবে। ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ লেনদেনের ক্ষেত্রে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেম (টু এফএ) ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী সব ব্যাংক এবং তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে হবে।

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় সামিটের আজিজ
                                  

ফোর্বস ম্যাগাজিনের করা সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় এসেছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান ও তার পরিবারের নাম। অর্থবাণিজ্যের সাময়িকী ফোর্বস বলছেজুলাই পর্যন্ত হিসাবে সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান ও তার পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৯১ কোটি ডলার। আর ওই সম্পদ নিয়ে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় এ বছর আজিজ খানের নাম রয়েছে ৩৪ নম্বরে। খবর বিডিনিউজের।

৬৩ বছর বয়সী আজিজ খান গত এক দশকের বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা। বাংলাদেশে বিদ্যুৎবন্দরফাইবার অপটিকসকমিউনিকেশনসহসপিটালিটিইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্করিয়েল এস্টেট খাতে ব্যবসা রয়েছে সামিট গ্রুপের।

সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠান সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল সমপ্রতি সিঙ্গাপুর স্টক এঙচেঞ্জে (এসজিএঙতালিকাভুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এশিয়ায় বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগের জন্য এসজিএঙ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে চায় আজিজ খানের কোম্পানি। গত ফেব্রুয়ারিতে এ বিষয়ে রয়টার্সকে তিনি বলেনবাংলাদেশের শেয়ারবাজার অনেক ছোট,আর আমাদের বিনিয়োগের জন্য আরো অনেক বেশি অর্থ প্রয়োজন। সিঙ্গাপুর একটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। ফলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য এটি একটা ভালো জায়গা।

তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ফারুক খানের ভাই। ফারুক খান ২০০৯২০১৩ মেয়াদে বাংলাদেশের বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। দুই বছর আগে ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস আইসিআইজের প্রকাশিত অফশোর লিকস ডেটাবেইজে আজিজ খান ও তার পরিবারের সদস্যদেরও নাম আসে। তবে সামিট চেয়ারম্যান সে সময় কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কাছে।

সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের সিঙ্গাপুর হেডকোয়র্টারে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে আছেন আজিজ খানের মেয়ে আয়েশা আজিজ খান। আজিজফারুকের আরেক ভাই জাফর উমেদ খানও এ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে আছেন।

প্রথমে ট্রেডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও পরে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবসা এসে দ্রুত উন্নতি হতে থাকে সামিটের ব্যবসার। ১৯৯৮ সালে সামিটের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে যায়। বর্তমানে সামিটের ১৭টি কেন্দ্র দেশের মোট বিদ্যুতের চাহিদার ৯ শতাংশের যোগান দিচ্ছে বলে তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য।

সামিট পাওয়ার সমপ্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিক (জিইএবং জাপানের মিৎসুবিশি করপোরেশনের সঙ্গে মিলে বাংলাদেশে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের সমঝোতা চুক্তি করেছে। এর আওতায় দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্রদুটি এলএনজি টার্মিনালএকটি তেলের টার্মিনাল এবং একটি এইচএফওভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় শুরু
                                  

পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষে জনসাধারণের জন্য বাজারে নতুন নোট বিনিময় শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার সারাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব শাখা অফিস এবং রাজধানীর বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ২০টি শাখার মাধ্যমে এ নতুন নোট বিনিময় শুরু হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (সহকারী মুখপাত্র, বাংলাদেশ ব্যাংক) আবুল কালাম আজাদ।

আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত  (সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতিত) বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অফিসের কাউন্টারের মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝে নতুন নোট বিনিময় করা হবে। এ ছাড়া রাজধানীর ২০টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা থেকেও উক্ত সময়ে ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকা মূল্যমান পর্যন্ত নতুন নোট বিশেষ ব্যবস্থায় বিনিময় করা শুরু হয়েছে। এবার একই ব্যক্তি একাধিকবার নতুন নোট গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে নোট উত্তোলনকালে কেউ ইচ্ছা করলে কাউন্টার থেকে পরিমাণ নির্বিশেষে যেকোনো মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা গ্রহণ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়া রাজধানীর বাণিজ্যিক ব্যাংকের নির্ধারিত শাখাগুলো হলো—ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড যাত্রাবাড়ী শাখা, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, আব্দুল গণি রোড করপোরেট শাখা, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, এলিফ্যান্ট রোড শাখা, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড, মিরপুর শাখা, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, কাওরান বাজার শাখা, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বসুন্ধরা সিটি (পান্থপথ) শাখা, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, চকবাজার শাখা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, রমনা করপোরেট শাখা, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা শাখা, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, গুলশান শাখা, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, মহাখালী শাখা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, মোহাম্মদপুর লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, রাজারবাগ শাখা, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, সদরঘাট শাখা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, মালিবাগ শাখা, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, বাসাবো শাখা, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, শ্যামলী শাখা, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, এসএমই অ্যান্ড এগ্রিকালচার শাখা, দক্ষিণখান, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, বনানী শাখা, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, ধানমন্ডি শাখা।

দেশের বৃহত্তর চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জের খেজুর গুড়ের হাট জমে উঠেছে
                                  

 জেলার সরোজগঞ্জের খেজুর গুড়ের হাট জমে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসছে ব্যাপারীরা। সপ্তাহে দুই দিন এ হাট বসে। হাট থেকে প্রায় ২০-৩০ ট্রাক গুড় ব্যাপারীরা ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করেন। প্রায় দুই কোটি টাকার গুড় কেনাবেচা হয় হাটে।
ব্যাপারীরা বলেছেন, এখানকার গুড়ের মান অন্য জেলার চেয়ে অনেক ভাল। হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো থাকার ব্যাপারীরা হাটে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
গাছিরা জানান, গত বছরের তুলনায় গুড়ের দাম এবার একটু বেশি। তবে লাভও হচ্ছে বেশি। হাটে কাজ করে এলাকার অনেক মানুষ এখন স্বাবলম্বী হয়েছে। গুড়ের হাট ঘিরে মাটির হাড়ির (ভাড়ের) হাটও বসে।
চুয়াডাঙ্গার ৪টি উপজেলায় রয়েছে খেজুর গাছ। গাছিরা শীত মৌসুমে খেজুর গাছ থেকে রস তৈরি করেন। রস জ্বালিয়ে তারা গুড় তৈরি করেন। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে গাছি (কৃষকরা) প্রতি সোমবার ও শুক্রবার সরোজগঞ্জ হাটে গুড় বিক্রির জন্য নিয়ে আসে। মাটির হাড়ির (ভাঁড়ের) আকার ভেদে গুড় বিক্রি হয়। গুড় ৭০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকায় প্রতি মাটির হাড়ি বিক্রয় করেন গাছিরা। প্রতি কেজি গুড় বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকায়। ব্যাপারীরা গুড় ট্রাক বোঝাই করে দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে বিক্রি করেন।
গুড় রাখার জন্য পাত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয় মাটির তৈরি হাড়ি (ভাড়)। কুমাররা হাটে নিয়ে বিক্রি করছেন মাটির হাড়ি। শীত মৌসুমে এ ব্যবসা তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
সিরাজগঞ্জ জেলার গুড়ের ব্যাপারী লিয়াকত আলি বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সরোজগঞ্জ হাট থেকে গুড় কিনে নিয়ে যাই। এখানকার গুড়ের মান অনেক ভাল। হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাল।
চুয়াডাঙ্গা ধুতুরহাট গ্রামের গাছি শফিকুল ইসলাম জানান, আমার ২৫০টি খেজুর গাছ আছে। দুই জন লোক গাছ কাটে ও রস তোলে। প্রতিদিন তিন হাড়ি গুড় হয় এসব রসে। এ হাটে দাম ভাল পাওয়া যায় বলে এখানে গুড় বিক্রি করি।
হাটের শ্রমিক লিয়াকত হোসেন জানান, আমরা ব্যাপারীদের গুড় টানার কাজ করি। প্রতি হাটে আয় হয় ৭০০-৮০০ টাকা মত। এ কাজ করে সংসার ভালই চলছে।


   Page 1 of 7
     অর্থ-বাণিজ্য
সিগারেটে তৈরির মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা
.............................................................................................
সিগারেটে তৈরির মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা!
.............................................................................................
সিগারেটসহ সব তামাক পণ্য বেচাকেনা বন্ধের নির্দেশনা
.............................................................................................
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
.............................................................................................
সব কারখানা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিকেএমইএ
.............................................................................................
সবজি-মাছ-মাংসের বাজার গরম, স্বস্তি পেঁয়াজে
.............................................................................................
‘গলার কাঁটা’ পেঁয়াজ কেনার প্রস্তাব ভারতের, ভাবছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়লেও ‘দেশে বাড়বে না
.............................................................................................
দেশে প্রথম ১০ লেনের টঙ্গী ব্রিজ, থাকছে চলন্ত সিঁড়ি-লিফট
.............................................................................................
পেঁয়াজের প্রথম চালান এলো উড়োজাহাজে
.............................................................................................
বাণিজ্য মেলা ৯ জানুয়ারি শুরু
.............................................................................................
ব্রয়লার মুরগিতে সচেতনতা জরুরি
.............................................................................................
এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহের নির্দেশ
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় সামিটের আজিজ
.............................................................................................
ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় শুরু
.............................................................................................
দেশের বৃহত্তর চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জের খেজুর গুড়ের হাট জমে উঠেছে
.............................................................................................
বাণিজ্য মেলায় জরিমানা ২ লাখ ৭৭ হাজার
.............................................................................................
মৌ-চাষের জন্য উপযোগী বাংলার আবহাওয়া
.............................................................................................
জানুয়ারি মাসেই পেঁয়াজের দাম নামবে ৩০ টাকায়
.............................................................................................
ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও জমা রাখা যাবে সরকারি টাকা
.............................................................................................
চট্টগ্রাম কাস্টমসে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রায় নতুন চমক!
.............................................................................................
সরকার আগামীকাল এডিবি’র সঙ্গে ২৬ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করবে
.............................................................................................
রেমিটেন্স এসেছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি ডলার
.............................................................................................
কুমিল্লার বিজয়পুর মৃৎশিল্প সুনাম ও ঐতিহ্য এখনো রয়েছে
.............................................................................................
নিত্যপণ্যের লাগামছাড়া দাম
.............................................................................................
মসলিন কাপড় তৈরির প্রযুক্তি পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা
.............................................................................................
রডের দাম বেড়েছে ১৪ শতাংশ
.............................................................................................
ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করবে সরকার
.............................................................................................
দেশের চিনি শিল্প রক্ষায় আখ চাষ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
.............................................................................................
আসছে বাজেট সাড়ে চার লাখ কোটি টাকা
.............................................................................................
আত্মকর্মসংস্থানে বর্তমান অর্থবছরের ২ মাসে ২৭৩ কোটি ঋণ দিয়েছে কর্মসংস্থান ব্যাংক
.............................................................................................
পৌরসভা উন্নয়নে ২০ কোটি মার্কিন ডলার দিবে এডিবি
.............................................................................................
শীতলপাটির হাট সালুটিকর See
.............................................................................................
ফের স্বর্ণের দাম বাড়লো
.............................................................................................
রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকে সাড়ে ৩ হাজার ‘কর্মকর্তা’ নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি
.............................................................................................
সরকারি খাতের উন্নয়নে বিশ্ব ব্যাংকের ৫৭ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন
.............................................................................................
আবগারি শুল্কের হার পরিবর্তন হতে পারে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
রাশিয়াই নেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্জ্য
.............................................................................................
রফতানি খাতে বিশ্বব্যাংকের ১০ কোটি ডলার
.............................................................................................
ভ্যাট ১৫ শতাংশই, অব্যাহতি নিত্যপণ্য ও সেবায়
.............................................................................................
‘সিগারেট থেকে বিড়ি ইজ সো ব্যাড’
.............................................................................................
সেজেছে ঐতিহ্যবাহী ইফতারে চকবাজার
.............................................................................................
‘ভ্যাট আইনে নতুন হার ১২ শতাংশে নামানো উচিত’
.............................................................................................
অতিরিক্ত দাম নিলেই ব্যবস্থা : সাঈদ খোকন
.............................................................................................
সবচেয়ে দীর্ঘ ও ছোট রোজা যে দেশে
.............................................................................................
এবার কাঁচাবাজার নজরদারিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত
.............................................................................................
পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী
.............................................................................................
আগামী ১ জুলাই নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হবে : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
আগামী ১ জুলাই নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর হবে : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
রমজান মাসে ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণেই থাকবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................

সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবদুল মালেক, যুগ্ন সম্পাদক: নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া । সম্পাদক র্কতৃক ২৪৪ ( প্রথম তলা ) ৪ নং জাতীয় স্টেডিয়াম, কমলাপুর, ঢাকা -১২১৪ থেকে প্রকাশিত এবং স্যানমিক প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজেস, ৫২/২ টয়েনবি র্সাকুলার রোড, ঢাকা -১০০০ থেকে মুদ্রিত । ফোন:- ০২-৭২৭৩৪৯৩, মোবাইল: ০১৭৪১-৭৪৯৮২৪, E-mail: info@dailynoboalo.com, noboalo24@gmail.com Design Developed By : Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD